মেয়েরা কি দেখে ছেলেদের প্রেমে পরে

মেয়েরা কি দেখে ছেলেদের প্রেমে পরে
5 (100%) 2 votes

মেয়েরা আসলে কি চায় ছেলেদের পক্ষে বোঝা সত্যই কষ্টকর। তবে ছেলেদের মধ্যে কিছু গুণ প্রায় সব মেয়েরা খুঁজে যা একটি ছেলের মধ্যে থাকলে মেয়েরা তাকে ভালো না বেসে পারে না। প্রেম নাকি চিন্তাভাবনা করে হয় না, হঠাত্‍ করে হয় – কথাটা কি পুরোপুরি সত্যি? বোধহয় না! ভেবে দেখুন তো, দুম করে যখন কাউকে ভালো লেগে যায়, তখন তো তার বিশেষ কোনো বিষয় দেখেই ভালো লাগার ব্যাপারটা ঘটে, তাই না? এক্ষেত্রে আমরা ভেবে নিতে পারি, আমাদের মনে কাঙ্খিত মানুষের পছন্দ-অপছন্দের বিষয় গুলো আগে থেকেই অবদমিত থাকে। তাই কারো মাঝে পছন্দের কোনো বিষয় দেখতে পেলেই তাকে ভালো লেগে যায়। এটাকে চিন্তাভাবনা করা বলেন অথবা হিসেব কষা বলেন, তাহলে এই কাজটি ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা বেশি করে থাকে। একটি মেয়ে যখন ধীরে ধীরে বড় হয়, তার মনে কাঙ্খিত পুরুষের একটি ছবি আঁকা হতে থাকে। মেয়েরা সাধারণত আইডল বা আদর্শের মাপকাঠি হিসেবে বেছে নেয় বাবা অথবা বড়ভাইকে। অন্যদিকে পুরুষরা প্রথম দর্শনে বিশ্বাস করে। আর তার চেয়েও বড় কথা পুরুষদের মাথায় মনে তার স্বপ্নের নারী হওয়ার কিছু বিশেষন আগে থেকেই ঠিক করে রাখে। আসলে ছেলেরা সবসময় তাৎক্ষণিক বিষয়ে ভাবে দীর্ঘ মেয়াদী ভাবনা তাদের আসেই না, তাই তাদের মধ্যে জটিলতাও অনেক কম। তবে মেয়েদের চাওয়া শুধুমাত্র সুন্দর ছেলে নয়। আরও কিছু বৈশিষ্ট তারা হবু বয়ফ্রেন্ডের মধ্যে খোঁজে প্রথম প্রেম করার সময়। সেই বৈশিষ্ট ও গুনাবলীগুলি কি কি আসুন একঝলকে দেখে নেওয়া যাক।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মেয়েরা

ধনী ও সুপ্রতিষ্ঠিত  – ধনী ছেলেরা সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করে মেয়েদের। কারণ মেয়েরা আর্থিক নিরাপত্তাকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এছাড়া বিলাসী জীবন যাপনের নিশ্চয়তা তো রয়েছেই! তাই ধনী পুরুষরা মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকেন প্রথম দিকে। ধনী ছেলেদের চেহারা বা ব্যক্তিত্বও তখন গৌণ বিষয় হয়ে যায়। ঠিক একই কারণে সুপ্রতিষ্ঠিত ছেলেদের প্রতিও মেয়েদের দুর্বলতা থাকে। তবে এখানে আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রাধান্য পায় সামাজিক মর্যাদা। বিশেষ করে যেসব মেয়েরা সামাজিক মর্যাদা সম্পন্ন পরিবারে বেড়ে ওঠে, তারা সুপ্রতিষ্ঠিত ছেলেদের প্রতি ঝোঁকে বেশি।

শারীরিক গঠন – কথায় বলে “প্রথমে দর্শনধারী- তারপর গুন বিচারি।” মেয়েদের চোখেও প্রথম ইম্প্রেশনটা পরে দর্শন থেকেই। কেউ রোগা ছেলেদের পছন্দ করেন, কেউ স্বাস্থ্যবতী ছেলেদের। কারও আবার কোন বিশেষ অঙ্গের প্রতি দুর্বলতা থাকে। তবে শুধু পুরুষরা কেন মেয়েরা ও প্রথম দর্শনে পুরুষ শরীরের অবকাঠামোই খেয়াল করে।

স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণোচ্ছ্বল – মেয়েরা ছেলেদের মাঝে দুষ্টু মিষ্টি এক সঙ্গীকে খোঁজে। যার সঙ্গে কোনো কিছু চিন্তা ভাবনা না করেই কথা বলা যাবে, একসঙ্গে পাগলামি করা যাবে আবার গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাও করা যাবে। স্পষ্ট কথায় যার মধ্যে মেকি বিষয়টা কম থাকবে, স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণোচ্ছল স্বভাবের হবে।

স্বাধীনচেতা – মেয়েরা সবসময় এমন ছেলে পছন্দ করে যে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে না, স্বাধীনচেতা মনের হবে। নিজের জন্য সময় দেবে, গার্লফ্রেন্ডের ভাললাগার জিনিস গুলির পাশাপাশি নিজের ইচ্ছা বা ভালবাসার বিষয়ও সমান গুরুত্ব ও সময় দেবে। কোনও কিছু নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করবে না।

আত্মবিশ্বাসী – যে সব ছেলেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাবে তাদের কিন্তু আদতে মেয়েরা পছন্দ করে না। যে ছেলেদের লক্ষ্য স্থির এবং বারবার তাকে মনে করিয়ে দিতে হয় না যে তার আরও কত কি করার আছে, সেই ধরনের ছেলেরা কিন্তু মেয়েদের পছন্দের তালিকায় সবসময় থাকেন।

জনপ্রিয় – জনপ্রিয় ছেলেদের প্রতি মেয়েদের আলাদা রকম আকর্ষণ থাকে। জনপ্রিয় বলতে যে শুধু গতানুগতিক মিডিয়া স্টার তা নয়, বরং অফিস বা বন্ধুদের মাঝে জনপ্রিয় অথবা বিশেষ কোনো কাজে সুপরিচিত ছেলেরাও এ তালিকার অন্তর্ভুক্ত। কেন মেয়েরা এ ধরনের ছেলেদের পছন্দ করে? এর কারণ মূলত নিজেও জনপ্রিয় হতে চাওয়ার আকাঙ্খা। নিজে জনপ্রিয় হতে না পারলেও সকলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, এমন ছেলেকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়ার প্রবণতা এটাই প্রমাণ করে। বর্তমান সময়ে ফেসবুকের কথিত সেলিব্রিটি বা জনপ্রিয় ব্লগাররাও মেয়েদের পছন্দের তালিকায় চলে এসেছেন!

মনের জোর বাড়াতে পারা – মেয়েরা চায় এমন কোনও পুরুষকে যারা পাশে থেকে মনের জোর বাড়াতে পারে। মেয়েদের মনের জোর অনেক। কিন্তু সেই মনের জোর আরও বাড়ানোর জন্য পাশে কাউকে পেলে সে অনেক বড় কিছু করতে পারে। মেয়েরা চায় সব পরিস্থিতিতে এমন কোনও পুরুষ থাকুক যারা তাদের মনের জোর বাড়াবে।

লেখক, কবি, শিল্পী হন – মেয়েরা সৃজনশীল বা ক্রিয়েটিভ মানুষদের বেশি পছন্দ করে। যে কারণে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের চেয়ে লেখক, কবি, চিত্রকর বা পরিচালক-অভিনেতাদের প্রেমিকার সংখ্যা সাধারণত বেশি হয়। আসলে মেয়েদের একটা আলাদা জগত্ থাকে, সেই জগত্টা সৃজনশীলতার, নতুন কিছু করার। তাই সৃষ্টিশীল মানুষদের সঙ্গে মিশলে মেয়েরা বাড়তি অক্সিজেন পায়, প্রেমেও পড়ে।

চাপিয়ে দেওয়া নয় – একজন মেয়ে চায় সে তার মত থাকবে। অবশ্য নিয়ম শৃঙ্খলা মানবে, কিন্তু কোনও কিছু চাপিয়ে দেওয়া নয়। যার সঙ্গে কথা বলতে ভাললাগে, তার সঙ্গে কথা বলবে, মিশবে। যা খেতে-পরতে ভাললাগে তাই করবে। তুমি এটা করো না, ওটা করো না, এর সঙ্গে কথা বলো না। এসব কথা শুনতে মেয়েরা ভালবাসে না।

ভাল শ্রোতা, স্পষ্ট বক্তা – মেয়েরা বলতে খুব ভালবাসে। সমীক্ষা বলছে, ছেলেদের থেকে মেয়েরা সাধারণত ভাল বক্তা হয়। মেয়েরা চায় একজন ভাল শ্রোতা। তবে সবসময় হ্যাঁ তে হ্যাঁ, না তে না বলা নয়। মেয়েরা চায় তার পুরুষ সঙ্গিটি যেন ভাল শ্রোতা হয়ে কথার রসদ জোগান। ভাল শ্রোতার পাশাপাশি স্পষ্ট বক্তা ছেলেদের, মেয়েরা বেশি পছন্দ করে। পেটে এক আর মুখে আরেক সেরকম পুরুষ মেয়েদের পছন্দ নয়।

কৌতূকবোধ – মেয়েরা চায় সেন্স অফ হিউমার বা কৌতূকবোধ থাকা ছেলেদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে। গুরুগম্ভীর নয় মুখে সবসময় হাসি থাকা মানুষই মেয়েদের কাছের লোক হয়। কোনও মেয়ে কোনও ছেলেকে ভালবাসলে তার প্রাথমিক শর্ত ছেলেটার মুখের হাসিটা। আর তার হাসানোর ক্ষমতাটা। বুদ্ধিদীপ্ত কিছু হাসির কথা, কিংবা সঠিক সময়ে মজার কিছু কথা বলে ফেলা পুরুষদের মেয়েরা নিজের অজান্তেই পছন্দ করে ফলে। তারপর সেই পছন্দটা ভালো লাগায় পরিণত হতে পারে।

স্টাইলিশ – রুচিশীলতার ব্যাপারটিতে মেয়েরা অনেক বেশি স্পর্শকাতর হয়ে থাকে। তাই স্টাইল ও ফ্যাশনে রুচির পরিচয় দিতে পারে, এমন ছেলেদেরই মেয়েরা পছন্দ করে। চেহারা যেমনই হোক না কেন, স্টাইলিশ ও ফ্যাশনেবল ছেলেদের প্রতি মেয়েরা সহজেই দুর্বল হয়ে পড়ে। হালের ফ্যাশন সম্পর্কে সচেতন এবং স্টাইলে রুচিবোধ রয়েছে এমন ছেলেরা মেয়েদের পছন্দের তালিকায় আগে থাকে।

উচ্চতা এবং চুল – খাটো ছেলেদের মেয়েরা যেমন পছন্দ করে না, তেমনি টাকমাথাও তাদের পছন্দ নয়! সমান উচ্চতা বা নিজের চেয়ে কম উচ্চতার ছেলেদের মেয়েরা এক প্রকার এড়িয়েই চলে। এ কথা টাকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মাথাভর্তি চুল এবং লম্বা ছেলেরা মেয়েদের মন সহজেই হরণ করে নেয়। তাই মেয়েরা এমন ছেলেদেরই সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়, যে তার চেয়ে লম্বা এবং মাথায় টাকের আভাস মাত্র নেই!

যত্নশীল ও দায়িত্ববান – বেশির ভাগ মেয়েরাই আইডল বা আদর্শ পুরুষ থাকে তার বাবা। কারণ ছোটবেলা থেকেই যত্নশীলতা ও দায়িত্ববোধ দেখে বড় হয়। তাই মেয়েরা স্বভাবতই যত্নশীল ও দায়িত্ববান ছেলেদের পছন্দ করে। যে ছেলে তাকে বাবার মতো আগলে রাখতে পারবে, যত্ন করবে এবং সকল প্রকার দায় দায়িত্ব নেবে – এমন ছেলেদেরই মেয়েদের পছন্দ করে বেশি, এসব গুণই মেয়েরা খুঁজে বেড়ায় ছেলেদের মাঝে।

নিরাপত্তা – মেয়েরা সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টির কথা ভাবে, তা হলো নিরাপত্তা। যেসব ছেলেরা দিতে পারে নিরাপত্তার অনুভব, সেসব ছেলেদের প্রতি মেয়েদের আকর্ষণ থাকে সবচেয়ে বেশি। এ কারণেই মেয়েরা সাহসী ছেলেদের প্রতি একটু দুর্বল থাকে বেশি। আবার যেসব ছেলেরা পুরুষালী আচরণ করে, তাদের প্রতি ঠিক একই কারণে মেয়েদের ঝোঁক থাকে। নরম স্বভাবের এবং ভদ্র ছেলেরা সামাজিক ভাবে এগিয়ে থাকলেও প্রচলিত ‘দুষ্টু’ ছেলেরা মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকে এগিয়ে।

এক নারীতে সন্তুষ্ট – কোনো মেয়েই চায় না তার সঙ্গীকে অন্য কারো সাথে ভাগ করে নিতে। একারণে এক নারীতে সন্তুষ্ট থাকে এমন ছেলেদের পছন্দ করে মেয়েরা। অনেক মেয়ে বন্ধু রয়েছে বা মেয়েদের মাঝে জনপ্রিয়, এমন ছেলেদের মেয়েরা একটু এড়িয়েই চলে! আবার পূর্বে দুইয়ের অধিক প্রেম ছিল, এমন ছেলেদেরও মেয়েরা কম পছন্দ করে। মোটকথা, যেসব ছেলেরা বিশ্বস্ত থাকে, তাদের প্রতিই মেয়েরা হয় দুর্বল।

মেয়েরা গোপনে যে ধরনের ছেলেদের প্রেমে পরে

মনের গভীরে কোনো একজন বিশেষ ব্যক্তির জন্য আমাদের আলাদা জায়গা থাকে। ছেলেরা এই কথা প্রকাশ করলেও মেয়েদের ভালো লাগার কথা গোপনই থেকে যায়। মেয়েরা এসব ভালো লাগার মানুষের কাছে তেমন কোনো আশা করে না, কিন্তু তাদের উপস্থিতিতে তারা বেশ আনন্দ অনুভব করে। এদের কথা তারা অবশ্য কারো কাছে বলতে চায় না, এমনকি এটাও চায় না যে যাকে সে পছন্দ করে সেও তার মনের কথা জানুক। এটা এক রকম গোপন ভালোবাসা বলা যায়!

অপরিচিত মানুষ – মেয়েটি যখনই বাইরে যায় তখনই ছেলেটিকে দেখে। বাসার সামনের রাস্তায়, সুপারশপে, এমনকি মায়ের সঙ্গে শপিংয়ে যাওয়ার পথেও তার সঙ্গে দেখা। এই অপরিচিত মানুষটির জন্যই সে একেক দিন একেক পোশাক পরে বের হয়, ঘরের বাইরে যাওয়ার আগে চুলটা ঠিক করে নেয়। অথচ এই মানুষটির সঙ্গে তার কোনোদিনও হয়তো কথা হবে না। তবুও এই অপরিচিত মানুষটির প্রতি তার মনে অন্যরকম ভালো লাগা তৈরি হয়, যা চিরদিন গোপনই থাকে।

অফিসের বস – অফিসের বস যদি সে দেখতে সুন্দর, সবসময় হাস্যোজ্জ্বল ও স্মার্ট হয় তাহলে তো আর কথাই নেই। এমন মানুষের প্রেমে না পড়ে থাকা যায়? বসের জন্যই মেয়েটি অফিসের কাজে বেশ মনোযোগী থাকে, যাতে সে তার কাছ থেকে প্রশংসা পায়। সবসময় তার নজরে থাকার জন্যই সে এমন আচরণ করে। হয়তো এই গোপন প্রেমের কথা বসের কান পর্যন্ত কখনো পৌঁছাবেই না। তবুও মেয়েটি গোপনে তাকে ভালোবেসে যায়। এই অনুভূতিতে সে অন্যরকম আনন্দ অনুভব করে।

বড় ভাইয়ের বন্ধু – বড় ভাইয়ের বন্ধুর প্রেমে অনেক মেয়েই পড়ে। সুন্দর কথা, চেহারা আর বন্ধুসুলভ আচরণের কারণে মেয়েরা তাদের প্রেমে হাবুডুবু খায়। কখন ভাইয়ের সঙ্গে সে বাসায় আসবে, কখন পাড়ার মোড়ে আড্ডা দেওয়ার সময় তার সঙ্গে দেখা হবে, এমন ভাবনাতেই অনেক মেয়ে বিভোর থাকে। এই ভাবনা ও অপেক্ষা তখন বেশ মধুর মনে হয়। কিন্তু অনেকেই আবার এই গোপন ভালোবাসার কারণে ঝামেলাতেও পড়ে। গোপন ভালোবাসা প্রকাশ্যে এলে বন্ধুদের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।

শিক্ষক – বাসার বাইরে আমরা স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশি সময় কাটাই। যেখানে শিক্ষকরাই আমাদের বড় বন্ধু হয়ে যায়। কোনো বিশেষ শিক্ষকের ক্লাস নেওয়া বা তার পড়ানোর ধরন, কথা বলার ভঙ্গি মেয়েদের দুর্বল করে ফেলে। মেয়েরা সহজেই এসব শিক্ষকের প্রেমে পড়ে। হয় তো দু-একজন বন্ধু ছাড়া এই প্রেমের কথা আর কেউই জানে না। মজার বিষয়, অনেক বছর পার হয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ কোনো পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর সেই শিক্ষকের কথা মেয়েরা জিজ্ঞেস করে। তখন তার কথা শুনে আনন্দিত হওয়া মাত্রই বলে দেয় যে, সেই সময়কার ভালো লাগাটা কতটা সুখকর ছিল।

বান্ধবীর প্রেমিক – বন্ধুরা যখন একসঙ্গে হয় তখন একজন আরেক জনের প্রেমিককে নিয়ে নানা কথাই বলে। বিশেষ করে ভালো গুণগুলো বেশি প্রকাশ করে। আর এই ভালো ভালো কথা শুনে মেয়েটি তার বান্ধবীর প্রেমিকেরই প্রেমে পড়ে যায়! কিন্তু ভুলেও এ কথা সে তার বান্ধবীকে বলে না। আবার অনেক সময় হিংসার কারণে সে তার বান্ধবীর সম্পর্কও নষ্ট করতে চায়।

দূর সম্পর্কের ভাই – দূর সম্পর্কের মামাতো ভাই, খালাতো ভাই বা চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে খুব একটা দেখা হয় না। পরিবারের কোনো অনুষ্ঠানেই তাদের সঙ্গে দেখা হয়। অনেক দিন পরপর দেখা হওয়ার কারণে তাকে নতুন মনে হয়। নতুন ভাবে তাকে চেনার ইচ্ছে জাগে। কিন্তু পরিবারের ভয়ে এই কথা সে কাউকে বলতে পারে না।

যাত্রা পথের সঙ্গী – বাস, ট্রেন অথবা প্লেনে কোথাও যাওয়ার সময় মেয়েটির পাশে হয়তো কোনো স্মার্ট ছেলে বসল। যাকে দেখার সঙ্গে সঙ্গেই মেয়েটি একটু নড়েচড়ে বসলো। হয় তো যাত্রাপথে তার সঙ্গে মেয়েটির দু-একটা কথাও হয়। কিন্তু যাত্রা শেষে এই ভালো লাগার রেশ বহুদিন থেকে যায়।

461 total views, 5 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন