সুন্দর করে কথা বলার কিছু সহজ উপায়

সুন্দর করে কথা বলার কিছু সহজ উপায়
5 (100%) 4 votes

সুন্দর করে কথা বলতে সবাই চায়।পৃথিবীতে যত আদর্শই প্রচার হয়েছে, তা হয়েছে সুন্দর কথা দিয়ে। আর সুন্দর কথার চেয়ে মানুষের মন জয় করার মোক্ষম কোনো উপায় নেই। অসুন্দর কথা ও কুবচন দিয়ে কখনো কোনো আদর্শ প্রচারিত হয়নি, প্রতিষ্ঠিতও হয়নি। বিশ্বের সব ভালো কাজই মানুষের মন জয় করে করতে হয়। সুন্দর কথায় মানুষের মনোকষ্ট দূর হয়। হতাশা, নিরাশা, দুশ্চিন্তা দূর হয়। মন খুশি, সন্তুষ্ট, তৃপ্ত ও সচেতন হয়, বিবেক জাগ্রত হয়। আবেগ, উৎসাহ, উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়,রাগ নিভে যায়।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

সুন্দর

সুন্দর করে কথা বলা রসুল (সা.) এর সুন্নাত

রাসুল (সা.) সবসময় মন্দ কথার জবাবে সুন্দর কথা বলতেন। তিনি ছিলেন সত্যভাষী, স্পষ্টভাষী, স্নিগ্ধভাষী,সুভাষী। তাইতো তিনি সব মানুষের সেরা মানুষ। সাহাবায়ে কেরামরা সুভাষী ছিলেন। সুন্দর কথা দিয়ে তারা বিশ্বকে জয় করেছিলেন। যেসব মনীষী বিশ্বজোড়া জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তারা সবাই সুভাষী ছিলেন। সুন্দর করে কথা বলার ব্যাপারে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘মানুষের সঙ্গে ভালো কথা বল, সুন্দর কথা বল’ (সূরা বাকারা : ৮৩)। ‘তাদের সঙ্গে দয়া, সহানুভূতি ও নম্রভাবে কথা বল’ (সূরা বনি ইসরাইল : ২৮)। ‘তাদের সঙ্গে সম্মানের সঙ্গে কথা বল’ (সূরা বনি ইসরাইল : ২৩)’। মহান আল্লাহর এই অমৃতবাণীর দিকে একটু নজর দিলেই দেখতে পাব মহান আল্লাহ সুন্দর, উত্তম কথা এবং সুবচনের প্রতি কতটা গুরুত্বারোপ করেছেন। সুন্দর কথা বলা প্রসঙ্গে প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ সুন্দর, তিনি সৌন্দর্যকে ভালোবাসেন, তিনি সুন্দর কথাকেই পছন্দ করেন আর অসুন্দর কথাকে করেন ঘৃণা। সুভাষী হওয়া যেহেতু রসুল (সা.) এর সুন্নাত সেহেতু আমাদের সবারই উচিত সুভাষী হওয়ার চেষ্টা করা।

 

যেভাবে সুন্দর করে কথা বলবেন

নিজেকে নিয়ে কিছু এনালাইসিস করুন। আপনি কেমন কথা বলছেন? কিভাবে শুরু করছেন? কাকে কী বলছেন ইত্যাদি। এর সাথে আপনার শারীরিক স্ট্রাকচার কতটা বোল্ড নাকি নরমাল নাকি আরো খারাপ? কন্ঠটা কি বেশি উৎকট নাকি নরমাল নাকি খুবই মিষ্টি? আপনার নলেজ কেমন? এসব এনালাইসিস একটা কাগজে লিখে রাখলেই ভাল। চর্চা করার সময় কাজে আসবে। তবে আপনার স্মৃতিশক্তি ভাল হলে মনে রাখতে পারেন। সুন্দর করে কথা বলার ক্ষেত্রে এই বিষয় মাথায় রাখা জরুরী।

আপনার যা সামর্থ্য আছে তাতেই শুরু করুন। এনালাইসিস করার পর দেখা গেছে আপনার খুবই খারাপ অবস্থা! কিন্তু তাতে কি? আপনি কি শুরু করবেন না? অবশ্যই করবেন। মনে রাখবেন সুন্দর করে কথা বলা পুরটাই চর্চার উপর নির্ভরশীল। চর্চা শুরুর পর নিচের বিষয় গুলিতে জোর দিন। মনে রাখবেন এর কোনটাই মিস করা যাবে না।

আগে শুনুনঃ কোন একটা আলোচনায় যোগ দিলে আগে শুনুন কে কী বলছে। এটা সব সময় সম্ভব নয়, কারন আপনি যদি সঞ্চালক হন তবে আপনাকেই আগে কিছু বলতে হবে। সেক্ষেত্রে মুল টপিক টি বলে সবার সবিনয় দৃষ্টি আকর্ষন করে শুনতে থাকুন। কিছু লিখে রাখুন। যা লিখবেন তাতে রেফারেন্স সহ লিখবেন- যেমন কে বলেছেন, কিজন্যে বলেছেন ইত্যাদি। কে কিভাবে কথা বলছেন সেটাও খেয়াল করুন। যিনি সুন্দর করে কথা বলছেন তাকে খুব মনোযোগ দিয়ে শুনুন। তিনি হয়ত আপনার থেকে অনেক জানেন, তাতে কি। আপনিও একসময় জানবেন। ফলো করুন আর মনে মনে ভাবুন কিভাবে নিজেকে সেভাবে উপস্থাপন করবেন।

উচ্চারন শুদ্ধ করুনঃ সঠিক উচ্চারন আবশ্যিক। এর জন্য প্রয়োজন অনুশীলন। সঠিক বাংলা উচ্চারনে কথা বলে আপনি তাক লাগিয়ে দিতে পারেন। আপনার কথা সবাই শুনতেই চাইবে শুধু শুনতেই চাইবে।

অংগভংগীর ব্যবহারঃ কথা বলার সময় সংশ্লিষ্ট অংগভংগী গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। অনেকেই এক হাত নাড়িয়ে কথা বলেন। অনেকেই দু’হাত নাড়িয়ে কথা বলেন। আবার অনেকে হাত না নাড়িয়েই কথা বলেন। সত্যি বলতে কী আমাদের কোন কারিকুলামে কথা বলার উপর কোন পাঠ নেই। এটা ব্যর্থ শিক্ষা নীতি। কিন্তু আপনি কিছু অনুশীলনের মাধ্যমে এর যথেষ্ট প্রয়োগ করতে পারেন। যখন যা বলবেন তা বুঝাতে যেভাবে অংগ সঞ্চালন দরকার সেটাই করা উচিত। বড় কিছু বুঝাতে দু’হাতে বড় ইঙ্গিত করাই সঠিক। সুন্দর করে কথা বলার ক্ষেত্রে এটাও আবশ্যিক।

সুস্পষ্ট মতামত প্রয়োগঃ যথাসময়ে একটি স্পষ্ট মত প্রয়োগ করুন। এমন ভাবে বলবেন না যেন কেউ আপনার কথায় বিব্রত হয়। অন্যের কথার মাঝে কথা বলবেন না। যদি বলতে হয় তবে ভদ্রভাবে বলুন-মাফ করবেন অথবা এক্সকিউজ মী। তারপরে বলুন যে উনার কথাটায় আপনি কি যুক্ত করতে চাচ্ছেন।

আত্মবিশ্বাসের সাথে বলুনঃ যা বলবেন আত্মবিশ্বাস নিয়েই বলুন। দ্বিধা নিয়ে কিছু বলা উচিত নয়। কেউ যদি প্রশ্ন করে যে কেন আপনি এত আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলছেন, সাথে সাথে সুন্দর ব্যাখ্যা দিন। এবং তাকে এই জন্য একটা ধন্যবাদ জানান।

পরিবেশ পরিস্থিতির দিকে খেয়াল করে বলুনঃ একটা আলোচনায় অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট পরিবেশ পরিস্থিতি থাকে না। চেঞ্জ হয়। কখনো হাসির সময় আসে কখনো খুব সিরিয়াস সময় আসে। অনেক সময় গম্ভীর একটা সিচুয়েশন দেখা যায়। সব সিচুয়েশনে সব কথা মানাবে না। নির্দিষ্ট সময়ে সময়োপযোগী কমেন্ট করুন। সুন্দর করে কথা বলার ক্ষেত্রে এটা আবশ্যিক।

টপিকের দিকে খেয়াল রাখুনঃ অনেকেই আছেন কথা বলা শুরু করেছেন, মাঝে একটা উদাহরন দিতে গেলেন, উদাহরনের মাঝে সুন্দর একটা গল্প কৌতুক শুরু করে দিলেন। আর আসল টপিক ভুলে গেলেন। গল্প শেষে নির্লজ্জের মতো হাসি দিয়ে বললেন- আমি কোথায় যেন ছিলাম? এসব মানুষের কথায় উপস্থিত সকলের কঠিন বিরক্তি হয়। রাগ হয়। পরের বার আর শুনতে চান না কেউই। সবাই নিশ্চয় তাদের মুল্যবান সময় সেই ব্যাক্তির গল্প শুনতে নষ্ট করবেন না? তাই টপিকের দিকে মনোযোগ দিন। যদি এমন হয় তবে লিখে রাখুন। কাগজে লিখে তবেই গল্প উদাহরন যা দেবার দিন। এতে আপনার মনে থাকবে আপনি সত্যিই কোথায় ছিলেন। অফ টপিক সব সময় বলা যায় না। সিচুয়েশন দেখে বলুন।

কথার মাঝে দাঁড়ি কমা সেমিকোলনের সময় নিনঃ কথা শুধু রেলগাড়ির মত বলে যাবেন না। আবার ষ্টেশনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকার মত বিশ্রামও নিবেন না। দাঁড়ি কমা কিংবা বিরাম এর সময় নিন। যাতে বুঝতে সুবিধা হয়।

চলিত ভাষায় বলুনঃ যে ভাষা সবাই বুঝে সে ভাষায় বলুন। আঞ্চলিক ভাষা পরিহার করুন। ইংরেজী কথায় কথায় না বলাই ভাল। যাঁরা ইংরেজী বলে পন্ডিত সাজতে চান তারা হাসির খোরাক হন। কোন উদ্ধৃতি ইংরেজীতেই যদি হয় সেটা বলা যেতে পারে। তবে ইন্টারন্যাশনাল কনভার্সেশনে তো পুরাটাই ইংরেজীতে বলবেন। সেখানে ভুলেও নিজের ভাষায় বলবেন না। এতে লোকাল লোকজন খুশি হলেও আন্তর্জাতিক সদস্যরা খুব মনে কষ্ট পান। তাই এদিকে খেয়াল রাখবেন। লোকাল ভাষায় কেউ কিছু জানতে চাইলেও ইংরেজীতেই উত্তর দিন। ভাষা যদি চেঞ্জ করতেই হয় তবে অনুমতি নিয়ে নিবেন।

সুন্দর কথা বলুন মানুষের মন জয় করুন

সুন্দর কথা কার না ভালো লাগে! কেউ যখন সুন্দর ভাবে কথা বলে সকলের আকর্ষণ তার দিকেই থাকে। ভাবনা,কথা, শব্দ বা চিন্তাকে আমরা দুটি শ্রেণীতে ভাগ করতে পারি- একটি হলো সুন্দর কথা বা ইতিবাচক কথা- যা আশাবাদী করে, আত্মবিশ্বাসী করে, কাজের প্রেরণা বা সাহস যোগায়, আনন্দিত করে।
অপরটি অসুন্দর বা নেতিবাচক কথা- যা দুঃখবোধ বাড়িয়ে দেয়, আশা ভঙ্গ করে, মনে অস্থিরতা ও হতাশা তৈরি করে,সর্বোপরি মানসিক অশান্তি বাড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ যে ভাবনা, চিন্তা বা কথা নিজের ও অন্যের জন্যে ক্ষতিকর বা অকল্যাণকর তা-ই নেতিবাচক কথা বা অসুন্দর কথা। ছোট ছোট সদিচ্ছা, একটু আন্তরিকতা, একটু মনোযোগ, একটু সচেতনতাই পারে আমাদের কথা মালাকে সুন্দর করতে। এখন দেখবো সেই সুবচন/ সুন্দর কথাগুলো কী কী হতে পারে।

১. সবাইকে আগে সালাম দিব। আমাদের অনেকেরই ভুল ধারণা রয়েছে যে, সালাম কেবল বড়দেরকেই দিতে হবে তা কিন্তু নয়। ছোট বড় পদমর্যাদা নির্বিশেষে সবাইকে আগে সালাম দিতে হবে। নবীজী ছোটদের আগে সালাম দিতেন।

২. সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলতে হবে। প্রাণের প্রাবল্যে ছড়িয়ে দেয়া হাসি বা ব্যবহার একজন মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। একটু হাসি অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতিকে সহজ করে দেয়।

৩. প্রতিষ্ঠানে, কর্মক্ষেত্রে, পারিপার্শ্বিক পরিমণ্ডলে ছোট-বড়-ঊর্ধ্বতন-অধস্তন নির্বিশেষে ‘আপনি’ বলে সম্বোধন করা। আপনি সম্বোধন পারস্পরিক সম্পর্ক, যোগাযোগ অনেক সহজ করে দেয়। অফিসের একজন কর্মচারী বা রিকশাচালককে ‘আপনি’ সম্বোধন করলে সে সম্মানবোধ করবে এবং আপনার কাজ সহজে করে দেবে।

৪. আপনার বলা কথাটি হতে হবে বিনয় ও মমতাপূর্ণ। আন্তরিক বিনয় সকল সৎগুণের উৎস। যত বিনীত হবেন তত মানুষের কাছে যেতে পারবেন। বিপদের কথা, দুঃখের কথা বলতে মানুষ আপনার কাছে আসবে। মমতার ভাষা সবাই বোঝে। মমতা অপর পক্ষকে বিচার করে না বরং বোঝার চেষ্টা করে। যে কারণে মমতাপূর্ণ সুন্দর কথায় সবাই প্রভাবিত হয়।

৫. কৃতজ্ঞ মানুষকে সবাই ভালবাসে। আসলে যে মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানাতে পারে না সে আসলে স্রষ্টার প্রতিও কৃতজ্ঞ নন। এ কারণেই ১৫ শত বছর আগে নবীজী বলেছেন, কারো সাথে দেখা হলে সালাম বিনিময়ের পরে কুশল জিজ্ঞেস করলে বলবে, শোকর আলহামদুলিল্লাহ! বেশ ভালো আছি।

৬. মানুষের মন জয়ের জন্যে বলতে হবে সুন্দর এবং কোমল কথা। একবার রাজার এক ভৃত্য পলায়ন করেছে। রাজা তাকে প্রাণদণ্ডের আদেশ দিলেন। তাকে নিয়ে যাওয়া হলো জল্লাদের কাছে। জল্লাদ তলোয়ার তুলতে উদ্যত। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বেচারা কাতর স্বরে প্রার্থনা করলো, হে করুণাময় যারা আমাকে হত্যা করতে চাইছে তাদেরকে তুমি ক্ষমা কর। কারণ আমি তাদের ক্ষমা করেছি। বাদশা আমাকে প্রাণদন্ডের আদেশ দিয়েছেন এতে আমার কোনো দুঃখ নেই কারণ এই বাদশাহ আমাকে প্রতিপালন করেছে। তুমি এদের সবার পাপ ক্ষমা করো। বাদশাহ ভৃত্যের ফাঁসির মঞ্চেই ছিলেন। ভৃত্যের মৃত্যুকালীন প্রার্থনা শুনে তার চিত্ত বিগলিত হলো। তার সমস্ত রাগ পানি হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে আদেশ দিলেন, ওকে মুক্ত করে দাও।

৭. কেউ বিদ্রুপ করলে জবাব দিন বিনয়ের সাথে সুন্দর ভাবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে তার গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্যে নোবেল পুরস্কার পান। পশ্চিমাদের অনেকেরই এটা সহ্য হচ্ছিলো না বরং গাত্রদাহ হচ্ছিলো। একবার এক পশ্চিমা সাহেব রবীন্দ্রনাথকে বলেই বসলেন, গীতাঞ্জলি বইটি দারুণ হয়েছে। আসলে কে তোমার হয়ে ওটা লিখে দিয়েছিলো? সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে এলো কবি গুরুর বুদ্ধিদীপ্ত উত্তর, তার আগে বলো দেখি, কে আসলে তোমাকে পড়ে দিয়েছিলো, গীতাঞ্জলির মতো কাব্য।

৮. স্রষ্টা মানুষকে দুটো কান দিয়েছেন এবং একটি মুখ দিয়েছেন। অতএব শুনতে হবে বেশি এবং বলতে হবে কম। তাই বলার আগে সচেতন হোন কখন, কাকে কী বলছেন। কথা বলার চেয়ে শোনার প্রতি বেশি মনোযোগী হোন। ঝিনুকের মুখ দিয়ে যেমন মুক্তা ছাড়া আর কিছুই বের হয় না, ঠিক তেমনি প্রজ্ঞাবানদের মুখ দিয়ে মূল্যবান কথা ছাড়া আর কিছুই বের হয় না।

৯. আমরা কৌতূহলী হবো কিন্তু কৌতূহল যেন অভদ্রতার পর্যায়ে না পড়ে। কোনো বিষয় বা জ্ঞান অর্জনের জন্যে আমাদের কৌতূহল থাকবে। কিন্তু কারো কোনো ব্যক্তিগত ব্যাপারে কৌতূহল দেখাবো না। অর্থাৎ যে জিনিস জানা অথবা না জানার ওপর কোনো কিছু নির্ভর করছে না, সেটা জিজ্ঞেস করা থেকে বিরত থাকবো। যেমন: অনেকের সামনে পরীক্ষার রেজাল্ট কী বা দেখতে ভালো লাগছে না বা বয়স বেতন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা। এগুলো শিষ্টাচারের পরিপন্থী।

১০. আসলে সুন্দর কথার জন্যে চাই সুন্দর মন। রাগ-ক্ষোভ, ঘৃণা, ঈর্ষা থেকে মনকে মুক্ত করুন। দেখবেন, আপনার কথায় লোকজন স্বস্তি পাচ্ছে, আপনার সাহচর্য প্রত্যাশা করছে। বাড়িঘর যেমন নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয়, না করলে যেমন ধুলো জমে যায় ঠিক তেমনি প্রতিদিন মনের ময়লা-আবর্জনা ধুয়ে মুছে সাফ করুন। এজন্যে নিয়মিত মেডিটেশন করুন। সুন্দর কথা বলার জন্যে প্রয়োজন অনুশীলন ও চর্চা। সুন্দর ভাবে কথা বলবেন দেখবেন আপনি হবেন হাজার হাজার মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস।

210 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

About অনন্যা মিতু

রক্তের সর্ম্পক ছাড়া যদি আর কোনো ঘনিষ্ট কোনো সর্ম্পক থাকে সেটা হলো বন্ধুত্ব।ভাগ্য তোমার আত্মীয় বেছে দেয় আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন