ভালো মেয়ে চিনবেন যেভাবে

ভালো মেয়ে চিনবেন যেভাবে
পোস্টে রেটিং দিন

ভালো মেয়ে সবারই পছন্দের। ভালো মেয়ে অবশ্যই ধৈর্য্যশীল হয়ে থাকে ও ধর্মানুরাগী হয়। এছাড়া ভাল মেয়েদের লজ্জা থাকে। এক কথায় ছেলে বা মেয়ে যাই বলুন না কেন অল্পে খুশী, লজ্জা আছে, ধৈর্য্য আছে, হিংসা নেই ও কর্মঠ এরকম ছেলে ও মেয়ে ভাল। কথায় আছে নদীর পানি ঘোলা ভাল। আর জাতের মেয়ে কালো। ভালো মেয়ে হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য। এই সব মেয়ে তার পরিবারের ও সমাজের জন্য গর্ব। এরা সমাজের অন্য মেয়ের চাইতে আলাদা হয়। আসুন কিছু কমন বৈশিষ্ট্য দেখে চিনে নিই ভালো মেয়ে সম্পর্কে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

ভালো মেয়ে

ভালো মেয়ে চেনার ২০ টি উপায়

মেয়েদের আচার-আচরণের কিছু বিষয় পর্যবেক্ষণ করেই বোঝা যায় ভালো মেয়ে সম্পর্কে। জেনে নিন সেই বৈশিষ্ট্যগুলোর কথা।

সেবিকার মনোভাব – একজন পুরুষ সঙ্গিনী হিসেবে এমন একজন ভালো মেয়ে চান, যিনি কষ্টের সময় দুই হাত বাড়িয়ে দেবেন। রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে বাচ্চা কেঁদে উঠলে তাকে আগলে রাখবে। অর্থাৎ, যে মেয়েদের মনে আন্তরিক মমত্ববোধ রয়েছে এবং তার মাঝে সেবিকার বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান তারাই ভাল মেয়ে বলে বিবেচিত হয়।

বিশ্বাসযোগ্যতা – একজন পুরুষ যখন আপনাকে তার হৃদয়টা দিয়ে দেবেন, তখন তিনি চাইবেন তা যেন ভেঙে না যায়। পুরোপুরি বিশ্বাস যায়, এমন মেয়েই খোঁজেন পুরুষরা। বিশ্বাসযোগ্য বলে যাকে মনে হয়, তিনিই ভালো মেয়ে।

সততা – এমন সঙ্গিনী চান পুরুষরা যাকে নিয়ে নির্দ্বিধায় যেকোনো জায়গায় যাওয়া যায়। যে কিনা সঙ্গীর সঙ্গে তার সম্পর্ককে কখনো ভুলে গিয়ে অন্য কিছু করে বসবেন না। নারীদের মাঝে প্রতারণা প্রবৃত্তি থাকলে তা উপলব্ধি করার চেষ্টা করেন পুরুষরা। সততা যার মাঝে পরিষ্কার, তিনি স্বাভাবিক ভাবেই ভাল মেয়ে হয়ে ওঠেন।

নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব – পুরুষরা এমন নারীর স্বপ্ন দেখেন যিনি কিনা সঙ্গী ভেঙে পড়লে তাকে সর্বশক্তি দিয়ে তুলে আনার চেষ্টা করবেন। সঙ্গীর যেকোনো সমস্যার কথা তাকে জানানো যায় এবং ভালো পরামর্শ পাওয়া যায়। যিনি প্রয়োজনে হাল ধরার ইচ্ছাও রাখেন। এমন মেয়ে নিঃসন্দেহে একজন ভাল মেয়ে।

নিরহংকার – অহংকারী নারীদের একেবারে পছন্দ করেন না পুরুষরা। কিন্তু তার ভেতরের গুণগুলোকে প্রশংসার দৃষ্টিতে দেখেন। আপনার মাঝে ভালো কোনো গুণ থাকলে তাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখবেন পুরুষরা। কিন্তু এ নিয়ে অহংকারী মনোভাব মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। যার অহংকার নেই সেইতো ভালো মেয়ে ।

বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন – আদালতের বিচারকের মতো জ্ঞান-বুদ্ধির দরকার নেই, কিন্তু সাধারণ বিচারবুদ্ধি নারীদের কাছে আশা করেন পুরুষরা। হতে পারে তা সঙ্গীর কালো অতীতকে কখনো তুলে না আনা অথবা পরিস্থিতি অনুধাবন করে এমন কিছু না করা যা পরিস্থিতি বদলে দেয়। কিন্তু ন্যুনতম বিচারবুদ্ধি থাকলেই তিনি ভাল মেয়ে।

স্বচ্ছতা – নারীর মাঝে মিথ্যা থাকলে তা কোনো ছাড় দিতে চান না পুরুষরা। যে নারী বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাবে বলে ডেটিং করতে যান, তাকে নিশ্চয়ই ভালো মেয়ে বলবেন না কোনো পুরুষ। কিন্তু একজন মেয়ে যেমন তার পুরোটা স্বচ্ছ থাকলেই তিনি সবার চোখে ভালো মেয়ে হয়ে ওঠেন। এছাড়া থাকবে আরো কিছু গুনাবলী যেমন –

▪একজন ভালো মেয়ে যে কোন পরিবেশে যে কোন অবস্থায় মানিয়ে নিতে পারি। অবস্থা বুঝে নিজের চাওয়া পাওয়াকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে । সে খুলে বলতে পারে তার কি চায় তবে নিয়ন্ত্রিত ভাবে অবস্থা বুঝে।

▪একজন ভালো মেয়ে কারো দেয়া উপহার গ্রহন করতে চায়না। বাধ্যতামূলক ভাবে নিতে হলে সে বিনীতভাবে বলতে থাকে এ সবের কোন প্রয়োজন ছিলনা । অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাবে উপহার প্রদানকারীকে।

▪একজন ভালো মেয়ে তার রাগ নিয়ন্ত্রন করতে পারে বা রাগ ভাব অন্যদের সামনে প্রকাশ করেনা। সে সবসময় নিজের রাগকে ভিতরে রাখতে সক্ষম।

▪পারফেক্ট বা যথাযথ বিষয়ের প্রতি আকৃষ্ট থাকে। নিজেকে পারফেক্ট করার জন্য সবসময় চেষ্টা থাকে কেউ যেন তাকে নিয়ে কিছু বলতে না পারে সেই চেষ্টাই করে একজন ভাল মেয়ে।

▪তার মধ্যে ক্লান্তিভাব কম থাকে।প্রতিদিন ভাল একটা কিছু করার আকাঙ্খা তার মধ্যে থাকে এবং সমাজে পরিবারে যা গ্রহনযোগ্য সেটাকেই গুরুত্ব দেয় বেশী। নিজের বিষটাকে গুরুত্ব দিলেও সেটাকে প্রকাশ করেনা ।

▪ভালো মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচেতন থাকে। এমন কিছু পরে না যা অশালীন।

▪ভালো মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চায় না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।

▪একজন ভালো মেয়ে সবসময় বন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্রভাব পড়ুক তা তারা চায় না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।

▪একজন ভালো মেয়ে বা নারী সর্বদাই ভাল কাজগুলো করার জন্য চেষ্টা করে এবং সে সৃষ্টিশীল ও সৃজনশীল থাকে।

77 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

About অনন্যা মিতু

রক্তের সর্ম্পক ছাড়া যদি আর কোনো ঘনিষ্ট কোনো সর্ম্পক থাকে সেটা হলো বন্ধুত্ব।ভাগ্য তোমার আত্মীয় বেছে দেয় আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন