মোবাইল ফোনের অপকারিতা সমূহ জেনে নিন

মোবাইল ফোনের অপকারিতা সমূহ জেনে নিন
4.5 (90%) 8 votes

মোবাইল ফোনের অপকারিতা থাকাটাই স্বাভাবিক কারণ যে জিনিসের উপকার আছে তার অপকারিতাও থাকবে। এখন অনেক যুবক আছে এমন যারা এই ফোনের মাধ্যমে অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। মুহূর্তেই অনেক খবর পেয়ে যাচ্ছে যার দরূন বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ। এছাড়া মানুষ এমন সব খারাপ ভিডিও দেখতে পারে ঘরে বসেই যা আগে পারতো না। সারা পৃথিবীতে অন্তত ছয় বিলিয়ন মোবাইল ফোন তৈরি হয়েছে। পাঁচ বিলিয়ন এখন ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে। মোবাইল ফোনের আরেকটি নাম সেলফোন। সেলফোন বলা হয় এ কারণে, এটি যে ইলেকট্রোমেগনেটিভ রেডিয়েশনকে বের করে, এটি একটি টাওয়ার থেকে আরেকটি টাওয়ারে যায়। মাঝখানে মোবাইল ফোন হয়ে যায়। এ জন্য একে সেল হিসেবে বলা হয়। এর নাম হলো সেলফোন। মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ভবিষ্যতে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ লাগবে না। মোবাইল ফোনের ভেতরে কম্পিউটারে আপনি কাজও করতে পারবেন। মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনেক উপকার রয়েছে যেমন – সহজে মানুষের সাথে যোগাযোগ করা যায়, মূহুর্তেই যেকোন সংবাদ বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌছান যায়। আর বর্তমানে স্মার্টফোনের উপকারিতা অনেক যেমন আমরা ঘরে বসেই অনেক কিছু দেখতে পারি, যেকোন নিউজ বা ভিডিও দেখতে পারি, অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পারি। যেমন উপকার আছে তেমন আছে মোবাইল ফোনের অপকারিতা। তবে মোবাইল ফোন ব্যবহারেরও কিছু সতর্কতামূলক দিক রয়েছে। কোনো কোনো দেশে এখন মোবাইল ফোন বিক্রির সঙ্গে সেটি দিয়ে দেয়। আপনি জানেন, ধূমপান যে খারাপ জিনিস, এর যে অপকারিতা রয়েছে, সেটি সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে লিখে দিতে ২০০ বছর লেগেছে। এই মোবাইল ফোনের অপকারিতা বা ক্ষতিকর দিক রয়েছে। আমি এর ব্যবহারকে বন্ধ করতে বলছি না। তবে এর ব্যবহারটা মাত্রার মধ্যে করতে হবে।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা

মোবাইল ফোনের অপকারিতা সমূহ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

আমরা দিনের লম্বা একটা সময় মোবাইল ব্যবহারের মধ্যে থাকি। আমাদের জানা প্রয়োজন, মোবাইল যখন ব্যবহৃত হচ্ছে না অর্থাৎ ফোন যখন স্ট্যান্ড বাই মোডে আছে তখনও বেতার তরঙ্গ প্রবাহ অব্যাহত থাকে। এই বেতার তরঙ্গ হয় দুই প্রকারের। ১) আয়োনাইজিং এবং ২) নন-আয়োনাইজিং। নন আয়োনাইজিং অর্থাৎ আয়োনিত নয় এমন তরঙ্গ দুয়ের মধ্যে অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী। মোবাইল ফোন থেকে এই তরঙ্গ নির্গমন হয়। এর অর্থ হলো, আমাদের মস্তিষ্কে এ তরঙ্গ প্রবাহিত হতে থাকে অবিরত। সাধারণত মোবাইল ফোন ব্যবহারে ক্লান্তি বা অবসাদ, মাথাব্যথা, নিদ্রাহীনতা, স্মরণশক্তি হ্রাস, কানে শোঁ শোঁ বা ভোঁ ভোঁ করা, জয়েন্ট ব্যথা অর্থাৎ কাঁধ, কনুই সর্বোপরি কানেরও যথেষ্ট ক্ষতি করে। মোবাইল ফোন শুধু বিমানে নিষিদ্ধ নয়, হাসপাতালের যেসব জায়গায় ইলেকট্রো মেডিকেল যন্ত্র ব্যবহৃত হয় সেসব জায়গায় অর্থাৎ অপারেশন থিয়েটার আইসিইউ, সিসিইউ এমনকি যে রোগীর শরীরে পেসমেকারের মতো ডিভাইস বসানো আছে, সেখানেও নিষিদ্ধ। যানবাহন চলমান অবস্থায়, চালকের জন্য মোবাইল ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। আন্তর্জাতিক গবেষণার ফল, গাড়ির দুর্ঘটনা বর্তমানে চার গুণ বেশি হয়েছে শুধু চালকের চলমান অবস্থায় মোবাইল ব্যবহারের কারণে। কয়েকটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর প্রভাব এবং কিভাবে তা আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে –

মোবাইল ফোনের অপকারিতা (১) –  ছোট খাটো যে কোন ধরনের শব্দে কি আপনার মনে হয় যে ফোন ভাইব্রেট করছে? এবং আপনি কয়েক মিনিট পরপরই ফোন খুলে দেখে থাকেন। এমন যদি হয় তাহলে আপনি ‘রিংজাইটি’ তে ভুগছেন।সেলফোনে আসক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই টার্মটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা ফোন পাশে রেখে ঘুমান, আগে সেটা বন্ধ করতে হবে।  ফোন থেকে নীল রঙের যে আলো নির্গত হয় তা মস্তিষ্ককে জাগিয়ে রাখে বলে ঘুম নষ্ট হয়। যদিও কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা ট্যাব থেকেও এ ধরনের আলো নির্গত হয় কিন্তু ঘুমানোর আগে আপনার ছোট স্মার্টফোনটির ব্যবহারে ক্ষতি বেশি হয়। মোবাইল থেকে নির্গত রেডিয়েশনে ক্যানসার বা এ জাতীয় কোনো সমস্যা সৃষ্টির বিষয়ে গবেষকেরা নির্দিষ্ট উপসংহারে পৌঁছাননি। তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ফোনের এই রেডিয়েশনের কারণে ঘুম চক্র নষ্ট হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফোন ও মস্তিষ্কের মধ্যে অল্প তফাৎ থাকলে তা ঘুমের পরিমাণ ও ঘুমের মান দু’য়ের ওপরেই প্রভাব ফেলে৷ ফোন কাছে নিয়ে শুলে তা আমাদের স্নায়ুকে উত্তেজিত রাখে৷ অবচেতনে আমরা পরের ফোন অথবা ম্যাসেজের জন্য অপেক্ষা করে থাকি, যা আমাদের বেশিক্ষণ চোখ বন্ধ করে রাখতে দেয় না৷ রাতের অন্ধকারে ফোনের স্ক্রিনের আলো মানুষের চোখের রেটিনার পক্ষে ক্ষতিকারক৷ এই আলোই আমাদের মস্তিষ্ককে জানান দেয় ফোন অথবা ম্যাসেজ আসার প্রাথমিক খবর৷ এই আলো তন্দ্রার জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনকে নিঃসরণ হতে বাধা দেয়৷

মোবাইল ফোনের অপকারিতা (২) – গবেষকরা দেখেছেন, বেশির ভাগ মানুষই প্রয়োজন না থাকলেও তাদের মোবাইলের মেনু স্ক্রিন, ইমেইল বা এপ্লিকেশন চেক করার জন্য বার বার ফোন চেক করে। যদিও নতুন কোন ইমেইল, এস এম এস কিংবা নোটিফিকেশন আসার সম্ভাবনা হয়তো থাকে না বললেই চলে। এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা সারাক্ষণ তাদের ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, তারা যে কোন জরুরী পরিস্থিতিতে অন্যদের তুলনায় ২৩% দেরিতে সক্রিয় হন। যে কারণে বিশ্বের বহু দেশে গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইল ফোনে কথা বলা আইনত নিষিদ্ধ। বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, মোবাইল ফোন আমাদের কোন কাজের প্রতি একাগ্রতা নষ্ট করে দেয়। এর ফলে যে কোন কাজ করতে আমাদের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগে।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা (৩) – আপনার মোবাইল ফোনের কারণেও কিন্তু আপনি অসুস্থ হতে পারেন! কিভাবে? আপনি সারাক্ষণই আপনার প্রিয় ফোনটি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এতে ধূলোবালি তো জমা হয়ই, সাথে থাকে অনেক রোগ জীবাণুও। খাবার সময় হলে আপনি হয়তো খুব ভালভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে আসলেন। খাবার খাওয়ার ঠিক আগ মূহুর্তে আপনার ফোন বেজে উঠলো কিংবা একটা মেসেজ এলো, আপনি সেটার রিপ্লাই দিয়ে এসে খেতে বসে গেলেন। আর এরই সাথে মোবাইল ফোন থেকে প্রায় ২০ থেকে ৩০ ভাগ ব্যাক্টেরিয়া ও ভাইরাস খাবারের সাথে আপনার দেহে প্রবেশ করলো। আপনি হয়ত সাথে সাথে অসুস্থ হবেন না, কিন্তু পরবর্তীতে যেকোন অসুস্থতার জন্য এই বিষয় গুলোই দায়ী থাকবে।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা (৪) – যারা চোখের খুব কাছাকাছি দূরত্বে রেখে ফোন ব্যবহার করেন তারা ধীরে ধীরে মাথাব্যথা, চোখ ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা-এরকম নানা রকম সমস্যায় আক্রান্ত হন। এজন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো ফোনের বিভিন্ন লেখার ফন্ট সাইজ বাড়িয়ে দেয়া, চোখ থেকে ন্যুনতম ১৬ ইঞ্চি দূরত্বে ফোন ব্যবহার করা। আর যদি বেশ দীর্ঘ কোন লেখা ফোনে পড়তে হয়, তবে কিছুক্ষণ পর পর ২০ সেকেন্ডের জন্য চোখকে বিশ্রাম দিন।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা (৫) – গবেষণায় জানা গিয়েছে, মোবাইল ফোন থেকে সৃষ্ট তেজস্ক্রিয়তা মানুষের হার্টের স্বাভাবিক কর্মকান্ডকে ব্যহত করে। এর ফলে রক্তের লোহিত রক্তকণিকাতে থাকা হিমোগ্লোবিন আলাদা হয়ে যেতে থাকে। এছাড়া হিমোগ্লোবিন রক্তের লোহিত কণিকার মাঝে তৈরি না হয়ে দেহের অন্যত্র তৈরি হতে থাকে, যেটি বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যা তৈরি করে। যে কারণে বুক পকেটে ফোন রাখা একদমই অনুচিত। এছাড়া যারা হার্টে পেসমেকার বসিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও মোবাইল ফোন ব্যবহারে যথেষ্ঠ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা (৬) – এখনকার সময়ে ছেলেদের প্রায় সবাই নিজেদের প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন রাখে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যেসব পুরুষ বা ছেলে খুব বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তাদের শুক্রাণু খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া শুক্রাণুর ঘনত্ব হ্রাস পেতে থাকে। আমরা যখন ফোনে কথা বলার পর ফোন পকেটে রেখে দিই, তখন এটি কিছুটা উত্তপ্ত অবস্থায় থাকে। এর ফলে অন্ডকোষের চারপাশে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। অথচ শুক্রাণু দেহের ভেতরে মাত্র ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সক্রিয় থাকে। তাই অতিরিক্ত তাপমাত্রা শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকর। আবার আমাদের শরীর থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে উপকারী তড়িৎ চৌম্বকীয় তরংগ বের হয়, কিন্তু মোবাইল ফোনের উচ্চ মাত্রার তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ আমাদের দেহের তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের নিঃসরণকে বাধাগ্রস্ত করে। যার ফলে অস্বাভাবিক আকৃতির শুক্রাণু তৈরি হয়।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা (৭) – যারা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোনে কথা বলেন তাদের কানের বিভিন্ন সমস্যা যেমন – কানে কম শোনার ঝুঁকি অনেক বেশি। বর্তমানে যাদের বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছর, তাদের মাঝে শ্রবণশক্তি হ্রাসের হার উদ্বেগ জনক ভাবে বেড়ে চলেছে। চিকিৎসকদের মতে, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যপক ব্যবহার এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। যারা দৈনিক ২-৩ ঘন্টার চেয়ে বেশি ফোনে ব্যস্ত থাকেন তারা ৩ থেকে ৫ বছরের মাথায় আংশিক ভাবে বধির হয়ে যান। তাই এটি রোধ করতে আপনার ফোনের রিংটোন যতটুকু সম্ভব কমিয়ে রাখুন ও ফোনে খুব বেশি গান শোনা থেকে বিরত থাকুন।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা (৮) – মোবাইল ফোন থেকে সৃষ্ট তেজষ্ক্রিয় রশ্মি আমাদের মস্তিষ্কের কোষ গুলোকে ধীরে ধীরে মেরে ফেলতে পারে। মোবাইল ফোন থেকে সৃষ্ট বেতার তরঙ্গ আমাদের মস্তিষ্কের কোষ গুলোকে উত্তপ্ত করে তোলে। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই তরঙ্গকে কারসিনোজেনিক বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বলে ঘোষণা দিয়েছে। অর্থাৎ মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার মস্তিষ্কের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
এছাড়া গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যেসব নারীরা তাদের গর্ভাবস্থায় খুব বেশি মাত্রায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তাদের গর্ভস্থ ভ্রূণের মস্তিষ্কের বিকাশ ব্যহত হয়। এছাড়া পরবর্তীতে এই শিশুদের মাঝে আচরণগত অনেক সমস্যাও দেখা দেয়। তাই গর্ভাবস্থায় মায়েদের উচিত মোবাইল ফোন যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা (৯) – আমরা ফোন ব্যবহার করি যাতে সব সময় অন্যদের সাথে যোগাযোগ রাখা যায়। কিন্তু এটি একই সাথে আমাদের মানসিক প্রশান্তিও কেড়ে নেয়। কিভাবে? আমরা সব সময় আশা করতে থাকি এই বুঝি ফোনটি বেজে উঠবে কিংবা কেউ হয়তো মেসেজ দিবে। সচেতন ভাবে না হলেও আমাদের অবচেতন মন আমাদের সব মনোযোগ এই ক্ষুদ্র ফোনটির কাছে কেন্দ্রীভূত করে। এ ধরণের চিন্তার কারণে এক ধরণের মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। প্রতিদিন এক ঘন্টার জন্য ফোনটি সুইচ অফ করে রাখুন। এটি আপনাকে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দিবে। এছাড়া মোবাইল ফোন থেকে নিঃসরিত তেজস্ক্রিয় রশ্মি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে আমাদের ডি এন এ-কে। কোন কারণে মস্তিষ্কের কোষের ডি এন এ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা স্নায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন শারীরিক কাজের ক্ষতিসাধন করে। মোবাইল ফোনের তেজস্ক্রিয়তা মস্তিষ্কে মেলাটনিনের পরিমাণ হ্রাস করে, যার ফলে বিভিন্ন স্নায়বিক সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া এটি এখন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, মোবাইল ফোন থেকে নিঃসরিত তড়িত-চৌম্বকীয় তরঙ্গের কারণে অনিদ্রা, আলঝেইমার ও পারকিনসন’স ডিজিজের মত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনকে একেবারে জীবন থেকে সরিয়ে দেয়া সম্ভব নয়। কিন্তু একটু সচেতন হলেই আমরা মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে তৈরি হওয়া স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে নিজেদের বাঁচাতে পারি। সুস্থ, সবল ও দীর্ঘ জীবন যাপনের স্বার্থে মোবাইল ফোনের পরিমিত ব্যবহার করার পক্ষে মত বিশেষজ্ঞদের।

177 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

About অনন্যা মিতু

রক্তের সর্ম্পক ছাড়া যদি আর কোনো ঘনিষ্ট কোনো সর্ম্পক থাকে সেটা হলো বন্ধুত্ব।ভাগ্য তোমার আত্মীয় বেছে দেয় আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন