মেয়েদের ছবি যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ইন্টারনেটে

মেয়েদের ছবি যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ইন্টারনেটে
5 (100%) 2 votes

মেয়েদের ছবি আজ ইন্টারনেটে যত্রতত্র। মেয়েদের ছবি কখনো ঘনিষ্ঠজনের মাধ্যমে আবার কখনো সম্পূর্ণ অপরিচিতজনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক সময় একজনের ছবিতে অন্যের আপত্তিকর ছবি জুড়ে দেওয়া, সফটওয়্যারের মাধ্যমে। এমনকি অশ্লীল ছবির ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। বিনা অনুমতিতে মেয়েদের ছবি দিয়ে ফেসবুক পেজ খোলা হচ্ছে। ব্যক্তিগত আক্রমণ, আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা, উত্ত্যক্ত করাসহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধের শিকার হচ্ছে অনেক নারী। কিছু ওয়েবসাই​টে ফটোশপের মাধ্যমে মেয়েদের ছবি বিকৃত করে প্রচার করা হচ্ছে। একদল প্রশিক্ষিত অপরাধী ক্রমাগতভাবে এ কাজ করছে। একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনু​যা​য়ী বিশ্বের প্রায় ৭৩ শতাংশ নারী অনলাইনে হয়রানির শিকার হচ্ছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মেয়েদের ছবি

কিভাবে মেয়েদের ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ছে

সাইবার ক্রাইম বাড়ছে আর এর শিকার হচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। মাঝেমাঝেই মেয়েদের ছবি, বিকৃত ছবি ও সেক্স ভিডিও উদ্ধার করার খবর পাওয়া যায় পত্রিকায়। সাইবার ক্রাইমের শিকার তরুণ-তরুণী ও গৃহবধূরা লোকলজ্জার ভয়ে এখন ঘরে অন্তরীণ। বন্ধ হয়ে গেছে অনেকের লেখাপড়া। কেউ কেউ লোকলজ্জার ভয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। আসুন এবার দেখে নেই কিভাবে মেয়েদের ছবি ছড়িয়ে পড়ছে।

▪বিভিন্ন শহর ও শহরতলীতে ব্যাঙের ছাতার মতো সাইবার ক্যাফে গড়ে উঠেছে। সামান্য পুঁজিতে এ ব্যবসা করা যায় বলে এর প্রসারতা দিন দিন বাড়ছে। ছোট্ট একটি ঘর, একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ আর একটি ইন্টারনেটের লাইন থাকলেই এ ব্যবসা শুরু করা যায়। ফলে দিন দিন বেকার সমস্যার সমাধানে যুবকরা এই ব্যবসার প্রতি বেশি ঝুঁকছে। মোবাইলে গান ও রিংটোন লোড, সফটওয়্যার ডাউনলোড, বিকাশ, মোবাইল ফোনে ফ্লেক্সি লোডসহ নানা রকম ব্যবসা হচ্ছে এসব সাইবার ক্যাফেতে। এছাড়া কম্পিউটারে ছবি প্রিন্ট, কম্পিউটার ব্রাউজিংসহ হরেক রকমের কর্মকান্ড হচ্ছে এসব ছোট্ট দোকানগুলোতে। প্রয়োজনে মানুষ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের কাঙিক্ষত সেবা গ্রহণ করছে। কিন্তু সেই সেবা দিতে গিয়ে নানা রকম অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে কোন কোন সাইবার ক্যাফের মালিক বা ব্যবসায়ী। তারা বিশেষ করে সুন্দরী মেয়েদের ছবি  ফটোশপের মাধ্যমে বিকৃত করে যৌন উত্তেজক কোন ছবির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে বাজারে বিশেষ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে টুইটার, ফেইসবুক ও ইউটিউবে ছেড়ে দিচ্ছে। ফলে ভুক্তভোগীরা সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছে। অনেকে আবার এসব কর্মকান্ডের মাধ্যমে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ব্লাক মেইল করে নানা অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়াতে বাধ্য করছে। কেউ কেউ ওই প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে হচ্ছেন সর্বস্বান্ত।

▪ইন্টারনেট আমাদের জীবনকে করে তুলেছে অনেক স্বাচ্ছন্দ্যময় ও গতিশীল। কিন্তু ইন্টারনেটের সবকিছুই কি আমাদের জন্য মঙ্গলজনক? সম্ভবত নয়। ইন্টারনেটের খোলা জানালা দিয়ে অনেক ভালো জিনিসের সাথে সাথে চলে আসছে অনেক ক্ষতিকর জিনিসও। আমরা বলি ইন্টারনেট হলও এমন একটি প্লাটফর্ম যা পৃথিবীর সব মানুষকে এক কাতারে নিয়ে এসেছে। এখন সবাই সবার সাথে একই প্লাটফর্মে কথা বলতে পারছে, নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারছে। ইন্টারনেট দূর করে দিয়েছে ছেলে মেয়ের ভেদাভেদও। কিন্তু সত্যিই কি লিঙ্গ বৈষম্য দূর হয়েছে ? অনেকে বলেন, ইন্টারনেট বা ডিজিটাল ডিভাইস গুলো হয়ে উঠেছে নারীর প্রতি অবমাননার এক নতুন হাতিয়ার। মোবাইল ক্যামেরায় তোলা কোন ব্যক্তিগত ছবি নিমিষেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে হাজারো মানুষের কাছ। যদিও আমাদের সবচেয়ে ভালোবাসার মানুষগুলো আমাদের ঘিরে থাকা মমতাময়ী নারী মুখগুলো; কিন্তু কোন দুর্ঘটনা ঘটলে কেন জানি আমরা তাদের দোষটাই খোঁজার চেষ্টা করি সবার আগে। যদিও সেখানে তাদের হয়তো কোন দোষই থাকে না। কোন বান্ধবীর সাথে মজার কোন ছবিই হয়ে যায় তার জন্য অনেক বড় কোন অপমানের কারণ। তাই মেয়েদেরকে ডিজিটাল ডিভাইস বা ইন্টারনেট ব্যবহারে হতে হবে অনেক বেশি সাবধানী ও কৌশলী। আমাদের দৈনন্দিন জীবন এখন মোবাইল ফোন ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। ইদানীং কালে একেকটি মোবাইল ফোন হয়ে উঠেছে একেকটি ছোট খাটো কম্পিউটার। সেখানে টেক্সট, ছবি, ভিডিও সহ সব ধরনের তথ্যই রাখা যায়। বিপত্তিটি বাধে তখন, যখন মোবাইল ফোনটি কোন খারাপ লোকের হাতে পরে। কোন মেয়ের মোবাইলে থাকতে পারে তার একান্ত ব্যক্তিগত কোন ছবি বা ভিডিও বা টেক্সট। এখন হারিয়ে যাওয়া মোবাইল থেকে তা নিমিষেই ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইন্টারনেটে। তাই মোবাইলে একান্ত ব্যক্তিগত কিছু না রাখাই ভালো। কারণ বলা যায় না কখন আপনার মোবাইলটি কোন আজে বাজে লোকের হাতে পড়ে। এক ধরনের নিম্ন রুচির মানুষ আছে যারা
মেয়েদের ছবি বা মেয়েদের নম্বর পাবলিকলি ছড়িয়ে দেন। এতে করে ঐ মেয়েটির ব্যক্তিগত জীবন বাধাগ্রস্ত হয়। তাই কোন মেয়ের তার মোবাইল ফোন নম্বরটি যতদূর সম্ভব পাবলিকলি শেয়ার না করাই ভালো।

▪প্রেম ভালোবাসাতে সবচেয়ে বড় জায়গাটা বোধহয় বিশ্বাসের, আস্থার । কিন্তু আমরা নিকট অতীতে প্রেমের নামে অনেক মেয়েকেই প্রতারিত হতে দেখেছি। প্রেমিক, প্রেমিকার অনেক অন্তরঙ্গ মুহূর্ত মোবাইলের এমএমএসের মাধ্যমে পৌঁছে গেছে সবার হাতে হাতে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় মেয়েটি হয়তো পরিস্থিতির শিকার। তাই প্রেম ভালোবাসার মধ্যে মানবিক আর নৈতিকর প্রাধান্য দেয়াটাই সমিচিন আর থাকতে হবে ডিজিটাল ডিভাইস থেকে শত হাত দূরে। কারণ আজকে যাকে আপনি সবচেয়ে বিশ্বাস করছেন দেখা যাবে কাল সেই হচ্ছে আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু। নতুন আরেক সমস্যার উদ্ভব হয়েছে, মোবাইল রিফিল করা নিয়ে। আপনার দেয়া নম্বরটি রিফিলের দোকান থেকে কিন্তু বিক্রি হয়ে যেতে পারে কোন বিকৃত রুচির মানুষের কাছে। অনেক রিফিলের দোকানদার টাকার বিনিময়ে মেয়েদের নম্বর বিক্রি করে দেয় এসব বিকৃত রুচির মানুষের কাছে। তাই পরিচিত দোকান থেকে রিফিল করাই ভালো বা কার্ডের মাধ্যমে রিফিল করা যেতে পারে। রাতে বেলা বা অকারণে ফোন দেয়ার মতো নিম্ন রুচির মানুষও কিন্তু আমাদের সমাজে একবারে কম নয়। এক্ষেত্রে কল ব্লক অনেক সময় কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

▪ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত তথ্য যত কম দেয়া যায় ততো ভালো। ইন্টারনেটে কখনোই ব্যক্তিগত ছবি, ঠিকানা বা ফোন নম্বর পাবলিকলি শেয়ার করা উচিৎ নয়। ইন্টারনেটে প্রথমত আপনার ইমেইলটি যথেষ্ট মাত্রায় নিরাপদ রাখতে হবে। সমসাময়িক একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মেয়েরা তাদের পাসওয়ার্ড বেশির ভাগ সময় কারো না কারো সাথে শেয়ার করেন। মনে রাখতে হবে পাসওয়ার্ড কোন ভাবেই কারো সাথে শেয়ার করা যাবে না তা সে যতই নিকটজন হোক না কেন।

▪কম্পিউটারে ভাইরাস বা স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে অনেক ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে। তাই কম্পিউটারকে সবসময় ভাইরাস মুক্ত রাখতে হবে। আপডেটেড অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার করতে হবে সবসময়।

▪অনেকেই মেয়েদের ছবি ‘প্রোফাইল পিকচার’ হিসেবে ব্যবহার করে ফেইসবুকে ভুয়া আইডি খুলছে। আর যথারীতি প্রোফাইলে নিজের সম্পর্কে লেখার জায়গাটি ভরিয়ে তুলছে আপত্তিকর কথাবার্তা দিয়ে। অন্যান্য তথ্যও ভুয়া, আপত্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাই ফেইসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে মেয়েদের। আমাদের তরুণদের অনলাইন কার্যক্রমের একটা বড় অংশ জুড়ে আছে ফেসবুক। ফেসবুকের মাধ্যমে খুব সহজেই নতুন নতুন বন্ধু বানানো যায়। কিন্তু আমরা জানি না আসলে কার মনের মধ্যে কি আছে। তাই কাউকে বন্ধু বানানোর আগে ভালো মতো যাচাই করে নেয়া উচিৎ। আর কোন ইনফরমেশনই পাবলিক না করাই ভালো। ছবি বা কমেন্টগুলো অবশ্যই কেবল বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করা উচিত কোন ভাবেই ‘পাবলিক’ না। মনে রাখবেন যদি কোন ছবি বা ভিডিও একবার ইন্টারনেটে আপলোড হয়ে যায় তবে তা আর কোন ভাবেই পুরোপুরি মুছে দেয়া সম্ভব নয়। কারণ কেউ না কেউ তা কপি করে নিজের কম্পিউটারে রেখে দিতে পারে এবং পরে আপলোড করতে পারে। তাই ইন্টারনেটে কোন তথ্য, ছবি, ভিডিও শেয়ার করার আগে ভালো মতো চিন্তা করে নিন।

▪বিয়েবহির্ভূত যৌনতা বিষয়ে ধর্মীয়, পারিবারিক ও সামাজিক সংস্কার ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যাচ্ছে। তরুণ-তরুণীদের ভালোবাসা-ভালোলাগা দ্রুত শারীরিক সম্পর্কের পর্যায়ে গড়াচ্ছে আজকাল। অবাধ মেলামেশা থেকে সৃষ্ট নানামুখী জটিলতার কারণে সংঘটিত হচ্ছে নানা ধরনের অপরাধ এবং অনেক সময় তা গড়াচ্ছে আত্মহত্যা পর্যন্ত। প্রযুক্তির কারণে জীবনের **সব** মুহূর্ত মানুষ এখন ধারণ করে রাখছে। অনেক সময় প্রেমিকার অজ্ঞাতসারে গোপন মেলামেশার দৃশ্য ধারণ করে বা ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও করে তা প্রকাশ করে দিচ্ছে ইন্টারনেটে। গোপন প্রেম বা নগ্ন ভিডিও প্রকাশের পর বিশেষ করে মেয়েরা অসহায় হয়ে পড়ে। সামজিক ব্যবস্থা এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, সব দোষ মেয়েদের ঘাড়ে চাপে। এর সাথে সাথে তার ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। **বিয়ে** ভেঙে যাওয়া এবং বিয়ে না হওয়ার সম্ভাবনার সাথে সাথে মেয়েটি পুরো পরিবারের জন্য বোঝা হয়ে যাচ্ছে। বাকি পরিবারের সদস্যদের জন্য বিরাট লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে সে। প্রকৃত বিচারে এ ধরনের অপরাধের জন্য মেয়েটির হয়তো কোনো দোষই নেই। এভাবে কত মেয়েদের ছবি যে ছড়িয়ে পড়ছে তার কোন হিসাব নেই।

আইনি ধারা ও আইনি সহায়তা

২০০৬ বাংলাদেশ সরকার সাইবার আইন প্রণয়ন করে । এটি সাধারণত ’The Information and Communication Technology Act 2006′ নামে পরিচিত । ধারা ৫৭ তে বলা আছে- ইলেক্ট্রনিক কর্মে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড:- (১) কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্যকোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কোন প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট বিষয় বিবেচনা কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতি ভ্রষ্ট বা অসৎ কাজে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন এর অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে বাধা প্রদান করা হয় তাহা হইলে তাহার এ কার্য হইবে একটি অপরাধ। (২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে অনধিক দশ বছর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। পর্ণোগ্রাফি তৈরির অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১২’ পাস হয়েছে সংসদে। এ আইনে পর্ণোগ্রাফির মাধ্যমে কারো মর্যাদাহানি বা কাউকে ব্ল্যাকমেইল করা হলে, এমনকি এ জাতীয় কিছু সংরক্ষণ বা পরিবহন করা হলেও দুই থেকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং এক থেকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। বিলের ৬ নম্বর দফায় বলা হয়েছে, এ জাতীয় অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনও ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক ভাবে গ্রেপ্তার বা কোনও পর্ণোগ্রাফি সরঞ্জাম জব্দ করার জন্য তল্লাশি চালানো যাবে।”

পরিশেষে –  যতদিন আমাদের সমাজ আরও বেশি সভ্য হয়ে না উঠছে । নারীর প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না হচ্ছে ততদিন নারী সমাজকে আরও অনেক বেশি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। আর যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটেই যায় তবে দ্রুত আইনি সহায়তা নিতে হবে। সর্বোপরি, আমাদের লক্ষ রাখতে হবে আমাদের আদরের যে বোনটি, যার সম্মানের জন্য নিজের সবকিছু তুচ্ছ করতে পারি, সেই একই পরিমাণ আদর, ভালোবাসা আর সম্মান যেন অন্যের বোনটিকেও দিতে পারি। তবেই নির্মাণ হবে এক সুন্দর সমাজ। যে সমাজে মুক্ত আর স্বাধীনভাবে চলাফেরা করবে আমাদের সবার আদরের বোন। যে সমাজে মেয়েদের ছবি বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়া হবেনা ইন্টারনেটে।

152 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

About ইমন

আমি মহা মানব নই, আমি একজন সাধারণ মানুষ। তাই আমার এপিটাফ হবে আমার মতই সাধারণ, কালের গর্ভে এটিও হারিয়ে যাবে, যেমনটা হারায় একজন সাধারণ মানুষ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন