ব্যায়াম কেন করবেন? ব্যায়াম করার উপকারিতা গুলো জানুন

ব্যায়াম কেন করবেন? ব্যায়াম করার উপকারিতা গুলো জানুন
5 (100%) 2 votes

ব্যায়াম করা শরীরের জন্য অত্যান্ত উপকারী। ব্যায়াম করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ক্রিয়ার উন্নতি হয়। রক্ত সঞ্চালনতন্ত্রের একটি নিয়ম হচ্ছে, রক্ত দেহের সেখানেই বেশি জমা হয়, যেখানে বেশি কাজ বা ক্রিয়া সাধিত হয়। রক্ত সঞ্চালনে ভারসাম্যতা রক্ষার সর্বোত্তম পন্থা হচ্ছে শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করা। বিশ্বস্ততাসহ ব্যায়াম করলে তা থেকে হৃদস্পন্দন হ্রাস পায়। অল্পদিনের মধ্যেই হৃদস্পন্দন মিনিটে ৫ স্পন্দনে নামিয়ে আনা সম্ভব। এর ফলে ঘণ্টায় ৩০০ এবং দিনে ৭ হাজারের বেশি হৃদস্পন্দন আপনি সংরক্ষণ করতে সক্ষম হবেন। এভাবে অংক কষে দেখুন এক বছরে আপনার হৃদযন্ত্র কী পরিমাণ কাজ থেকে মুক্তি পেতে পারে। ব্যায়ামের ফলে আপনার হৃদযন্ত্রের আয়ু বৃদ্ধি পেতে বাধ্য।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

ব্যায়াম

কখন ব্যায়াম করবেন

আমরা ব্যায়াম করে থাকি আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য। তবে ব্যায়ামের ব্যাপারে অনেকের অনেক রকম মতামত আছে বা থাকে। তবে আপনি যাই করুন না কেনো আপনার প্রতিদিনের রুটিনের কথা মাথায় রেখে ব্যায়াম করার সময় নির্বাচন করুন। একেকদিন একেক সময় ব্যায়াম না করে যেকোনো একটি নিদৃষ্ট সময়ে ব্যায়াম করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। আর ব্যায়ামের সময়ের উপর নির্ভর করেই কি ধরনের ব্যায়াম আপনার জন্য উপযুক্ত তা নির্বাচন করুন। ব্যায়ামের সময় ও ধরনের উপর ভিত্তি করে তৈরি করতে হবে ফিটনেট প্ল্যানিং ও খাবার তালিকা। কারণ ব্যায়ামের সময়ের সাথে খাওয়ার সঠিক ভারসাম্য না থাকলে সুফল পাওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী দিনের তিনটা ভাগ হতে একটা নির্দৃষ্ট সময়কে ব্যায়ামের জন্য বেছে নিতে পারেন। আসুন দেখে নেই কোন সময় কি ধরনের ব্যায়ামের জন্য উপযোগী।

ভোরবেলা – ব্যায়াম করার সময়ে শরীরে যথেষ্ট পজিটিভ এনার্জি থাকতে হয় এবং মনঃসংযোগ করতে হয়। তাই ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠেই ব্যায়াম করা ঠিক নয়। ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অন্তত ৩ ঘণ্টা সময় দিন। সময়ের অভাবে ঘুম থেকে ওঠার আধঘণ্টার মধ্যে শরীরচর্চা করতে হলে হালকা জগিং করে শরীরকে ব্যায়ামের জন্য প্রস্তুত করে নিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ভোরবেলা ব্যায়ামের ক্ষেত্রে সঠিক ভাবে ওয়ার্ম আপ করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যাপারে কৌতুহল বা জানার কিছু থাকলে ফিটনেস এক্সপার্টের সঙ্গে আলোচনা করে নিন। আর অবশ্যই ভোরবেলা এক্সারসাইজ করার পরিকল্পনা থাকলে আগের দিন অবশ্যই সঠিক সময়ে ঘুমাতে যান কারণ পর্যাপ্ত ঘুম আপনার শরীরের জন্যই দরকার।

দিনের বেলা – ঘুম থেকে ওঠার পরবর্তী ৬ ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টার মাঝামাঝি সময়টি ব্যায়ামের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। আপনি সকাল ৭টায় ঘুম থেকে উঠলে বেলা ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে যেকোনো সময় ব্যায়াম করতে পারেন। প্রতিদিন দুই ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় ভারী ব্যায়াম করার পরিকল্পনা থাকলে অবশ্যই দিনের বেলার কোনো সময় বেছে নিন। দুপুরের খাবারের পর ব্যায়াম করলে ঠিক কতক্ষণ পর করবেন তা অবশ্যই ফিটনেস এক্সপার্টের সাথে কথা বলে ঠিক করে নিন।

সন্ধ্যাবেলা – কাজ থেকে ফিরে সন্ধ্যাবেলা ব্যায়াম করতে পারেন। আর ব্যায়ামের শুরুতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্রাম নিন যাতে শরীরচর্চা করার সময় আপনার শরীরে কোনো রকম ক্লান্তিভাব না থাকে। সন্ধ্যাবেলা শরীরচর্চার ক্ষেত্রে যোগ ব্যায়াম বেশি উপযুক্ত এছাড়া ট্রেডমিল, সাইক্লিং বা টুইস্টিং ধরনের ব্যায়াম করতে পারেন। ব্যায়াম শেষে অন্তত ১৫ মিনিট মেডিটেশন করুন। আর একটা ব্যাপার সব সময় মাথায় রাখবেন ব্যায়ামের করার পর-পরই শরীরের তাপমাত্রা এবং হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এতে শরীরের উষ্ণতা বাড়ে এবং শান্তভাব চলে যায়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে কখনোই ব্যায়াম করা ঠিক নয়।

কিভাবে ব্যায়াম করবেন

নিজেকে ফিট রাখার কথা মনে মনে হলেও ভাবছেন নিশ্চয়ই? এখন থেকে প্রতিদিন হাঁটার প্রতিজ্ঞাও করলেন। কিন্তু শরীর চর্চা করতে গিয়ে যদি ব্যথায় ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তাহলে উপায় কী?
যতই দিন যাচ্ছে ততই চেহারা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আয়নার সামনে নিজেকে দেখতে ভাল লাগছে না। ভাল লাগার জন্য কিছু একটা করা প্রয়োজন। এবার তাহলে কিছু একটা করুন। যোগ করবেন না ব্যায়াম করবেন? জিমে যাবেন নাকি বাড়িতেই আপাতত ফ্রি হ্যান্ড? যাই করুন না কেন, দীর্ঘদিন বিশ্রামে থাকার পর শরীরের কসরত করলে পেশির ক্লান্তি হয়। যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হয়ে থাকে। তবে এতে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখুন। প্রথম দিন অতি অল্প করে ব্যামায় করুন। তার পরের দিনগুলি থেকে ধীরে ধীরে তা বাড়িয়ে দিন। এতে শরীরে ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা কম। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনও কিছুই ভাল নয়। ব্যামায় তো নয় ই। কথায় আছে, অতিরিক্ত ব্যামায় স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। একটানা ওয়ার্কআউট একদমই উচিত নয়। নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর পেশীকে বিশ্রাম দিন। ওয়ার্ক আউট শুরুর আগে অবশ্যই ওয়ার্ম আপ। হাত, পা, কোমর স্ট্রেচ করে নিন। এতে ব্যামায় করার সময় এক সঙ্গে শরীরের ওপর বেশি চাপ পড়ে না। ব্যামায় করলে ঘাড়ে বা কোমরে টান পড়তে পারে। এমন হলে, কয়েক দিনের জন্য এক্সারসাইজ কমিয়ে দিন অথবা তা বন্ধ রাখুন।

ব্যায়াম করার উপকারিতা

মাত্র ১৫ মিনিটের নিয়মিত ব্যায়াম আপনার জীবনে সফলতা নিয়ে আসবে। প্রতিদিন কিছুটা সময় ব্যায়াম করে আমরা দেহকে রাখতে পারি অনেক মারাত্মক রোগ থেকে মুক্ত। চলুন তবে দেখে নিই প্রতিদিন ব্যায়ামের ফলে কিভাবে আমরা দেহকে রাখতে পারি সুস্থ।

কমিয়ে আনে মৃত্যু ঝুঁকি – প্রতিদিন যারা মাত্র ১৫ মিনিট ব্যায়াম করন, অন্যদের তুলনায় তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস না। কমিয়ে আনে ডায়াবেটিস হওয়ার আশংকা। সুতরাং ব্যায়ামের জন্য ১৫ মিনিট **সময়** বরাদ্দ রাখুন।

দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগ থেকে দূরে রাখে – আপনি কি হৃদরোগ নিয়ে শঙ্কিত? কিংবা অস্থির ক্ষয়জনিত রোগ অস্টিওপরোসিস রোগ প্রতিরোধে কি আশাবাদী? তাহলে ব্যয়ামই হতে পারে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার একমাত্র চাবিকাঠি। নিয়মিত ও পরিণিত শারীরিক ব্যয়াম কমিয়ে রাখে রক্তচাপ। প্রতিরোধ করে উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা। রক্তে কমিয়ে দেয় মাবব দেহের জন্য ক্ষতিকর চর্বি জাতীয় পদার্থ ট্রাইগ্লাইসেরইড ও হলো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা। বাড়িয়ে রাখে মানব দেহের জন্য উপকারী হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন নামক কোলোস্টরলের মাত্রা। এই দুই ক্রিয়ার মিলিত প্রভাব মানব রক্তনালীর প্রাচীরে চর্বি অবাঞ্ছিত জমাটবদ্ধতা জনিত সমস্যা এথেরোমা তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করে। নিশ্চিত করে মানব রক্তনালী দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন ও সুষম রক্ত প্রবাহ। এ ছাড়াও নিয়মিত ব্যয়ামের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যেতে পারে ডায়াবেটিস, অস্টিওপরোসিস, স্তন ক্যান্সার, অন্ত্রেও ক্যান্সারসহ আরো নানা প্রকার মারাত্মক রোগ।

ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়িয়ে তোলে – নিয়মিত ১৫ মিনিট যারা ব্যয়াম করেন, তাদের ফুসফুসের কার্যকারিতা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশী। তারা ফুসফুসের বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে অন্যদের চেয়ে বেশী সুরক্ষা পেয়ে থাকে।

নিশ্চিত করবে দেহের সঠিক ওজন – আপনি কি মেদভুঁড়ি কী করি- এ জাতীয় সমস্যায় ভুগছেন? কিংবা শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে ইচ্ছুক? তবে অবসর কিংবা দিবানিদ্রার কিছুটা সময় ব্যয়িত হোক না ব্যায়ামের পিছনে। তা ছাড়া শুধু ব্যায়াম কেন, যেকোনো শারীরিক পরিশ্রম মানেই অতিরিক্ত ক্যালরি তথা শক্তি ক্ষয়। যার শেষ পরিণতি ওজন হ্রাস। কাজেই যত গতিশীল কাজের গতি তত দ্রুত ওজন হ্রাস। বিনিময়ে দেহের ওজন সঠিক রাখার নিশ্চয়তা। এর জন্য আপনাকে নিয়মিত কোনো ব্যায়ামাগারে ব্যায়াম করতে হবে, এমন কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই, বরং বহুতল ভবনে ওঠার ক্ষেত্রে লিফট ব্যবহারের পরিবর্তে নিয়মিত সিঁড়ি ব্যবহার করুন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে দিবানিদ্রার পরিবর্তে কিছুটা সময় হোক না হাঁটার। কুলি-মজুরের পরিবর্তে প্রয়োজনে নিজেই বহন করুন না নিজের বোঝা। টিভি বন্ধ কিংবা চালু করার সময় রিমোট কন্ট্রোল ব্যবহারের পরিবর্তে নিজেই উঠে গিয়ে তা করুন। আর এসব ছোট ছোট কাজই আপনার ভুরি কমানোর উপায় হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

বিষণ্নতা থেকে মুক্তি  – রোজ সকালে মাত্র ১৫ মিনিট ব্যায়াম মন মেজাজ রাখে দারুণ চনমনে। ফলে দেহের উপরেই কেবল নয় , মনের উপরেও দারুণ প্রভাব পরে। বিষণ্নতা থেকে মনকে দূরে রাখে।

যৌন জীবনের উন্নতি ঘটায় – আপনি কি হারানো যৌবন নিয়ে চিন্তিত? কিংবা মোটসোটা আলু থালু দেহকে অপরের অন্তরঙ্গ সান্নিধ্যে আসার প্রধান বাধা হিসেবে মনে করেন কি? তাহলে ব্যয়ামই এই বিপদ থেকে মুক্তির শেষ ভরসা। কেননা দৈনিক পরিমিত ব্যয়ামে আপনার দেহের বাড়তি ওজন হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি আপনি হয়ে উঠবেন আরো নিটোল সুগঠিত আর যৌন আবেদনময়ী যা আপনার যৌন জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এক গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত শারীরিক ব্যয়াম মহিলাদের যৌন উত্তেজনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সেই সাথে দূর করে পুরুষদের যৌন উত্তেজনার সময় পুরুষাঙ্গের ঋজু না হওয়ার নানা সমস্যা (যা ইরেকটাইল ডিসফাংশন নামে পরিচিত)। কাজেই নিয়মিত শারীরিক ব্যয়াম যৌন সমস্যা দূর করে এবং চির যৌবন প্রাপ্তির এক গুরুত্বপূর্ণ মহৌষধ হিসাবে কাজ করে।

ভালো ঘুমের কারণ – সারাদিন ঘুম ঘুম ভাবের কারণে ঠিক ঠাক কাজ করতে না পারার মত বিরক্তিকর কিছুই নেই। নিয়মিত ব্যায়াম রাতের ঘুম ভালো করতে কাজ করে ম্যাজিকের মত।

ধৈর্যশক্তি বাড়িয়ে দেয় – নিয়মিত ব্যায়াম একদিকে যেমন মাসল শক্তিশালী করে, তেমনি ধৈর্যশক্তি বাড়িয়ে দেয়। ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম শ্বাস-প্রশ্বাসে সহযোগিতা করে।

ব্যায়ামে করার আগে ও পরের খাদ্য তালিকা যেমন হওয়া উচিত

যারা জিম করেন অথবা ব্যায়াম করেন তাদের কিছু জিনিসে আয়ত্তে রাখা খুব জরুরি। জিমের ট্রেইনার ব্যায়াম সম্পর্কে কিছু সাধারণ বিষয় শিখিয়ে দিলেও যারা বাসায় ব্যায়াম করেন, তাদের এ বেসিক নিয়ম জানা থাকা ভালো। এসব নিয়মের মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে ব্যায়ামের আগে ও পরে খাবারের রুটিন। কেননা ব্যায়ামের আগে-পরে যথাযথ খাবার গ্রহণ না করলে নিজেকে দেখতে আরও খারাপ লাগবে। আসুন এ বিষয়ে কিছু টিপস জেনে নেই-

ব্যায়ামের আগে – ব্যায়াম করার এক ঘণ্টা আগে কাবোর্হাইড্রেট জাতীয় খাবার খেতে হবে। ব্যায়ামের আগে ফল খেতে পারেন। এর পাশাপাশি টোস্ট, কর্নফ্লাকস এগুলোও খেতে পারেন। এ ছাড়া জটিল কার্বোহাইড্রেট হিসেবে কলা খেতে পারেন। এই খাবারগুলো হজম হতে কম সময় লাগে এবং ব্যায়ামের আগে শরীরে শক্তি জোগাবে। এ ছাড়া ব্যায়ামের আগে অবশ্যই এক গ্লাস পানি পান করে নেবেন। এর ফলে শরীর ভালোভাবে আর্দ্র থাকবে। ডায়াবেটিক হলে ভারি খাবারের পর ব্যায়াম করা প্রয়োজন। তবে সাধারণ লোকের জন্য ভারি খাবারের দুই তিন ঘণ্টা পর ব্যায়াম করলে ভালো হয়। এতে দেহের শর্করার মাত্রা ঠিক থাকে। কখনোই খালি পেটে ব্যায়াম করবেন না। ব্যায়ামের ফলে যে চাপ পড়বে সেটি শরীরের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে। যার ফলে হাইপোগ্লেসিমিয়া হয়ে শরীর অবসন্ন হয়ে যেতে পারে। তাই কখনোই খালি পেটে ব্যায়াম করতে যাবেন না।

ব্যায়ামের পরে – ব্যায়ামের পর শরীরের করটিসলের (এটি এক ধরনের ধ্বংসাত্মক হরমোন) মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই এই অবস্থা প্রতিরোধে যত দ্রুত সম্ভব খাবার খান। শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে ব্যায়ামের পর পানি পান করুন। আর পেশি বাড়াতে উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন। এর জন্য অনেকে প্রোটিনের সাপ্লিমেন্ট খেয়ে থাকেন। তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি কলা এবং আপেল একসঙ্গে ব্লেন্ড করে খেতে পারেন। এটা প্রোটিন এবং কাবোর্হাইড্রেট দুটোরই চাহিদা পূরণ করবে। দেহের শক্তির জন্য প্রোটিনের প্রয়োজন আছে। তবে প্রোটিন হজম করা একটু কঠিন; এটি কিডনিতে চাপ ফেলে। তাই প্রোটিনের পাশাপাশি আঁশ জাতীয় খাবার এবং সবুজ শাকসবজি খান।

221 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন