যৌন শিক্ষা কি এবং কেন প্রয়োজন

যৌন শিক্ষা কি এবং কেন প্রয়োজন
5 (100%) 9 votes

যৌন শিক্ষা বিষয়ে প্রত্যেকটি মানুষের জানা প্রয়োজন। শিশুর যৌন শিক্ষা বা সেক্স এডুকেশন নিয়ে আমরা খুবই অনুৎসাহী। শিশুকে সঠিক বয়সে সঠিক যৌন শিক্ষা না দিলে যে তারা নানবিধ সমস্যার সম্মুখীন হয় এমনকি যৌন নিগ্রহের স্বীকার হয় তা অভিবাবকদের বোঝা উচিত। তবে বাবা মা সন্তানদের সামনে যৌনালোচনা করবেন কিভাবে, এটা একটা সমস্যা। কিন্তু উঠতি বয়সি ছেলে মেয়েরা এত বেশি উৎসাহী যে, বাবা মা যদি তাদের সঠিক শিক্ষা না দেন তাহলে তারা ভুল শিখতে পারে। তাদের বন্ধুদের কাছে কিংবা টিভি, সিনেমা বা নানা খারাপ বইপত্রের মাধ্যমে তারা যৌনতা সম্পর্কে কৌতূহলবোধ করে। সঠিক যৌনশিক্ষার অভাবে অনেকেই জড়িয় পড়ে নানা বিকৃতিতে, কেউ কেউ আবার বিপথগামীও হয়। মনে রাখা দরকার আপনি এখন আপনার শিশুকে যা জানাতে সংকোচ বোধ করছেন একদিন তা সে অন্যের কাছ থেকে জানবে, তার মধ্যে থাকবে ভুল, ভ্রান্তি, অভিনয়, কুসংস্কার এবং মিথ্যা। অনেক সময় জানতে জানতে অনেক বেশী দেরী হয়ে যাবে, তাই আপনার উচিত নিজ দায়িত্বে সঠিক কাজটি, সঠিক উপায়ে, সঠিক সময়ে করা।

যৌন শিক্ষা

যৌন শিক্ষা কি

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

যৌন শিক্ষা কি তা অনেকেই জানেন না। কেউ বলেন,যৌন শিক্ষা হলো যৌন মিলনের উপর জ্ঞান। কারো ধারণা যৌন শিক্ষা হলো জীবনের জৈবিক চাহিদা সম্পর্কে জানা এবং যৌনতার সঠিক প্রয়োগ ও সতর্কতা। কারো ধারণা যৌন শিক্ষা হলো শারীরিক সম্পর্কের হাতে কলমে শিক্ষা। আসলে যৌন শিক্ষা মানে কিভাবে সেক্স করবেন তা হাতে কলমে শেখানো নয়! যৌন শিক্ষা (Sex Education) বলতে মূলত মানব যৌনতা, যার মাধ্যমে মানসিক সম্পর্ক এবং দায়িত্ববোধ, মানব যৌন শারীরস্থান, যৌনাচার, যৌন প্রজনন, সম্মতির বয়স, প্রজনন স্বাস্থ্য, প্রজনন অধিকার, নিরাপদ যৌনতা, জন্ম নিয়ন্ত্রণ এবং যৌন নিবিড়তা সহ মানব যৌনতার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলি নির্দেশ করা হয়। যৌন শিক্ষা স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত। কিশোরীর বয়ঃসন্ধীকালীন শারীরিক পরিবর্তন, মানসিক পরিবর্তন, যৌনতা নিয়ে ভ্রান্ত ধারনা, পিরিয়ডকালীন পরিচ্ছন্নতা সবই পড়ে। আমাদের দেশে পাঠ্যপুস্তকে এই শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে অনেকের নাক সিটকানি আছে। বন্ধু বান্ধবের সাথে আলাপে, কিংবা ওয়েবসাইট ঘেটে তরুনরা মুলত যৌনতা সম্পর্কে যে জ্ঞান লাভ করে সেটা আসলে পর্নগ্রাফি দেখা, যৌন শিক্ষা নয়। বিষয়টা এমন না যে নারী পুরুষ বন্ধ ঘরে আসলো, এরপর কি করতে হবে তা কাউকে শিখিয়ে দিতে হবে! এটা যৌন শিক্ষা নয়, বরং না জানার কারনে পিরিয়ড হবার কারনে যে মেয়েটিকে তার পরিবার ঘরে বন্ধ করে রাখে, কোনো কিছুই ছুতে দেয়না, সেই পরিবারকে সচেতন করার দরকার আছে। যে কিশোর যৌনতা সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনা নিয়ে আজীবন ভয়ের মধ্যে দিননিপাত করে তাদের জন্য এই শিক্ষার প্রয়োজন আছে। যৌন শব্দটা আমাদের মধ্যবিত্ত মানুষদের মধ্যে এমনিতেই একটা নেতিবাচক আলোড়ন তৈরি করে। এর প্রথম এবং প্রধান কারণ হল বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের ভ্রান্তধারনা। আমরা যৌন সম্পর্কিত বিষয় এর উল্লেখ হলেই মনে করি যৌন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়। কিন্তু এটা মোটেই ঠিক নয়। যৌন শিক্ষা হল বিষয়ভিত্তিক নির্দেশনা যা কিনা মানুষের যৌনতার (human sexuality) সাথে সম্পর্কিত। এটা আরও আলোচনা করে সেক্সচুয়াল এনাটমি (sexual anatomy), প্রজননতন্ত্র (sexual reproduction), যৌন কার্যক্রম (sexual activity), প্রজনন স্বাস্থ্য (reproductive health),আবেগিক সম্পর্ক (emotional relations), প্রজনন সংক্রান্ত অধিকার ও দায়িত্ব (reproductive rights and responsibilities), যৌন সম্পর্ক তৈরি করা থেকে বিরত থাকা (abstinence) এবং জন্ম নিয়ন্ত্রন (birth control) নিয়ে।

কেন যৌন শিক্ষা প্রয়োজন

একটা ছেলে বা মেয়ে যখন বয়ঃসন্ধির মধ্যে দিয়ে যায়, তার শরীরে অনেক ধরনের পরিবর্তন আসতে শুরু করে। পরিবর্তন যেগুলো সে আগে কখনো দেখেনি। তার লম্বা হওয়ার গতি বেড়ে যায়। **মেয়েদের মাসিক** শুরু হয়, তাদের স্তন এর আকার বৃদ্ধি শুরু হয়। ছেলেদের দাড়ি, মোচ বের হয়। উভয়েরই  গুপ্ত কেশ গজানো শুরু হয়। তাদের শারীরিক পরিবর্তন যতটা না হয়, তারচেয়ে বেশী চাপ যায় মনের ওপর দিয়ে। ছেলেদের গলার স্বর চেঞ্জ হয়ে যায়। তারা কথা বলতে অনেকটা সংকোচ বোধ করে। হুট করে দাঁড়ি মোচ গজানোর কারণে মানুষের সামনে আসতে তাদের লজ্জা লাগে। মাসিক শুরু হওয়ার ব্যাপারটা কোন মেয়েই স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারে না। অনেকেই প্রথম প্রথম প্রচণ্ড ভয় পেয়ে যায়। স্বাভাবিক ভাবেই শরীর থেকে এতো রক্ত বের হয়ে যাচ্ছে, যে কেউই ভয় পাবে। অনেকেই বাসায় ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারে না। দিনের পর দিন তারা প্রচণ্ড যন্ত্রণা ভোগ করে, কষ্ট করে। অনেক সময় না পেরে বাসায় বলে। কিংবা মায়েরা বুঝে ফেলেন।
এই পর্যন্ত সব কিছুই ঠিক আছে। সমস্যা হলে, বুঝে ফেলার পরে কি ঘটে? ছেলেদের ক্ষেত্রে দেখা যায় বাবা বা বড় ভাই একটা রেজার ধরিয়ে দেয়, কিংবা টাকা দেয় কিনে নেওয়ার জন্য। মেয়েদের ক্ষেত্রে মায়েরা স্যানিটারি ন্যাপকিন ধরিয়ে দেয়, কিভাবে ব্যবহার করতে হয় শিখিয়ে দেয়। ঐখানেই শেষ, ফুল স্টপ।

ছেলেদের কেন দাড়ি মোচ গজাচ্ছে, কেন গলার স্বর পাল্টাচ্ছে এগুলো কখনোই ব্যাখ্যা করা হয়না। মেয়েদের ঋতুস্রাব কেন হচ্ছে বা এই রক্ত কোথা থেকে আসছে, বা তলপেটে কেন এতো ব্যাথ্যা হচ্ছে, এগুলো কখনো পরিষ্কার করে বলা হয়না। এগুলো স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া, এগুলোর মধ্যে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, লজ্জা পাওয়ার কোন কারণ নেই, এগুলো ছেলেদের পাশে দাঁড়িয়ে বা মেয়েদের হাত ধরে কেউ কখনো বলে না। বলে না কারণ বাবা-মা বলতে লজ্জা পান, কিংবা নিজেরা ঠিক ভাবে জানেন না। কিন্তু সন্তানকে এগুলো সম্পর্কে না বলে যৌন শিক্ষা না দিয়ে ঠিক কি ধরনের বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছেন, সেটার কোন ধারনা নেই তাদের।

এবার বলি বাংলাদেশে ছেলেরা-মেয়েরা কিভাবে যৌন শিক্ষা লাভ করে। মেয়েদের এ ব্যাপারে মায়েরা কিছুটা আইডিয়া দেন। কিন্তু তাদের পুরো আইডিয়াটাই থাকে এইটা খারাপ, এইটা একটা নিষিদ্ধ জিনিস, তোমার স্বামীর সাথেই শুধু জায়েজ। বিয়ের আগে যৌন সম্পর্কে স্থাপনের রিস্ক কি, কিংবা তার খারাপ সাইড গুলো কোথায়, সেগুলো কখনোই ব্যাখ্যা করা হয়না। ছেলেদের ক্ষেত্রে ফ্যামেলীর কাছ থেকে কোন ধরনের শিক্ষা আসে না। তারা ভেবেই নেয় ছেলে হাওয়ার কারণে নিজেই সব জ্ঞান লাভ করে নেবে। এরপর পুরো জিনিসটা বিস্তার লাভ করে হাইস্কুলে। স্কুলে দেখা যায় ক্লাসের কেউ একটা রগরগে বাংলা চটি গল্প বা অশ্লীল বই নিয়ে আসে ক্লাসে। এরপর পালা করে সবাই সেটা নিয়ে বাসায় বইয়ের মধ্যে লুকিয়ে কিংবা বাথরুমে বসে পড়ে। তারা পরে গোপন প্রেমের কথা, বিকৃত যৌনতার গল্প। তাদের জ্ঞানের শুরুটাই হয় ভুল একটা দর্শন নিয়ে। এরপর যখন মোবাইল ফোন হাতে আসে, তখন একে অপরকে পর্ন ভিডিও শেয়ার করে। বাসায় এসে সেগুলো দেখে আর হস্তমৈথুন করে। সেখান থেকে আরও কিছু ভুল ধারনার জন্ম হয়। তারা যেটা জানে না সেটা হল পর্ন এবং রিয়েলিটির মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। পর্ন এ যারা অভিনয় করে, তারা অভিনেতা। তারা অভিনয় করে। বাস্তবে তার কিছুই ঘটে না। এর মধ্যে আর বিপদ জনক এক ধরনের পর্ন আছে। বাংলাদেশে অনেক দিন ধরেই গোপনে রেকর্ড করা পর্ন ভিডিওর একটা বিশাল জনপ্রিয়তা আছে। অনেক গুলো আছে যেগুলো গোপন, অনেক আছে যেখানে মেয়েটা হয়তো না বুঝেই ভিডিও করতে রাজি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সম্পর্ক বাঁচাতে ছেলের চাপে রাজি হয়েছে। এরকম অনেক ঘটনা আছে। আর এই ধরনের পর্ন সবচেয়ে বেশি বিপদজনক। অনেকেই এই ধরনের পর্ন দেখে নিজেরা ভিডিও করতে উদ্যোগী হয়। অনেকে ক্ষেত্রে নিজের অজান্তেই অন্য কেউ এই ভিডিও গুলো লিক করে দেয়। এরপর যেসব ঝামেলা হবে সেগুলোর কথা না হয় বাদই দিলাম।

এই এতো গুলো সমস্যা, এর শুরু কোথায়? শুরুটা শৈশবে, বয়ঃসন্ধিতে। তখন যদি তারা জানতো যে যৌনতা কি, তাদের শারীরিক পরিবর্তন কেন হচ্ছে, তাহলে অনেক কিছুই এভয়েড করা যেতো। এই দ্বায়িত্ব টা বাবা-মার। যদিও আমাদের দেশের বাবা-মা তো পারলে মাটিতে মিশে যাবে এই নিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করলে। অনেকে পারলে তো বাচ্চাকে ৬ মাস বয়সেই বুকের দুধ খাওয়ানো ছাড়িয়ে দেয়। ২ বছর পর্যন্ত যে খাওয়ানোটা জরুরী, এইটা তারা মানতেই চান না। পাপ হবে বলে বাচ্চাকে বঞ্চিত করেন অনেক পুষ্টিগুন থেকে।

আপনার সন্তানকে যেভাবে যৌন শিক্ষা দেবেন

অশ্লীল বিষয়বস্তু সর্বত্র ছেয়ে রয়েছে। কথাবার্তা, বিজ্ঞাপন, সিনেমা, বই, গানের কথা, টেলিভিশনের অনুষ্ঠান, মেসেজ, গেম, বিলবোর্ড, ফোন ও কম্পিউটারের মধ্যে এত বেশি পরিমাণে যৌন সংক্রান্ত ছবি, ভাষা এবং ইঙ্গিতমূলক তথ্য রয়েছে যে, অনেকে কিশোর-কিশোরী বা তাদের চেয়ে কমবয়সি এবং এমনকী ছোটো ছেলে-মেয়েরাও ভুল শিক্ষা গ্রহণ করছে। তাই উচিত আপনার সন্তানকে বয়স অনুযায়ী শিক্ষা দেওয়া। স্কুলে যাওয়ার মতো বয়স হয়নি এমন সন্তানদের যৌনাঙ্গ গুলোর সঠিক নাম ও সেই সঙ্গে কীভাবে নিজেদেরকে যৌন উৎপীড়কদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, সেই বিষয়টা শেখানো যেতে পারে। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে প্রজনন সম্বন্ধে মৌলিক বিষয় গুলো জানানো যেতে পারে। সন্তানরা যখন বয়ঃসন্ধিকালে পা দেবে, তখন তাদের সঙ্গে যৌনতার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত শারীরিক বিষয় গুলো এবং নৈতিক মানগুলো নিয়ে আলোচনা করা উচিত। যৌন নিপীড়ন কিংবা ধর্ষণ এড়াতে সন্তানকে শিখিয়ে দিন যে আপত্তিকর যে কোনো পরিস্থিতির কথা ভয় পেয়ে লুকিয়ে না রেখে বাবা কিংবা মা-কে জানাতে। এমনকি এটাও জানিয়ে দিতে হবে যে সেই স্পর্শে যে সন্তান যদি কোনো ধরণের ব্যথা নাও পায়, তাও অভিভাবককে জানিয়ে দিতে হবে সাথে সাথেই। সন্তান যখন কৈশোরে পদার্পণ করবে, তখন তার অনেক রকম শারীরিক পরিবর্তন হবে। সন্তানকে একেবারে ছোটোবেলা থেকেই—সততা, বিশ্বস্ততা ও সম্মান সম্বন্ধে শিক্ষা দিন। এরপর, যখন যৌন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে, তখন আপনি সহজেই সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। এ ছাড়া, আপনার মূল্যবোধ সম্বন্ধে স্পষ্টভাবে জানান। উদাহরণ স্বরূপ, বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক করা কেন খারাপ এবং পাপ,সেটা সন্তানকে বলুন। আর সেইসঙ্গে কেন এটা অন্যায় এবং ক্ষতিকর, তা ব্যাখ্যা করুন। এছাড়াও তাদেরকে জানাতে হবে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার ব্যাপারে এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনার ব্যাপারে। অনিয়ন্ত্রিত যৌন জীবনের নেতিবাচক দিক, অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণ,গর্ভবতী এবং গর্ভপাতের বিষয়েও শিক্ষা দিতে হবে সন্তানকে। শিশু নিগ্রহকারীরা এই বয়সের ছেলে মেয়েদের বেছে নেয়। বাচ্চারা আগে থেকে ব্যাপারটা না বুঝলে কেউ নিগ্রহের সম্ভাবনা তৈরি করছে সেই ব্যাপারটা বুঝতেই পারবে না, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে পারবে না। তাই এইসব বিষয়ে যৌন শিক্ষা দিন।

পরিশেষে – ছোট বেলা থেকে বাড়ন্ত বয়স, এমনকি তারুণ্যেও আপনার সন্তান অজ্ঞতার কারণে ভুলে জড়াতে পারে। তাই সন্তানের নিরাপদ এবং সুস্থ জীবনের জন্য জীবনের প্রতিটি ধাপেই সন্তানকে সঠিক যৌন শিক্ষা দিন। এতে না বুঝে কিংবা আবেগের বশবর্তী হয়ে বড় কোনো ভুলে জড়িয়ে পড়বে না আপনার আদরের সন্তান। পাঠ্যপুস্তকে যৌন স্বাস্থ্যের বিষয়টি ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করেছে বাংলাদেশ সরকার৷ আমাদের দেশে যৌন-সম্পর্কিত বিষয় এতবেশী সামাজিক, ধর্মীয় এমনকি পারিবারিক কুসংস্কার ও নিষেধের বেড়াজালে ঘেরা যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কেউ ছেলে মেয়েদের মানসিক, আচরণীয় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এই বিষয়কে আমলে আনেন না। কিন্তু যৌন সংক্রান্ত বিষয়ে যৌবনাগমনের আগেই পারিবারিক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশে আলোচনা এবং পাঠ্যপুস্তকে এ বিষয়ের স্পষ্ট উপস্থিতি শিশু থেকে শুরু করে বয়ঃসন্ধি কালে ছেলে মেয়েদের অযাচিত আচরন থেকে রক্ষা করবে।

215 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

About ইমন

আমি মহা মানব নই, আমি একজন সাধারণ মানুষ। তাই আমার এপিটাফ হবে আমার মতই সাধারণ, কালের গর্ভে এটিও হারিয়ে যাবে, যেমনটা হারায় একজন সাধারণ মানুষ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন