সুন্দরী বউ পাওয়ার কিছু গুরত্বপূর্ণ টিপস

সুন্দরী বউ পাওয়ার কিছু গুরত্বপূর্ণ টিপস
5 (100%) 4 votes

সুন্দরী বউ কে না চায়। সুন্দরী নারীর কদর আছে সব জায়গায়। ভালো ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের চাহিদা একটু অন্যরকম। তারা লেখাপড়া বা অন্যদিকে বেশি ঝোঁকে না। তাদের চাহিদা হলো মেয়ে খুবই সুন্দরী হতে হবে। লেখাপড়া কম জানলেও চলবে। তবে কর্মজীবী পুরুষ কর্মজীবী পাত্রী চায়। যদিও একেকজন মানুষের চাহিদা একেক রকম। অনেকে মেয়ের শিক্ষা, পারিবারিক অবস্থা দেখে তারপর মেয়ের বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে। বর্তমানে লেখাপড়া জানা পাত্রীর চাহিদাই বেশি। তবে অনেকে আবার সুন্দরী মেয়েও খোঁজে। তারা আবার লেখাপড়া তেমন চায় না। বর্তমান যুগের চাহিদা বিয়ের কনে বা পাত্রীকে ‘সম্ভ্রান্ত, শিক্ষিত, ভালো, ছোট পরিবারের মেয়ে হতে হবে’। তাকে সুন্দরী তো হতেই হবে। নম্র, ভদ্রসহ নানা গুণ থাকতে হবে। এখানেই শেষ নয়, পাত্রী শুধু শিক্ষিতই নয়, অনার্স বা মাস্টার্স অধ্যয়নরত বা পাস করা থাকতে হবে। উচ্চতা কমপক্ষে পাঁচ ফুট লাগবে। বয়স হতে হবে ২২ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। কিন্তু সবার ভাগ্যে কি সুন্দরী বউ জোটে?

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

সুন্দরী

সুন্দরী বউ কিনতে পাওয়া যায়

পৃথিবীতে কত আজব রীতিনীতি চালু রয়েছে। অনেক কিছুই আমাদের অজানা। বিয়ে করার রীতি সব দেশেই চালু আছে। তবে এক এক দেশে এক এক রকম। তবে কখনও কি শুনেছেন সুন্দরী বউ কেনার জন্য বাজার রয়েছে। মানে বাজারে বউ কেনা বেচা হয়! অবাক হলেও বুলগেরিয়ায় এ রীতি চালু রয়েছে। মানে সেখানে বাজারে সুন্দরী বউ কিনতে পাওয়া যায়। বিয়ে করতে চাইলে বাজারে গিয়ে ইচ্ছেমত দরদাম করে বউ কিনে নিয়ে আসতে পারেন। বাজারে গেলে দেখতে পাবেন, সেজেগুজে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অনেক সুন্দরী। কেউ আবার **রূপচর্চা** করছেন। কেউ আবার পোশাক-আশাকের সঙ্গে স্বর্ণালংকার গুলো আরেক বার ঠিক করে নিচ্ছেন। সবাই অপেক্ষা করছে বরের জন্য। বউ বাজারে তাদের নিয়ে এসেছেন তাদের মা-বাবারা। নির্দিষ্ট দিনগুলোতে সুন্দরী বউয়ের খোঁজে পাত্রসহ পাত্রপক্ষও হাজির হন এই হাটে। গরিব মা-বাবারা তাদের মেয়েদের হাটে তোলেন। যুবকরা সুন্দরী কনে পছন্দ করতে আসেন ওই হাটে। এ সময় তার পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত থাকেন সেখানে। উপস্থিত মেয়েদের মধ্য থেকে কনে পছন্দ করেন ছেলেরা। পরে পরিবারের পছন্দ ও সম্মতির পরই তাদের বিয়ে হয়। এক বছরে চারবার ‘কনে হাট’ বসানো হয়।

যেভাবে পাবেন সুন্দরী বউ

যারা সুন্দরী মেয়ে তারা একটু স্বভাবতই সবার সাথে একটু ভাব নিবে কারন তাকে অনেকেই চায়। আর ব্যাচেলর যুবকদের মাথায় সব সময় একটি চিন্তায় আপ-ডাউন করে বউটা কেমন হবে? সুন্দরী হবে তো ? এটাকে ব্যাচেলরদের দুরারোগ্য ব্যাধিও বলা যেতে পারে। এমন যুবক খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে সম্ভাব্য বউ নিয়ে না ভাবে। অনেকে এই চিন্তা করতে করতে সাইকোও হয়ে গেছেন। তাদের জন্য কিছু টিপস রইলো।

টেকো মাথার দাম বেশী – আগের দিনে মাথায় টাকওয়ালা ছেলেরা মেয়ে দেখতে গেলেই বেইজ্জতি হয়ে ফিরতে হতো। সুন্দরী মেয়ে দেখতে গেলে একটি কথা বারবার শুনতে হতো, ছাদে মাল নেই। এই ছেলের সাথে মেয়ে বিয়ে দেয়া যাবে না। এমনকি অনেক মেয়ে সামনাসামনি বলেই ফেলতো এই টেকো ছেলেকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করবে না; কিন্তু এখন মেয়েদের রুচির পরিবর্তন ঘটেছে। আশপাশে একটু চোখ বুলিয়ে দেখুন সুন্দরী সুন্দরী মেয়েদের পাশে স্বামী হিসেবে ঠাঁই পেয়েছে টেকো মার্কা বুড়ো ছেলের দল। কাজেই আপনি যদি সুন্দরী জীবন সঙ্গী পেতে চান টেকো হয়ে যান।

রুপের প্রশংসা বাদ দিন – একটু লক্ষ্য করুন প্রায় সবাই সুন্দরীদের সাথে কথা বলার সময় বলে থাকেন, আপনি অনেক সুন্দরী। আপনাকে অমুক নায়িকার মতো লাগে, আপনি এত সুন্দর কেন ইত্যাদি ইত্যাদি। মেয়েরা এসব কথা শুনতে শুনতে আর তাদের কাছে ভাল লাগেনা, লাগে বিরক্তিকর। তবে মেয়েটা যদি এসব কথা শোনার মতো পরিবেশ না পায় তাহলে এসব কথা কাজে দেবে আইকা আঠার মতো। সাধারনত সুন্দরী মেয়েদের বেলায় এমনটা হয়না। এরা কোথাও না কোথাও এসব পরিবেশ অবশ্যই পেয়েছে। তাই প্রথম কথা হলো প্রথমেই তার প্রশংসা করবেননা। এতে তার মনে হবে যে সবাই এটা করে কিন্তু আপনি করবেননা। আপনি ওদের থেকে আলাদা।

অতি আগ্রহ প্রকাশ করবেন না – আগ্রহ তার প্রতি আপনার অবশ্যই আছে তবে সেটা আপনি প্রকাশ করবেন না । করবেন পরিমিত এবং স্মার্টলি। যাতে করে মনে হয় আপনি অন্যদের থেকে আলাদা কিছু। কোন কিছু এলোমেলো ভাবে প্রকাশ করবেন না এবং আগ বাড়িয়ে কিছু বলতে যাবেন না। পরিবেশ করে তুলুন এবং তার মুখ থেকেই বের করার চেষ্টা করুন।

আকর্ষণীয় উপহার দিন – উপহার কে না ভালবাসে তাই বিশেষ কোন দিন এলেই সেই মেয়েটিকে উপহার দিন। তাকে আপনার শেষ্ঠত্ব বুঝে নেয়ার সুযোগ করে দিন। সুন্দর ও দামি উপহার দিন।

তার মন সুন্দর বলুন – কোন এক সুন্দর কথা বললেই তাকে বলে দিন যে তার মনটা অনেক সুন্দর। এটা তাকে বুঝতে দিন যে আপনি তার সুন্দর মনের জন্যই তাকে পছন্দ করেন। কখনোই বুঝতে দেবেননা সে সুন্দরী এই কারণেই আপনি তাকে পছন্দ করেন।

স্মার্ট থাকুন – আপনি সব সময় স্মার্ট থাকুন এবং সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলুন। তাকে আপনার ভাল লাগার কথা যখন বলবেন তখন স্মার্টলি তাকে বলে দিন যে তাকে আপনি ভালবাসেন বিয়ে করতে চান এবং তাকে সুখী করতে আপনি কি কি পদক্ষেপ নেবেন সেই বিষয়ে বলুন।

সাহসী পুরুষ হন – কাঙ্খিত মেয়েটির সামনে সুযোগ এলে আপনার সাহস প্রদর্শন করুন মন্ত্রের মত কাজে দেবে। মনে রাখুন মেয়েরা নিজেকে কোন সাহসী পুরুষের হাতে তুলে দিতে সদা প্রস্তুত। সাহসহীনকে করে ঘ্রিনা।

আপনি সম্পদশালী তা প্রদর্শন করুন – একজন সুন্দরী মেয়ে অবশ্যই তার জীবন সঙ্গীকে অবশ্যই আর্থিক ভাবে সচ্ছল দেখতে পছন্দ করেন। আর আপনি যখন তার সাথে কোথাও ঘুরতে যান তখন আপনি আগেই গাড়ি থেকে নেমে তাকে নামায় সাহায্য করুন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ এবার লক্ষ্য করুন আপনাকে কেমন করে কত দ্রুত আপন করে নিচ্ছে।

মোটরসাইকেল – যদি পারেন কিস্তিতে একটি মোটরসাইকেল কিনুন, নয়তো চৌর্যবৃত্তির আশ্রয় নিতে পারেন। তাও যদি না পারেন অন্তত সুন্দরী মেয়ে দেখতে গেলে এ যুগের পশ্চাৎ ভাগ উঁচুঅলা একটি মোটরসাইকেল ভাড়া করে নিয়ে যান। আর মেয়ের সামনে কারণে অকারণে গল্পো মারতে থাকুন, যাতে মেয়ে থাউজেন্ড পার্সেন্ট বুঝতে পারে যে, আপনার একটি বাইক আছে। এ যুগের মেয়েরা চায় তার স্বামীর পশ্চাৎ ভাগ উঁচুঅলা একটি মোটরসাইকেল থাকুক, যাতে সকালে-বিকেলে মেকআপের ভেতরে ডুব মেরে স্বামীর বাইকের ছিটে বসে জিরাফের মতো ঘাড় লম্বা করে নিজেকে দেখাতে পারে।

সোনাদানা অলঙ্কার – সেই আমলে রিয়াজের প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে শাবনুর গাছগাছালির পাতাপুতিকে সোনা মনে করলেও এখনকার মেয়েরা আর সেটা করে শেখেনি। গাছগাছালির পাতাপুতি তো দূরের কথা, অরজিনাল সোনা দেখলেও নানান ধরনের সন্দেহ করে বসে। ভাবে, এগুলো আসল সোনা না ইমিটেশন অথবা সিটিগোল্ড। সোনার প্রতি, বিশেষ করে মেয়েদের আকর্ষণটা জন্মগত। চুম্বুকের চেয়ে বেশি ছাড়া কম না। সুন্দরী কোন মেয়েকে যদি কোনোভাবে অবগত করাতে পারেন যে, আপনার অনেক সোনা দানা আছে এবং এগুলো আপনি আপনার বউকে গিফট করবেন। সোনা দিয়ে মুড়ে দিবেন। আপনার কাজ হয়ে যাবে। পেয়ে যাবেন সুন্দরী বউ।

160 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন