ভাবি সমাচার। সম্পর্ক দ্বন্দ্ব এবং সমাধান

ভাবি সমাচার। সম্পর্ক দ্বন্দ্ব এবং সমাধান
5 (100%) 3 votes

ভাবি একটি সুপরিচিত সুমধুর ডাক। ভাবি শব্দটির মাঝে যেনো আলাদা একটা মায়া মমতা লুকিয়ে আছে। যদিও প্রত্যেকটি পরিবারে ভাবি ননদ এবং দেবরের মধ্যকার সম্পর্ক সবসময় মধুর হয় না। ঈর্ষা, বিদ্বেষ, ঘৃণা, অসুস্থ প্রতিযোগিতার মিশ্রণে অদ্ভুত টানাপোড়েন সৃষ্টি হয় ননদ ভাবির সম্পর্কে। একে অন্যকে সহ্য করতে পারে না। কিন্তু সংসার জীবনে সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকতে গেলে ননদ ভাবি দু’জনার সম্পর্ক হতে হবে বন্ধুত্বপূর্ণ। বিয়ের পর পরিবারে আসা ভাবির বিরুদ্ধে সারাক্ষণ লেগে থাকা, উঠতে বসতে তার দোষ-ত্রুটি ধরা, নানাভাবে তাকে হেনস্থা করা ননদের সংখ্যা কম নয়। আবার এ ক্ষেত্রে ভাবি হয়ে আসা মেয়েটিও অনেক সময় শ্বশুরবাড়িতে পা রেখে নিজের কর্তৃত্ব বিস্তারে এতটা ব্যস্ত হয়ে পড়ে যে, শুরুতেই ননদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগে যায়।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

ভাবি

দেবর ভাবি সম্পর্ক মধুর হয় কেন

শ্বাশুড়ির সাথে পুত্রবধুর বনছে না বা ননদের সাথে ভাবির রেষারেষি – এমন গল্পের দেখা আমাদের সমাজে হরহামেশাই মেলে! কিন্তু দেবরের সাথে ভাবির মন কষকষি বা সম্পর্ক খারাপ, এমন গল্প শুনেছেন কি? শুনে থাকলেও তার পরিমাণ যে অন্য দুই ঘটনার তুলনায় খুবই নগন্য, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। অথচ ব্যাপারটি অন্যরকম হওয়ার কথা ছিল। শ্বাশুড়ি স্বামীর মা, সেই সুত্রে পুত্রবধু-শ্বাশুড়ির সম্পর্ক মা-মেয়ের সম্পর্কের মতোই আপন হবার কথা! আবার ননদ যেহেতু একজন মেয়ে, তাই ভালো-মন্দে ননদ-ভাবির সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক! কিন্তু আমাদের সমাজে এই সম্পর্কগুলো এভাবে তৈরি হয়ে ওঠে না। বরং দেখা যায়, শ্বশুরবাড়িতে দেবরই হয়ে ওঠে ভাবির আপনজন, বন্ধু এবং নির্ভরতার জায়গা! নতুন ভাবিকে দেবরই দেয় আশ্বাসের বাণী। বুঝে উঠতে সাহায্য করে বাড়ির অন্য সদস্যদের মানসিকতা। পাশে এসে দাঁড়ায় ভাবির দুঃসময়েও। দেবর ভাবি সম্পর্ক এমনই সুমধুর ও মমতার। সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে, পরস্পর বিপরীত লিঙ্গের হওয়ায় সাধারণত দেবর ও ভাবি নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবে না। ফলে মানসিক দূরত্বের অবকাশ এখানে কম থাকে। যেখানে শ্বাশুড়ি বা ননদের সাথে সম্পর্কে মানসিক দূরত্ব গড়ে ওঠে যোজন যোজন। ফলে একই লিঙ্গের হলেও প্রচ্ছন্ন মানসিক প্রতিন্দ্বন্দ্বিতার কারণে এসব সম্পর্কে অমিল ও রেষারেষির পরিমাণটাই বেশি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর বউদি কাদম্বরী দেবীকে নিয়ে অনেক মুখরোচক কথা প্রচলিত থাকলেও তাঁদের সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ। এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে, রবীন্দ্রনাথের ‘কবিগুরু’ হয়ে ওঠার পেছনে কাদম্বরী দেবীর অনেক অবদান ছিল। একজন দেবর যেমন ভাবির বন্ধু হয়ে উঠতে পারেন, তেমনি একজন ভাবি হয়ে দেবরের অনুপ্রেরণাদাত্রী। সম্পর্কের এই পারস্পরিক বোঝাপড়াটা তখনই সম্ভব যখন একজনের প্রতি আরেকজনের মনে কোন হিংসা থাকবে না। বিশেষ করে দেবরের ওপর দায়িত্ব বর্তায় নতুন ভাবিকে পরিবারে সহজ করে তোলার। সম্পর্ক সুন্দর করতে দেবরের অবশ্যই কতগুলো বিষয় খেয়াল রাখা উচিত।

▪অনেক সময় বড় ভাইয়ের বউ বয়সে ছোট হয়। বয়সে ছোট হলেও তিনি আপনার সম্পর্কে বড়। তাই বয়স কম বলে তাকে হেলাফেলা করবেন না, ভাবির উপযুক্ত সম্মান তাকে দিন।
▪নতুন পরিবেশে তার অস্বস্তি কাটাতে সাহায্য করুন। বলুন, যেকোনো প্রয়োজনে আপনাকে বলতে।
▪বাড়ির অন্য সদস্যদের পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে একটু একটু করে নতুন ভাবিকে ধারণা দিন।
▪তাকে সহজ করতে তার সাথে গল্প করুন, নিজেকে নিয়েই কথা বলুন। আপনার বন্ধু, কাজের জায়গা বা স্কুল-কলেজ নিয়ে কথা বলুন।
▪বাড়ির নিয়ম-কানুন ভাবির জানা না থাকলে তাকে সেসব সম্পর্কে বুঝিয়ে বলুন।
▪কোনো ভুল করে ফেললে তাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে বলুন, সবার সামনে লজ্জা দেবেন না।
▪ভাবির সাথে এমন কোন দুষ্টুমি করবেন না যেটা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখুন।
▪ভাবির বাবার বাড়ি নিয়ে কোনো ঠাট্টা করবেন না।

ননদ ভাবি সম্পর্ক খারাপের জন্য কে দায়ী

আমাদের সমাজে ননদ ভাবি সম্পর্ক খুব একটা ভাল নয়। বেশীর ভাগ পরিবারে ননদ ভাবি ঝগড়া লেগেই থাকে। একজন আরেক জনকে দোষারোপ করে। কেউ কাউকে সহ্য করতে পারে না। কারন কি? কার দোষ বেশী? ভাবি নাকি ননদেন?

বোন এবং ভাইয়ের সম্পর্কটা ছিল বন্ধুর মতো। খুনসুটি, হাসি-আনন্দে কাটত সারাক্ষণ। কিন্তু ভাইয়ের বিয়ের পর ভাবিকে যেন একদমই সহ্য করতে পারল না ছোট বোন। বোনের মনে হতে থাকল, ভাবির কারণে ভাই তার থেকে দূর সরে যাচ্ছে। এর জন্য দায়ী করতে থাকল ভাবিকে। একসময় ভাবি ননদের সম্পর্কটি তিক্ত হয়ে যায়। ভাবি ও ননদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হওয়াটা খুব প্রত্যাশিত হলেও অনেক ক্ষেত্রেই এ সম্পর্ক একটা টানাপোড়েনের জায়গায় গিয়ে ঠেকে। ছেলেবেলা থেকে একই সঙ্গে বেড়ে উঠতে উঠতে ভাইয়ের ওপর বোনের যে অধিকারবোধ তৈরি হয়, ভাবির আগমনে সে সম্পর্কের মাধুর্যের ক্ষেত্রে এক ধরনের অনিশ্চয়তাবোধ তৈরি করতে পারে। এ ছাড়া একেবারে ভিন্ন পরিবেশে বেড়ে ওঠা, ভিন্ন জীবনাচরণে অভ্যস্ত একজন মানুষকে নিজ পরিবারের সদস্য হিসেবে মেনে নেওয়া অনেক সময় অনেকের জন্য সহজ হয় না। এ কারণে সম্পর্কের শুরুতেই তৈরি হতে পারে দ্বন্দ্ব। নতুন ভাবির প্রতিটি কাজেই ভুল ধরা, খোঁচা মেরে কথা বলা, সমালোচনা করা ইত্যাদি সম্পর্কটা সুষ্ঠুভাবে গড়ে উঠতে দেয় না। অপর দিকে পরিবারের বউ-শাশুড়ি, ভাবি ননদ সম্পর্কগুলো নিয়ে কেউ কেউ আগেই একধরনের বিরূপ মনোভাব পোষণ করেন। তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন। স্বামীর প্রতি একধরনের একক আধিপত্যবোধের কারণেও কেউ কেউ উদার থাকেন না।

একজন মেয়েকে বধু হয়ে স্বামীর ঘরে এসে যাবতীয় কাজকর্ম করতে হয়। স্বামী সন্তানের সেবা, শশুর-শাশুড়ীর সেবা, সবার জন্য রান্না করা, চা-নাস্তা তৈরী করা, ঘর গোছানো, আত্বীয়-স্বজন এলে তাদের আপ্যায়ন করা ইত্যাদি কাজগুলো ঘরের বউদেরকেই করতে হয়। এতসব কাজে বেশীর ভাগ পরিবারের ননদেরা তাদের ভাবীকে খুব একটা সহযোগিতা করে না। তারা পড়াশুনা নিয়েই ব্যস্ত থাকে। ননদ বিবাহিত হলে শাশুরবাড়ী থেকে বাপের বাড়ীতে এসেই অলস সময় কাটায়। সন্তানদেরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সারাক্ষন মায়ের রুমে বসে ভাবীর বিরুদ্ধে উল্টাপাল্টা কথা বলে। আদর-যত্নের কোন ঘাটতি দেখা দিলে ভাবীর সাথে ঝগড়া শুরু করে।

আবার সংসারের কাজ করতে করতে ক্লান্ত বউরা অফিস ফেরত স্বামীকে কষ্টের কথা শেয়ার করে। স্বামী সবকিছু বুঝেও স্ত্রীকে শান্তনা দেয়। মা-বোনদের মনে কষ্ট না দেবার জন্য স্ত্রীকে অনুরোধ করে। স্ত্রীকে স্বামীর মন রক্ষা করে চলতে হয়। দিন দিন কাজের চাপ বৃদ্ধি ও নননের অত্যাচারে কোন এক সময় সম্পর্কের অবনতি হয়। অর্থাৎ, ভাবি ননদের সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকলে তার দায়ভার দুই পক্ষেরই বলা যায়।

ননদ ভাবি সম্পর্ক সুন্দর হবে যেভাবে

ননদ ভাবি সম্পর্ক চাইলেই গড়ে তোলা যায় খুব মিষ্টি মধুর সম্পর্ক হিসেবে। এ সম্পর্ক গড়ে তোলা যায় অনেক ভাবে। ননদ ভাবি বোনের মত অথবা বান্ধবীর মত আচরণ করবে এটাই কাম্য। ননদ ভাবি সম্পর্ক এতটাই সুন্দর হওয়া উচিত যে একে অপরকে যেকোনো কথা শেয়ার করতে দ্বিধাবোধ করবেনা।

ননদের দায়িত্ব – ননদ ভাবি সম্পর্ক যতই বান্ধবীর মত হোক না কেন ননদের উচিত সবসময় তার ভাবীর প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা পোষণ করা। চলুন তবে জেনে নিই কিছু টিপস যার মাধ্যমে ননদ ভাবি সম্পর্ক সুন্দর করে গড়ে তোলা যায়।

▪ভাই ও ভাবীর মাঝে কোন সমস্যা বা ঝগড়া চললে ননদের উচিত তা মিটমাটের দায়িত্ব নেওয়া। তাদের মাঝে সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানো ননদের একটি গুরুদায়িত্ব।

▪ননদের উচিত ভাবীকে তার কাজে কর্মে সহায়তা করা। ভাবীর উপর কাজের চাপ বেশি থাকলে ননদ তার কাজে সাহায্য করে তার কাজের চাপ কমাতে পারে।

▪সবসময় ভাবীকে সংগ দেয়া উচিত ননদের। আগেই বলেছি ননদ ভাবি সম্পর্ক হল বন্ধু সম্পর্ক আর একজন বন্ধু কখনো আরেকজন বন্ধুকে একা থাকতে দেয়না।

▪কোন কারণে শ্বশুড়-শ্বাশুড়ির কাছে কোন কারণে বকাঝকা খেলে ননদের উচিত তার থেকে ভাবীকে বাঁচিয়ে নিয়ে যাওয়া। আর নিজের বাবা মার কাছে যতটা পারা যায় ভাবীর প্রশংসা করা।

▪ভাই-ভাবীর বিবাহ বার্ষিকীতে, ভাই ভাবীর জন্য সারপ্রাইজের ব্যাবস্থা করাও ননদের অন্যতম দায়িত্ব। তাদের উপহার দেয়া থেকে শুরু করে তাদের জন্য পার্টি দেয়া, অথবা ঘরোয়া কোন আয়োজন সবকিছুই ননদের একার দায়িত্ব।

▪ভাবীর জন্মদিনেও চাইলেও সে এক ধামাকা পার্টি অথবা ঘরোয়া পরিবেশে নিজেদের পরিবারের মধ্যে জন্মদিন পালন করতে পারে। কারণ জন্মদিনে ঘরের বউ সবচেয়ে বেশি মিস করে তার পরিবার পরিজনকে আর তাই ননদের উচিত এ ধরনের আয়োজন করে তার ভাবীর মন ভালো করে দেওয়া।

ভাবীর দায়িত্ব – ননদ ভাবি সম্পর্ক অত্যন্ত সুন্দর সম্পর্ক। একজন মেয়ে শ্বশুড়বাড়ি এসে সবসময় আশা করে খুব ভালো একজন বন্ধুর। একজন ননদ তার সেই বন্ধুর চাহিদা পূরণ করতে পারে খুব সহজেই। অন্যদিকে, ননদও ভাবীকে বন্ধু, বড় বোন সর্বোপরি একজন অভিভাবক হিসেবে পেয়ে থাকে আর ভাবীর কাছে করে থাকে হয়ত অনেক অন্যায় আবদারও। আর এভাবেই যুগ যুগ ধরে ননদ ভাবি সম্পর্ক হয়ে উঠেছে এতটা সুন্দর। এবার চলুন জেনে নিই ভাবীদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় টিপস

▪ননদ যেমন ভাবীকে সম্মান করবে তেমনি ভাবীরও উচিত সবসময় ননদকে স্নেহ করা। এতে তাদের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে।

▪ননদের যদি কারো সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক থেকে থাকে ভাবীর উচিত সে বিষয়ে সবকিছু খবরাখবর নেওয়া। যদি **ছেলে** ভালো হয় ভাবীর উচিত পরিবারকে বোঝানো। যদি ছেলে খারাপ হয় তবে ভাবীর খুব যত্নের সাথে ননদকে বোঝানো উচিত।

▪ননদের কোন শারীরিক সমস্যা থেকে থাকলে ভাবীর সাথে তা শেয়ার করলে ভাবীর উচিত সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা।

▪ননদের বন্ধু বান্ধবীর সাথেও ভাবীর ভালো সম্পর্ক রাখা উচিত। ননদ কার সাথে মিশছে, তারা কতটা নির্ভরযোগ্য এসব বিষয়ে ভালো ভাবে জানতে হবে ভাবীদের।

▪বিয়ের প্রথম দিকে ভাবীদের উচিত ননদদের কাছ থেকে সবার সম্পর্কে সব খবর নেওয়া। যেমন- কে কী পছন্দ করে, কে কী খাবার ভালোবাসে ইত্যাদি। আর শুরু থেকেই যদি ভাবীরা ননদদের কাছে নির্ভরযোগ্য হতে পারে তবে ননদ ভাবি সম্পর্ক খুব সহজেই বন্ধুসুলভ করে গড়ে তোলা যায়।

▪ননদের যেমন ভাবীদের বিশেষ দিন মনে রাখা উচিত তেমনি ভাবিদেরও ননদদের বিশেষ দিন মনে রাখা কর্তব্য। ননদের জন্মদিনে তাকে বিশেষ উপহার দেওয়া, তার পছন্দের খাবার রান্না করে তাকে খুশী করা যায় খুব সহজেই।

▪ননদ যেন তার শ্বশুড় বাড়িতে মানিয়ে চলতে পারে তার জন্য শিখিয়ে পড়িয়ে নেয়ার দায় অনেকটা ভাবীদের। ভাবীরা মাঝে মাঝে সময় পেলেই বিয়ে পরবর্তী জীবন নিয়ে ননদের সাথে আলাপ আলোচনা করা উচিত এবং ননদের মাঝে যদি কোন ভীতি থেকে থাকে, ভাবীদের উচিত তা দূর করে দেয়া।

স্বামীর দায়িত্ব – স্ত্রী ও বোনের সম্পর্কের টোনাপোড়েনে অনেক সময় ভাইয়ের অবস্থান একটু নাজুক থাকে। তার পরও এ ক্ষেত্রে তাঁর বলিষ্ঠ এবং কিছুটা কৌশলী ভূমিকা ভাবি ও ননদের ইতিবাচক সম্পর্কে ভূমিকা রাখতে পারে। স্ত্রী বা বোন কারও সামনেই অপরের সম্পর্কে অকারণে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা না করা ভালো। এ ক্ষেত্রে আপনার সরল উচ্ছ্বাস যুক্তির বেড়াজাল ছাপিয়ে অন্যের মনকষ্টের কারণ হতে পারে। স্ত্রী বা বোন পরস্পর সম্পর্কে অভিযোগ করলে যথাসম্ভব প্রশ্রয় না দেওয়াই ভালো। অভিযোগে প্রভাবিত না হয়ে স্ত্রী বা বোন সম্পর্কে আপনার নিজস্ব যে বিবেচনা, সেটাই মূল্যায়ন করা উচিত। আর একজনের সামনে অন্যজনকে ঠাট্টাচ্ছলে বা দুষ্টুমি করেও হেয় করা থেকে বিরত থাকুন।

130 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

About ইমন

আমি মহা মানব নই, আমি একজন সাধারণ মানুষ। তাই আমার এপিটাফ হবে আমার মতই সাধারণ, কালের গর্ভে এটিও হারিয়ে যাবে, যেমনটা হারায় একজন সাধারণ মানুষ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন