বাবা দিবস নিয়ে কিছু কথা। বাবার তুলনা শুধুই বাবা

বাবা দিবস নিয়ে কিছু কথা। বাবার তুলনা শুধুই বাবা
5 (100%) 2 votes

বাবা দিবস ১৯ জুন। সারা বিশ্বের অনেক সন্তানরা পালন করেন বাবা দিবস। বিশ্বের প্রায় দেশই জুন মাসের তৃতীয় রোববার বাবা দিবস পালন করে আসছে। আমাদের দেশে বাবা দিবস পালন করার ধারণা খুব পুরানো না হলেও এখন অন্যান্য দিবসের সাথে পালন করা হয়।  বস্তুত বাবার মাধ্যমেই সন্তানের জীবনের শুরু। কোন সন্তান বাবার ঋণ কখনো পরিশোধ করতে পারে না। কঠোর শাসন, কোমল ভালোবাসা আর ত্যাগে অগ্রগামী যিনি, তিনিই তো বাবা। বাবারা যে কোনো ধরনের দুঃখ-কষ্ট অকাতরে সহ্য করেন। সবসময় চেষ্টা করেন সামান্য কষ্ট যেন সন্তানকে স্পর্শ না করে। সন্তানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভেবে সারাজীবন অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। তারপরও বাবাদের সঙ্গে আমাদের সমাজের অনেকেই খারাপ আচরণ করে থাকেন। এটা ধর্ম এবং কুরআন, হাদীস ও  ইসলাম বিরুদ্ধ কাজ। এ কাজের প্রতি স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা এসেছে শরীয়তে-ইসলামে। বাবা শুধু একজন মানুষ নন, স্রেফ একটি সম্পর্কের নাম নয়। বাবার মাঝে জড়িয়ে আছে বিশালত্বের এক অদ্ভুত মায়াবী প্রকাশ। বাবা নামটা উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে কোনো বয়সী সন্তানের হূদয়ে শ্রদ্ধা কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার এক অনুভব জাগে মানুষটি কতভাবে অবদান রেখে যান সন্তানের জন্য, যার চুলচেরা হিসাব করে কেউ বের করতে পারবেন না। তাই শুধু বাবা দিবস নয় বছরের প্রতিটি দিন বাবার প্রতি ভালবাসা থাকতে হবে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

বাবা দিবস

সম্পর্কের এক মধুর নাম বাবা

বাবার কাঁধটা কি অন্য সবার চেয়ে বেশি চওড়া? তা না হলে কি করে সমাজ সংসারের এতো দায়ভার অবলীলায় বয়ে বেড়ান বাবা। বাবার পা কি অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত চলে? নইলে এতোটা পথ এতো অল্প সময়ে কি করে এতো শক্ত করে সব কিছু আগলে রাখেন বাবা। আর বাবার ছায়া …?
সেটাও শেষ বিকেলের বটগাছের ছায়ার চাইতেও বড়। বড় যদি না হবে তবে জীবনের এতো উত্তাপ থেকে কি করে সন্তানকে সামলে রাখেন বাবা আর বাবার চোখ? সেটাও কি দেখতে পায় কল্পনার অতীত কোনো দূরত্ব। তা না হলে কি করে সন্তানের ভবিষ্যত ভাবনায় শঙ্কিত হন বাবা। সত্যি বলতে কি বাবাকে নিয়ে আমরা কেউই এমন করে কখনও ভাবি না। শুধু আমাদের বাবা, শত সাধারণের মাঝেও অসাধারণ হয়ে ওঠা আমাদের জনক, আমাদের অকাতরে ভালোবেসে যান তার সামর্থ্যের শেষ বিন্দুটুকু দিয়ে। উজাড় করে দেন তার সবকিছুই শুধু তার সন্তানের জন্য। তার যা কিছু আছে নিজের জন্য আর অবশিষ্ট রাখেন না কোনোভাবেই। সবকিছু উজাড় করে দেয়ার পরও তাকে কোনোভাবে নিঃস্ব বলে মনে হয় না। মনে হয় তিনি যেন পরম তৃপ্তিতে আরও পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। বরং শ্রমে ঘামে স্নেহে সন্তানকে তিলে তিলে বড় করে তুলতে সচেষ্ট বাবা মহান সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্যেও ফরিয়াদ জানান তার সন্তানের মঙ্গলের জন্য। আর বাবার সেই আহ্বান হয়ত গর্বিত করে তোলে অন্তর্যামীকেও। মনে রাখবেন, সন্তান যত বড়ই হোক না কেন তার অভিমান আর অবহেলার পরিমাণ যত বিশালই হোক বাবার স্নেহ সবসময় তার জন্য এক পরম আশ্রয়। বেঁচে থাকার আনন্দে, কষ্টের তীব্রতায়, কঠিন সমস্যায় বাবাই হয়ে ওঠেন বিপদের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বন্ধু বা সহায়। অন্যদিকে সন্তান হিসেবে আপনাকে ভাবতে হবে বাবার কথা। তার আবেগ অনুভূতি আর পরিণত বয়সের চাওয়া পাওয়াগুলোর দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে। যে বয়সে স্কুল-কলেজে নতুন নতুন বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে সময়গুলো বেশ জমে উঠেছে সে সময়টাতে ভুলে যাওয়া চলবে না পুরনো বন্ধুকে। বরং পুরনো দিনের কথা মনে রেখে নিজের জীবনের এই খোলস ছাড়াবার মুহূর্তে যদি বাবাকেও সঙ্গী হিসেবে নেয়া যায় তাহলে বরং চেনা বন্ধুরাও নতুন রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে জীবনের কঠিন পথে হোঁচট খাওয়ার ঝুঁকিটা কমে। আবার যারা পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে দিব্যি কর্মজীবনে প্রবেশ করেছেন আয়-উপার্জন শুরু করেছেন তাদেরকেও সময় করে ভাবতে হবে বাবার কথা। অফিসের ব্যস্ততা আর নানা ঝামেলার মাত্রাটা যতই সীমা ছাড়িয়ে যাক না কেন বাড়িতে ফিরে যাবার সঙ্গে সঙ্গে কয়েক মিনিটের জন্য হলেও তার পাশে বসতে হবে গল্পের ঝুড়ি নিয়ে। শুধু বাবা দিবস **উপলখে** বাবাকে ভালোবাসলেই হবে না। ভালোবাসা থাকতে হবে প্রতি মূহর্তে।

যেভাবে এসেছে বাবা দিবস

এনসাইক্লোপেডিয়া জানাচ্ছে, জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বের প্রায় ৭৪টি দেশে বাবা দিবস উদযাপিত হয়। বাবার প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা জানানোর জন্যই এই বাবা দিবস। যদিও বাবার প্রতি সন্তানের সে চিরন্তন ভালোবাসার প্রকাশ প্রতিদিনই ঘটে। তার পরও পৃথিবীর মানুষ বছরের একটা দিনকে বাবার জন্য রেখে দিতে চায়। যেমনটা মায়ের জন্য করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাবা দিবসের প্রচলন। ইংরেজিতে ফাদার বা ড্যাড, জার্মানিতে ফ্যাটা, বাংলায় বাবা কিংবা ভারতীয়দের ভাষায় পিতাজি- যে নামেই ডাকুন না কেন পিতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা একই প্রকাশ পায়।

জানা যায়, বাবা দিবসের প্রচলন বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই। ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই প্রথম বাবা দিবস পালিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় প্রথম এ দিবসটি পালন করা হয়। আবার সনোরা স্মাট ডড নামে ওয়াশিংটনে এক নারীর মাথাতেও বাবা দিবসের আইডিয়া আসে।
যদিও তিনি ১৯০৯ সালে ভার্জিনিয়ার বাবা দিবসের কথা একেবারেই জানতেন না। ডড এই আইডিয়াটা পান গির্জায় এক পুরোহিতের বক্তব্য থেকে, সেই পুরোহিত আবার মাকে নিয়ে অনেক ভালো কথা বলেছিলেন। তার মনে হয়েছিল মায়ের পাশাপাশি বাবাদের নিয়ে কিছু করা দরকার। ডড আবার তার বাবাকে খুব ভালোবাসতেন। তিনি সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগেই পরের বছর ১৯১০ সালের ১৯ জুন বাবা দিবস পালন শুরু করেন। ১৯১৩ সালে আমেরিকার সংসদে বাবা দিবসে ছুটি ঘোষণার জন্য একটি বিল উত্থাপন করা হয়। ১৯২৪ সালে সে সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ বিলটিতে পূর্ণ সমর্থন দেন। পরে ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বাবা দিবস এর ছুটি ঘোষণা করেন।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশেও বাবা দিবস বেশ ঘটা করে পালিত হচ্ছে। উপহারের দোকানে ভিড় হচ্ছে, টেলিভিশন এবং বেতারে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারিত হচ্ছে, সংবাদপত্রে বিশেষ লেখা ছাপা হচ্ছে। বাবার স্মৃতি এবং বাবাকে নিয়ে বিভিন্ন অনুভূতির কথা লিখছেন পাঠকরাও; বাবা দিবসে পাঠকের সে লেখাগুলো নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা বিশেষ সংখ্যা বের করছে। ইদানীং সবদেশেই বাবা দিবস উদযাপনের চিত্র অনেকটা একই রকম। বাবা দিবসে ছেলে-মেয়েরা বাবাকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠায়, শুভেচ্ছা কার্ড, ফুল, মগ, টাই, টি শার্টসহ বিভিন্ন ধরনের স্মারক উপহার দেয়।

বাবার জন্য এক দিনের ভালোবাসা নয়; বরং বছরের ৩৬৫টি দিনই ভালোবাসা ও ভালোলাগার জন্য হওয়া উচিত। ইসলামে সন্তান প্রতিপালনকে যেমন বাবা-মায়ের ওপর সন্তানের হক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তেমনি বাবা-মায়ের সেবা এবং তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনকে বাবা-মায়ের হক বা অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটা নির্দিষ্ট কোন সময়, নির্দিষ্ট কোন দিন বা বছরে সীমাবদ্ধ নয়।
পবিত্র কুরআনের সূরা নিসার ৩৬ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করা হয়েছে, “আল্লাহর ইবাদাত কর, কোন কিছুতে তার শরিক কর না এবং মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার কর।” মাতা-পিতার প্রতি সন্তানের আচরণ কেমন হবে সে সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের সূরা বনি ইসরাইলের ২৩ ও ২৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করা হয়েছে, ‘‘তাদের কেউ অথবা উভয়ই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হন তাদের সঙ্গে সুআচরণ কর এবং কখনো ওহ শব্দটিও উচ্চারণ কর না। তাদের সঙ্গে নম্রভাবে কথা বল এবং বল, হে আল্লাহ! তাদের উভয়ের প্রতি রহম কর, যেমন করে আমাকে তারা  শৈশবে লালনপালন করেছেন।”

সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘আমি নবী করিমকে (সা.) জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় কাজ কোনটি? তিনি বললেন- সময় মতো সালাত আদয় করা। আমি বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, পিতা-মাতার সঙ্গে উত্তম আচরণ করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। [বুখারি ও মুসলিম]

এই হাদীস থেকে জানা যায়, আল্লাহর তিনটি অতি প্রিয় কাজের মধ্যে একটি হলো বাবা-মা’র সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা। অন্য আরেক হাদীসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘‘মানুষ যখন মারা যায়, তখন তার আমল বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমল যোগ হতে থাকে- ১. সদকায়ে জারিয়া, ২. কল্যাণময় শিক্ষা ও ৩. এমন সৎ সন্তান- যে মৃত পিতা-মাতার জন্য দু‘আ করে।’’ [মুসলিম]

বাবা দিবস পালনের উদ্দেশ্য

বাবার জন্য সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য বিশেষ কোনো দিনের প্রয়োজন নেই। সীমাবদ্ধ বলয়ে বাবার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাকে আবদ্ধ করা সম্ভব নয়। বাবা দিবস মূলত অতিরিক্ত ভালবাসা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন। যদিও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসার অবিরাম ধারা বয়ে চলে বছরের প্রতিটি দিন। জীবনের ঘানি টানতে টানতে বাবা এক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়েন, বয়সের ভারে বার্ধক্য তাকে গ্রাস করে। তখন তিনি হয়ে পড়েন অনেকটা অসহায়, দুর্বল। রোগব্যাধি তাকে আরও বিপর্যস্ত করে তোলে। এ সময় বাবা চান সন্তান যেন তার পাশে থাকে। সব সময় যেমন তিনি ছিলেন সন্তানের পাশে তার সব প্রয়োজনে পাশে, যখন সন্তান ছিল শিশু অবস্থা। সন্তানের কাছ থেকে অবহেলা কিংবা দুর্ব্যবহার পেলে বাবার হূদয় ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। প্রতিবছর জুনের তৃতীয় রবিবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাবা দিবস পালিত হয়। আমাদের দেশেও আজকাল বেশ ঘটা করেই বাবা দিবস পালিত হয়ে থাকে। বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য দিনটি বিশেষ ভাবে উতসর্গ করা হয়ে থাকে। যদিও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য দিনটি বিশেষভাবে উদযাপনের প্রয়োজন হয় না। তার পরেও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশে এখন বাবা দিবস পালন করা হয়। তাই বলে এ ধরনের দিবসগুলো যে একেবারেই অপ্রয়োজনীয় তা কিন্তু বলা যাবে না। সন্তানের জন্য বাবার ভালোবাসা সীমাহীন। নিজের সন্তানের জন্য মোগল সম্রাট বাবরের ভালোবাসার উদাহরণ ইতিহাস হয়ে আছে। সম্রাট বাবর নিজের সন্তান হুমায়ূনের জন্য নিজের জীবন উত্সর্গ করতে প্রস্তুত ছিলেন। এমন স্বার্থহীন যার ভালোবাসা সেই বাবাকে সন্তানের খুশির জন্য জীবনের অনেক কিছুই ত্যাগ করতে হয়। বাবা দিবসের প্রাক্কালে সন্তানের সামনে সুযোগ আসে বাবাকে অন্তরের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা জানানোর। আমাদের সবার উচিত বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া। তারা বৃদ্ধ বয়সে যাতে কোনোভাবে অবহেলার শিকার না হন সেদিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে। অনেক সন্তান রয়েছে, যারা মা-বাবার দেখাশোনার প্রতি খুব একটা মনোযোগী নয়। মা দিবস বা বাবা দিবস তাদের চোখের সামনের পর্দাটি খুলে ফেলে বাবা-মায়ের প্রতি তার দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক বন্ধনকে আরও অনেক সুদৃঢ় করতে বাবা দিবসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আমাদের পারিবারিক জীবনে এবং সমাজে বাবার যে গুরুত্ব তা আলাদা ভাবে তুলে ধরতেই বাবা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।

পরিশেষে – গ্রিক কবি হোমারের একটি কথা এ ক্ষেত্রে স্মরণ করতে হয়। তিনি বলেছিলেন, সেই জ্ঞানী বাবা যে তার সন্তানকে জানেন। যাদের বাবা রয়েছেন কাছে কিংবা দূরে তাদেরকে বাবা দিবসের প্রাক্কালে বিশেষভাবে সম্মান জানানো হলে তারা নিশ্চয়ই খুশি হবেন। আর যাদের বাবা নেই, এর মধ্যেই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন, তাদের স্মরণ করুন শ্রদ্ধাভরে, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে সৃষ্টিকর্তার কাছে বিশেষভাবে প্রার্থনা করুন। এ কথা সবাইকে অবশ্যই মানতে হবে, মানবজীবনে বাবার অবদান এবং গুরুত্ব অপরিসীম। তাই এবারের বাবা দিবসে নিজেদের বাবাকে পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি, সব কিছুর ঊর্ধ্বে তাকে স্থান দিই। আমাদের আচরণ যেন কোনোভাবেই তার মনে আঘাত করতে না পারে সেদিকে বিশেষ ভাবে মনোযোগী হতে হবে সবাইকে।

127 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন