মজার জোকস পড়ুন আর প্রাণ খুলে হাসুন

মজার জোকস পড়ুন আর প্রাণ খুলে হাসুন
5 (100%) 3 votes

মজার জোকস পড়তে কার না ভালো লাগে। মজার জোকস পড়লে যে কারো মন ভালো হয়ে যায়। মাঝে মাঝে আমাদের মন অকারণেই খারাপ হয়ে যায়। অনেক বেশি মন খারাপ থাকলে তা স্বাভাবিক কাজকর্মের উপর খারাপ প্রভাব পড়তে থাকে। কাজে ঠিকমতো মন বসে না, এবং দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রেই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই মন ভালো রাখাটা খুবই জরুরী। আর মন ভালো রাখতে পড়ুন মজার জোকস গুলো।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মজার জোকস

মজার জোকস – (১)

 ভদ্রলোক ও মূর্খ বাক্তির মধ্যে কথা হচ্ছেঃ-
ভদ্রলোকঃ- এই যে ভাই, এই রাস্তাতা কি হাসপাতালের দিকে গেছে?
মূর্খবাক্তিঃ- ওই মিয়া রাস্তার কি অসুখ হইছে যে রাস্তা হাসপাতালের দিকে যাইব।

 শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে কথা হচ্ছেঃ-
শিক্ষকঃ- বলত, মিথুন গাছ থেকে পরল এটা কোন পদ?
ছাত্রঃ-বিপদ স্যার।

 অনেকদিন পর দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছেঃ-
১ম বন্ধুঃ- বন্ধু তোমার ব্যবসা কেমন চলছে?
২য় বন্ধুঃ-আরে বন্ধু ব্যবসা তো এখন পা হতে মাথায় উঠেছে।
১ম বন্ধুঃ-মানে?
২য় বন্ধুঃ-আরে বোজলে না? আগে করতাম জুতার ব্যবসা এখন করি টুপির ব্যবসা।

 এক গরু বিক্রেতা কোরবাণীর পশুর হাট থেকে গরু নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে ডাকাতে ধরেলো-
ডাকাতঃ-এই শালা, কী কী আছে দে!
গরু বিক্রেতাঃ ভাই, আমার কাছে কিছু নাই !
ডাকাতঃ কিছু নাই কেন ?
গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটা বিক্রি করতে পারিনাই ।
ডাকাতঃ গরুটা বিক্রি করতে পার নাই কেন ?
গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটার দাম কম বলেছে, তাই বিক্রি করিনাই ।
ডাকাতঃ এই শালা,গরুটার দাম কম হলে আমরা টাকা কম পেতাম, তুই গরুটা বিক্রি করলিনা কেন?

 এক গরিব লোকের ঘরে চোর এসে আতিপাতি করে খুঁজে, নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না। হতাশ হয়ে চোর যখন চলে যাচ্ছে-
লোক : (শুয়ে শুয়ে) দরজাটা বন্ধ করে যেও।
চোর : (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) দরজা খোলা থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না।

মজার জোকস – (২)

 ১ম বন্ধু : জানিস, বাড়ি থেকে পালিয়ে যেদিন নিশিকে বিয়ে করলাম, ঠিক সেদিনই জুতোর বাড়ি খেতে হল!
২য় বন্ধু : আমার ধারণা, এর পেছনে নিশ্চয়ই নিশির বাবার হাত ছিল!
১ম বন্ধু : না না, হাত নয়! ওটার মধ্যে নিশির বাবার পা ছিল!

 শিক্ষকঃ- মক্লেছ তুমি তো দেখছি প্রতিদিনেই দেরি করে আসছ।
মক্লেছঃ- কি করব স্যার, আমি প্রতিদিনই স্কুলের সামনে এলে দেখি, রাস্তার ধারে লেখা আস্তে চলুন, সামনে স্কুল।

 ১ম চাপাবাজঃ আমি এত গরম চা খাই যে, কেতলি থেকে সোজা মুখে ঢেলে দেই!
২য় চাপাবাজঃ কি বলিস! আমি তো চা-পাতা, পানি, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে চুলোয় বসে পড়ি!

মজার জোকস – (৩)

 একবার এক অনুষ্ঠানে এক বাংলাদেশি, সাউথ আফ্রিকান আর ইন্ডিয়ান গল্প করছে। আলোচনার বিষয়বস্তু ক্রিকেট।

ইন্ডিয়ান: একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল, স্টাইকার এন্ডে ছিল শচীন। বোলার বল করল, শচীন সেটা থার্ডম্যানের দিকে ঠেলে দিয়ে ৩ রান নিল, ফিল্ডার সেটা ছুড়ল নন-স্টাইকার এন্ডে। ওভার থ্রো তে শচিন আরও তিন রান নিয়ে নিল। এবার ফল্ডার সাবধান হয়ে সেটা ছুঁড়ে দিল উইকেট কিপারের দিকে, উইকেট কিপার ধরতে পারল না আর বলটা চলে গেল বাউন্ডারির ওপারে ফলে চার রান। ৩+৩+৪ =১০ আমরা জিতে গেলাম।

সাউথ আফ্রিকান: একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল। আমদের গ্রায়েম স্মিথকে তো তোমরা চেন। তার গায়ে মারাত্মক জোর। সে এমন জোরে মারল জে বল স্টেডিয়াম পার হয়ে কয়েক শ গজ দূরে গিয়ে পড়ল। আম্পায়ারের কোন উপায় ছিল না। সে ১২ রান দিয়ে দিল। আমরা জিতে গেলাম।

বাংলাদেশি: একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল। আমাদের আশরাফুলকে তো তোমরা চেন, সে সেইরকম মারকুটে ব্যাটসম্যান। বোলার বল করল আর আশরাফুল সজোরে ব্যাট চালাল। ব্যাটের আঘাতে বল ভেঙে দুইটুকরা হয়ে গেল। এক টুকরা উড়ে বাউন্ডারি পার হল আর অন্যটুকরা গড়াতে গড়াতে বাউন্ডারি পার হল। ফলে আমরা ৬ + ৪ = ১০ রান করে ফেললাম। আমরা জিতে গেলাম।

 দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে-
প্রথম চাপাবাজ: জানিস মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারটা কিনে ফেলি।
দ্বিতীয়চাপাবাজ: অত সহজ না বন্ধু! ওটা আমি বেচলেতো।

 এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।
ফরাসী বলছে, গত রাতে আমার বউকে চারবার আদর সোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।
ইতালীয় বলছে, গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদর সোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।
বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে কবার আদর সোহাগ করেছো?
বাঙালি বললো, একবার।
ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?
ওগো, থামো, আর না ।

 এক সন্ত্রাসি ধরা পরার ভয়ে তার সাথীদের আস্তানার কথা অকপট বলে দিল পরে থানায় তারা একত্রিত হবার পর অন্যান্য সন্ত্রাসী বলল, তুই আমাদের কথা এভাবে বলে দিলি?
১ম সন্ত্রাসীঃ- কি করব, কথা ছিল যেখানে যাই একসাতে মরব।

 একই রিক্সায় চরে তিন বন্ধু যাচ্ছিলেন সিনেমা দেখতে। পথের মধ্যে দাড়িয়ে ছিলেন একজন ট্রাফিক পুলিশ।
রিকশাওয়ালাঃ- ভাইজানেরা নাইমা পরেন সামনে ট্রাফিক পুলিশ।
১ম জনঃ-আরে যা বেটা, ট্রাফিক আমাদের মামা লাগে সে কিছু করবেনা।
ট্রাফিক পুলিশ এর কাছে যেতেই পুলিশ রিকশাও্লাকে এক থাপ্পর মারল।
রিকশাওালাঃ- ভাইজানেরা হুদাহুদি আমারে একটা থাপ্পর খাওইলেন।
২য় জনঃ-আরে বেটা ট্রাফিক পুলিশ আমাদের মামা লাগে তোর তো আর মামা না।

মজার জোকস – (৪)

 মাঃ ইতিহাস পরীক্ষায় কত পেয়েছ??
ছেলেঃ পাইনে
মাঃ কেন??
ছেলেঃ কী করবো আমার জন্মের আগেড় সব ঘটনা যে লিখতে বলছে।

 এক লোক ঘড়ীর দোকানে গিয়েছে ঘড়ী মেরামত কড়তে সে
দোকানদারকে জিজ্ঞেস করল এঈ যে ভাই এটা মেরামত করতে কত লাগবে?
দোকানদারঃ আপনি যতো দিয়ে কিনেছেন তার অর্ধেক।
লোকঃ আমি এটা ১৬ ঘুষি মেরে কিনেছি।

 ১ম ব্যক্তিঃ কয়টা বাজে?
২য় ব্যক্তি: (কথা না বলে) মাড়লো ঘুষি
১ম ব্যক্তি একেবারে ড্রেনে গিয়ে পড়ল
জনৈক দোকানদার বলল আরে ভাই উনি কম কথা বলতে ভালবাসেন। টাঈ সব কিছু কাজ দ্বারা বুজাতে চান। মানে এখন ১ টা বাজে
১ম ব্যক্তি ঃ ভাগ্যিস ১২ টা বাজেণী ।

 বিমর্ষ এক লোক একটি রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে বসলেন , এক গ্লাস লাচ্ছি দিতে বললেন ওয়েটার কে । অন্য দিনের চেয়ে একটু তাড়াতাড়ি চলে এল লাচ্ছির গ্লাস । খাবার আগে ভাবলেন বাইরের দুনিয়াটাকে একটু ভালো করে দেখবেন । টেবিল এ ফিরে দেখলেন তার লাচ্ছির গ্লাস অন্য আর একজনের হাতে তিনি বেশ আয়েশ করে তাঁর সেই গ্লাস থেকে লাচ্ছি খাচ্ছেন । এই দৃশ্য দেখে তিনি চেয়ার এ বসে কাঁদতে শুরু করলেন । সামনের লোকটি বিব্রত হয়ে বললেন প্লিজ কাঁদবেন না, এক গ্লাস লাচ্ছিই তো আমি আপনাকে দুই গ্লাস লাচ্ছি কিনে দিচ্ছি। শুনে তিনি বললেন আমি সেজন্য কাঁদছি না। তাহলে? জানতে চাইল অই লোকটি । তিনি বলতে শুরু করলেন ঘুম থেকে উঠেই বউ এর সঙ্গে বিরাট ঝগড়া হল ; বাস এ মানিব্যাগ ছিনতাই হল; অফিসে গিয়ে দেখি চাকরি ছলে গেছে ; বাড়িতে এসে দেখি বউ বাপের বাড়ি চলে গেছে … এত কিছুর পর ত্যক্তবিরক্ত হয়ে রেস্টুরেন্ট এ এসে বিষ খাব বলে লাচ্ছির সঙ্গে বিষ মিশিয়েছি ,… সেটাও আপনি খেয়ে ফেললেন?
আমার তো কপাল টাই খারাপ !

মজার জোকস – (৫)

 সেই যে বাড়িতে এক অথিতি এসেছে , এক সপ্তাহ যায় দু সপ্তাহ যায় তবু নড়বার কোন লক্ষন নেই। স্বামী স্ত্রী কেউ কিছু বলতে পারে না লজ্জায়। একদিন পাশের ঘরে অথিতিকে শুনিয়ে দুজন খুব ঝগড়া করতে লাগলো, মিছামিছি। স্ত্রীকে স্বামীর প্রহার এবং স্ত্রীর কান্নায় আওয়াজও শোনা গেল এক পর্যায়ে। গতিক সুবিধের নয় ভেবে অথিতি ভদ্রলোক তার সুটকেস নিয়ে এক ফাকে বেরিয়ে গেল।
জানালা দিয়ে স্বামী স্ত্রী দুজনায় তাদেখে ঝগড়া বন্ধ করে খুব এক চোট হেসে নিল- যে বুদ্ধি করে তারা অথিতি তাড়াতে পেরেছে। স্বামী বললো তোমার লাগে টাগে নিতো? যে জোরে কাদছিলে।
স্ত্রী বললো, দূর একটু ও লাগেনি। এতো লোক দেখানো কেদেছিলাম।
হাসিমুখে এক সময় অথিতির আর্বিভাব, হেঁ,হেঁ আমিও কিন্তু লোক দেখানো গিয়েছিলাম।

 স্বামী আর স্ত্রীর মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া। মুখ দেখা, কথা বন্ধ।
রাতে শুতে যাওয়ার সময় স্বামীর মনে পড়ল পরের দিন ভোরবেলা ফ্লাইট। এদিকে স্বামী বেচারা সকালে উঠতে পারে না। সাত-পাঁচ ভেবে সে একটি কাগজে লিখল ”কাল সকাল চারটার সময় ডেকে দিও।” কাগজটা স্ত্রীর বালিশের কোণায় চাপা দিয়ে স্বামী নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়ল।
পরের দিন সকালে সাড়ে আটটার সময় স্বামীর ঘুম ভাঙল। সময় দেখে তার তো চক্ষু চড়কগাছ। রেগে মেগে চিৎকার করে স্ত্রীকে ডাকতে গিয়ে তার নজরে পড়ল বালিশের পাশে একটা চিরকুট।
খুলে দেখল লেখা আছে ”চারটে বেজে গেছে, উঠে পড়ো।”

 নব বিবাহিত স্বামী-স্ত্রী রাতে ট্রেন ভ্রমন করছেন।
হঠাৎ পুরো ট্রেনের ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল, বেশ কিছুক্ষণ পর আবার সব আলো জ্বলে উঠলো…..
স্বামী: আগে যদি জানতাম এতক্ষণ আন্ধকার থাকবে তাহলে এর সদ্ব্যবহার করে আনেকগুলি চুমু খেতে পারতাম।
স্ত্রী: তুমি না……. তাহলে এতক্ষণ কে ছিল ……

 ওই বেটারে ধর ! কতবড় নেমকহারাম ! আমার দোকান থেইকা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র কিন্না আমার দোকানে আগুন জ্বালাইয়া দিছে! পিটা হালা রে …
আপনি আমাকে ভুল বুঝছেন । আগুন না জ্বালালে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র টা টেস্ট করব কীভাবে ?

 বাবা এবং মেয়ের এর মধ্যে কথা হচ্ছে–
বাবাঃ তুই পালিয়ে বিয়ে করে আমার বংশ দাঁগ লাগিয়ে দিলি!
মেয়েঃ দাঁগ থেকে যদি দারুন কিছু হয়,তবে তো দাঁগই ভালো।

মজার জোকস – (৬)

 স্যারঃ পড়া যখন পারনি মার তোমাকে খেতেই হবে।
ছাত্রঃ তাহলে একটু ওয়াসরুমে যেতে হবে।
স্যারঃ কেনো?
ছাত্রঃ মা বলেছে কোন কিছু খাবার আগে সাবান দিয়ে ভালো ভাবে হাত ধুয়ে নিতে।

 মেয়েঃ তোমাকে আমি খুব খুব খুব ভালোবাসি।
ছেলেঃ তোমার এতো ভালোবাসা আমি কোথায় রাখবো?
মেয়েঃ রাখার জায়গা না পেলে ফেরত দিয়ে দাও অন্য কাওকে দিয়ে দিবো।

 নতুন বছরের প্রথম দিন মালিক বলছেন চাকরকে, ‘গত বছর তুই বেশ ভালো কাজ করেছিস। এই নে ১০ হাজার টাকার চেক। এ বছর এমন ভালো কাজ দেখাতে পারলে আগামী বছর চেকে সই করে দেব!

 স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?
স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।

 স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন—
স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।
আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?
স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।
আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।

মজার জোকস – (৭)

 নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে?
স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

  দুই মেয়ে কথা বলছে-
১ম মেয়ে: আজকালকের ছেলেদের কোনো বিশ্বাস নাই। আমি তো আজকে থেকে ওর মুখও দেখতে চাই না…
২য় মেয়ে: কি হইছে? তুমি কি ওকে অন্য কোনো মেয়ের সাথে দেখে ফেলছ?
১ম মেয়ে: আরে না! ও আমারে আরেক ছেলের সাথে দেখে ফেলছে…। কালকে ও আমারে বলছিল যে, ও নাকি শহরের বাইরে যাবে। তাহলে সে আমাকে কিভাবে দেখল। মিথ্যুক, বদ, ধোঁকাবাজ…

 প্রেমিকা তার প্রেমিককে রাতে রোমান্টিক মেসেজ পাঠাচ্ছে…
মেয়েঃ ঘুমিয়ে আছো তো স্বপ্ন পাঠাও, জেগে আছো তো ভাবনা পাঠাও, যদি কাঁদছো তো চোখের জল পাঠাও ।
ছেলেঃ প্রিয়তমা পায়খানা করতেছি কি পাঠাবো ?

 বল্টু : তুই তোর বউয়ের সাথে ঝগড়া করিস ?
পল্টু : হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
বল্টু : বলিস কী ! তারপর ?
পল্টু : তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।’

55 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন