ফেসিয়াল করার নিয়ম গুলো জেনে নিন

ফেসিয়াল করার নিয়ম গুলো জেনে নিন
5 (100%) 1 vote

ফেসিয়াল করার নিয়ম জানা থাকলে ছেলেরা এবং মেয়েরা উভয়েই ঘড়ে বসেই ফেসিয়াল করতে পারবেন। ফেসিয়াল করার নিয়ম জানা থাকলে সহজেই নিজের ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন। ত্বকের সতেজতায় ফেসিয়াল এর কোনও জুড়ি নেই। ফেসিয়াল করার জন্য আমরা কত কেমিক্যাল ইউজ করে থাকি যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক ক্ষতিকারক। ফ্রুট ফেসিয়ালের সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে অন্য সব ফেসিয়ালের চেয়ে অনেক কম সময়ে করা যায় এবং এর কোন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। গরমে বাইরে বের হলে ধুলাবালি, রোদের তাপ, কালো ধোঁয়া ইত্যাদি মিলে ত্বককে অনেক মলিন করে তোলে। ফলে বাসায় ফিরে মুখ ধোয়ার পর যত কিছুই ব্যবহার করা হোক না কেনো চেহারায় সেই সজীব ভাবটা আর থাকে না। বিশেষ করে এই গরমে কোন পার্টি বা বিয়ের আগে যদি চেহারার এমন নিষ্প্রাণ অবস্থা হয় তাহলে কিছুতেই সেই সব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছে করে না। আবার প্রতিদিনের এই ব্যস্ততম জীবনের ভীড়ে হয়ত পার্লারে গিয়ে নিয়মিত ফেসিয়াল করাও হয়ে উঠে না। কিন্তু তাই বলে তো আর ঘরে বসে থাকা চলে না। কিন্তু চাইলে এই সময় আপনি বাসায় বসে মৌসুমি ফল দিয়ে ফেসিয়াল করে ত্বকের লাবণ্য ও সজীবতা ফিরিয়ে আনতে পারেন। তাহলে এবার জেনে নিন ফ্রুট ফেসিয়াল করার নিয়ম গুলো।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

ফেসিয়াল করার নিয়ম

ফ্রুট ফেসিয়াল করার নিয়ম

আপনাকে যা যা করতে হবে – ফ্রুট ফেসিয়াল করার নিয়ম হিসাবে প্রথমেই আপনি আপনার ত্বকের জন্য মানানসই কিছু ফল পছন্দ করতে পারেন। তবে কিছু কিছু ফল আছে যা সব ধরনের ত্বকেই বেশ মানিয়ে যায় যেমন – তরমুজ, স্ট্রবেরী, পাকা পেপে, কলা, শসা ইত্যাদি। তাই প্রথমে যেকোনো ভালো মানের ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এরপর টোনার অথবা গোলাপ জলে তুলা ভিজিয়ে মুখের ময়লা পরিষ্কার করে নিতে হবে। এবার একটি বড় পাত্রে কুসুম গরম পানি নিয়ে এতে এক টুকরো লেবু চিপে নিন। এবার একটা বড় তোয়ালে দিয়ে মাথা মুড়িয়ে ঐ পানি থেকে ভাপ নিতে হবে যাতে করে মুখের পোর গুলো খুলে যায়। এভাবে ১ মিনিট করে সম্পুর্ন ১০ মিনিট ভাপ নিয়ে একটু বিরতি দিয়ে হালকা স্কারব দিয়ে ঘষে মুখ ধুয়ে নিচের যেকোনো একটি ফ্রুট ফেস প্যাক লাগিয়ে নিন। সাধারণত ফ্রুট ফেসিয়াল করার নিয়ম সপ্তাহে ১ দিন। আপনি চাইলে মাস্ক আগে বানিয়ে ফ্রীজে রেখে দিতে পারেন। ফ্রুট মাস্কগুলো ফ্রীজে এক সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে। তাহলে এবার দেখে নিন ফ্রুট ফেসিয়াল করার নিয়ম ।

টমেটোর মাস্ক – এই মাস্কটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। বিশেষ করে যাদের ত্বকে রোদে পোড়া দাগ আছে তারা এটি ব্যাবহার করতে পারেন। একটা পাকা টমেটো কেটে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এবার এর জেলোটা দিয়ে প্রথমে মুখ ঘষে নিতে হবে। এরপর ব্লেন্ড করা অংশটা মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের মৃত কোষ গুলো বের হয়ে যায় এবং ত্বক অনেক উজ্জ্বল হয়।

আপেলের মাস্ক – এমনিতেই আপেলের উপকারিতা অনেক। আপেলের এই মাস্কটি সব ধরনের স্কিনের জন্য অনেক ভালো হয়। প্রথমে অর্ধেক গ্রীণ আপেল কেটে নিন। এবার এর সাথে ১ চামুচ মধু, ১ টি ডিমের কুসুম ও ২ ফোটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন যতক্ষন পর্যন্ত না এটি ফোমি হয়ে যায়। এবার এটি চোখের চারপাশ বাদে সম্পুর্ন মুখে লাগিয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। আরপর কুসুম গরম পানিতে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। এতে মাত্র কয়েক দিনেই আপনার মুখের সজীবতা ফিরে আসবে।

স্ট্রবেরীর মাস্ক – এই ফলটি সারা বছর কম বেশী পাওয়া যায়। এটি খেতেও যেমন সুস্বাদু তেমনি রূপচর্চায়ও এর বিশেষ ভূমিকা আছে। ২ টা স্ট্রবেরী ভালোভাবে পেষ্ট করে নিন। এবার এটি সম্পূর্ন মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার কুমুম গরম পানি দিয়ে আলতো করে ঘষে মুখ ধুয়ে নিন।

কলার মাস্ক – একটা পাকা কলা ভালোভাবে পেষ্ট করে নিন। এবার এর সাথে ১ চামুচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে তার উপর নরম পাতলা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর মাস্ক টি শুকিয়ে গেলে হাত দিয়ে আলতো করে টেনে তুলে নিন। এবার ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে আয়নার নিজের চেহারার পার্থক্যটা অনুভব করুন।

পাকা আমের মাস্ক – যাদের ত্বক অনেক সেন্সিটিভ তাদের জন্য পাকা আম অনেক উপকারী একটা উপকরন। একটা পাকা আম ভালোভাবে চটকে মুখে লাগিয়ে নিন। এবার ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।

তরমুজের মাস্ক – এক কাপ তরমুজ নিয়ে এটি চামুচ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর সাথে আধা চামুচ মধু মিশিয়ে আবার ফেটে নিন। আবার এটি আপনার সম্পুর্ন মুখে লাগিয়ে নিন। যদি মিশ্রণটি খুব বেশী পাতলা হইয়ে যায় তাহলে এর উপর একটি পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন। এবার ২০ মিনিট পর কাপড়টি আলতো করে টেলে তুলে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।।

যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন

▪মেয়েরা ফেসিয়াল করার আগে একটু বড় গলার জামা ব্যবহার করুন। মাথার চুল আঁচড়ে পেছন দিকে ভালো করে বেঁধে ফেলুন, যাতে মুখ বা কপালের ওপর এসে না পড়ে। সাবান দিয়ে ভালো করে দুহাত ধুয়ে নিন। অল্প পরিমাণে লোশন নিয়ে মুখমণ্ডল, গলা ও ঘাড়ে ম্যাসাজ করতে থাকুন। ক্লিনজিং করার পরই ফ্রেশনিং করবেন। তুলা পানিতে ভিজিয়ে বাড়তি পানি বের করে নিন। এবার ভেজা তুলায় ৫-৬ ফোঁটা ফ্রেশনার ঢেলে নিন। মুখ, গলা ও ঘাড়ে তুলা বুলিয়ে নিন। আপনার ত্বক স্বাভাবিক বা মিশ্র হলে ফ্রেশনিং করার সময় টোনার ফ্রেশনার বা স্কিন টনিক ব্যবহার করবেন। এবার ময়েশ্চারাইজিং লোশন ভালো করে সারা ত্বকে মেখে নিন। পাঁচ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন।

▪এবার ফ্রেসপ্যাক লাগানোর পালা। এ ক্ষেত্রে ত্বক বুঝে ফেসপ্যাক নির্বাচন করতে হবে। স্বাভাবিক ত্বকে মুলতানি মাটির মাস্ক, চন্দনের মাস্ক, মধু ও গাজরের ফেসপ্যাক, অলিভ অয়েল ও ডিমের ফেসপ্যাক, বেসন ও গাজরের ফেসপ্যাক, ময়দা ও মধুর মাস্ক লাগাতে পারেন। তৈলাক্ত ত্বকে ওটমিল মাস্ক, মধুর মাস্ক, শসা ও ডিমের ফেসপ্যাক, কমলালেবু ও ডিমের ফেসপ্যাক, আপেল ও মধুর ফেসপ্যাক উৎকৃষ্ট। ত্বক শুষ্ক হলে দুধ ও ময়দার মাস্ক, দুধের সর ও মধুর মাস্ক, মাখন ও মধুর ফেসপ্যাক, বেসন ও মধুর ফেসপ্যাক, দুধের সর ও বাদাম তেলের ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। মাস্ক বা ফেসপ্যাক মোটামুটি একই জিনিস। দুয়ের মধ্যে পার্থক্য হলো মাস্ক এক ধরনের মিশ্র বস্তুর উপাদানে তৈরি, যা পুরু করে মুখমণ্ডলের ত্বকে সরাসরি লাগাতে হয়। আর ফেসপ্যাক হলো ভিন্ন বস্তুর উপাদান দিয়ে তৈরি।

▪মাস্ক মুখে লাগানোর পর মুখ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায় ও ত্বকের ওপর শক্ত হয়ে প্রলেপ পড়ে। কিন্তু ফেসপ্যাক সে তুলনায় ধীরে ধীরে শুকাতে থাকে। বাড়িতে মাস্ক বা ফেসপ্যাক ব্যবহারের সময় কিছুটা সতর্কতা পালন করা দরকার। যেমন মাস্ক বা ফেসপ্যাক তৈরি করার সময় যে পানি ব্যবহার করবেন সেই পানি দশ মিনিট ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে নেবেন। মাস্ক বা ফেসপ্যাক রাখার পাত্র হিসেবে কাচ বা চীনামাটির পাত্র ব্যবহার করবেন। মিশ্রণের জন্য প্লাস্টিক বা কাঠের চামচ ব্যবহার করা উচিত। মাস্ক বা ফেসপ্যাক লাগানোর সময় বা লাগানোর পর কথা বলবেন না। চোখ বন্ধ করে ২০ মিনিট বিশ্রাম করুন। এ সময় কচি শসা গোল করে কেটে চোখ ঢেকে দিন। ২০ মিনিট পর প্রথমে কুসুম গরম পানি ও পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখের মাস্ক বা ফেসপ্যাক ধুয়ে ফেলুন। সঠিক ভাবে ফেসিয়াল করার নিয়ম ফলো করলে সুন্দর ত্বক পাবেন।

গোল্ড আর সিলভার ফেসিয়াল করার নিয়ম

একটি বয়সের পর নিয়মিত ফেসিয়াল করাটা জরুরী। কিন্তু সময়ের অভাবে বা অতিরিক্ত খরচের কথা ভেবে পার্লারে যাওয়া হয় না। কিন্তু এই তাল বাহানায় ত্বকের তো বারোটা বেজে যায়। তাই আপনাদের সুবিধার্থে, আপনাদের সুবিধা মত সময়ে স্বল্প খরচে ত্বকের যত্নে গোল্ড আর সিলভার ফেসিয়াল করার নিয়ম বলে দিচ্ছি। এই ২টি ফেসিয়াল কিটের জন্য ভালো ব্র্যান্ড হলো শেহনাজ হুসাইন, ন্যাচারস, বায়ো ফ্রেশ, ভিএলসিসি। জোভসটাও ভালো কিন্তু ঐটা পাওয়া একটু কষ্টসাধ্য। এই সবগুলোই পেয়ে যাবেন ৬০০-১৫০০ টাকার মধ্যে। ব্র্যান্ড অনুযায়ী দামের ভিন্নতা রয়েছে।

ফেসিয়াল ২ টি ৩৫+ হলে করা ভালো তবে আপনার ত্বক যদি একান্তই আপনার অবাধ্য হয়ে যায় তাহলে আগেই করতে পারেন, তবে ২৮ এর আগে করবেন না। রুক্ষ বা শুষ্ক ত্বক হলে গোল্ড ফেসিয়াল আপনারই জন্য। নরমাল অথবা তৈলাক্ত ত্বক হলে আপনি করবেন সিলভার ফেসিয়াল। সবার ত্বকের ধরন এক না। কারোটা তৈলাক্ত আবার কারোটা স্বাভাবিক। বুঝতে পারছেন না আপনার ত্বকের ধরন কোনটি? চিন্তার কোন কারণ নেই। আমি বলে দিচ্ছি কীভাবে যাচাই করবেন আপনার ত্বকের ধরন।

রাতে মুখে কিছু লাগাবেন না। সকালে উঠে মুখ না ধুয়ে হাতে কিছু টিস্যু পেপার নিয়ে সোজা আয়নার সামনে চলে যান। এবার টিস্যু পেপার মুখে চেপে ধরুন যদি পেপার শুষ্ক থাকে তাহলে বুঝবেন আপনি শুষ্ক ত্বকের অধিকারী। যদি তেল তেলে হয় তবে তৈলাক্ত। স্বাভাবিক ত্বক হলে পেপার শুকনো থাকবে কিন্তু আপনি নিজেই এক ধরনের মসৃণ ভাব অনুভব করবেন। টিস্যু পেপারে যদি কিছু জায়গায় তেল, কিছু জায়গায় শুষ্ক থাকে তাহলে বুঝবেন আপনার ত্বক মিশ্র। এবার আসুন জানা যাক বাসায় কীভাবে করবেন ফেসিয়াল গুলো।

গোল্ড ফেসিয়াল করার নিয়ম

এই ফেসিয়ালে ২৪ ক্যারাট সোনা যুক্ত ক্রিম ব্যবহার করা হয় যা সহজেই ত্বক ভেদ করতে পারে। ত্বকের পুরনো লাবণ্য, উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে গোল্ড ফেসিয়ালের জুড়ি নেই। ত্বকে লুকিয়ে থাকা ধূলো ময়লা, বিষাক্ত পদার্থ বের করে আনার ক্ষমতা সোনার অসীম। নতুন কোষ জন্মানোর জন্য সোনার অবদান অনেক। ৩৫ এর উপরে বয়স হলে এই ফেসিয়াল করলে যৌবনের সেই নরম তুলতুলে ত্বক ফিরে । এবার জেনে নিন কিভাবে ঘরে বসেই করবেন এই ফেসিয়াল।

একটি গোল্ড ফেসিয়াল কিটে থাকে গোল্ড ক্লিনজার, গোল্ড ফেসিয়াল স্ক্রাব, গোল্ড ফেসিয়াল ক্রিম বা জেল, গোল্ড ফেসিয়াল মাস্ক।

▪প্রথমে গাঁদা ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি গোল্ড ক্লিনজার দিয়ে মুখ ক্লিন করুন তারপর গোল্ড ফেসিয়াল স্ক্রাব দিয়ে মুখের সব মরা কোষ দূর করুন। ৩০ সেকেন্ড ধরে সার্কুলার মুভমেন্টে স্ক্রাব করুন। তারপর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

▪এবার গোল্ড ক্রিম দিয়ে মুখ ম্যাসাজের পালা। এতে আছে গোল্ড ফয়েল, গোল্ড পাউডার, মধু, স্যাফ্রন, ঘৃতকুমারী আর চন্দন। যা আপনার ত্বকে বুলিয়ে দেবে কোমল পরশের ছোঁয়া। হালকা হাতে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

▪এবার ধীরে ধীরে গোল্ড ফেসিয়াল মাস্ক পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। আর অপেক্ষা করুন মাস্ক শুকানো পর্যন্ত। তারপর ভেজা কটন প্যাড দিয়ে মাস্ক তুলে ফেলুন। মাস্কে বিদ্যমান হলুদ, গোল্ড ফয়েল, আর এলোভেরা আপনার ত্বকে এনে দেবে সোনালি আভা। এই ফেসিয়াল করার পর ৩০% পর্যন্ত পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

সিলভার ফেসিয়াল করার নিয়ম

চেহারায় তাৎক্ষণিক জৌলুস আনতে সিলভার ফেসিয়ালের সমকক্ষ আর কোন ফেসিয়াল নেই। এই ফেসিয়াল শুধু ph ভারসাম্য বজায় রাখে না সেই সঙ্গে ব্ল্যাহেডস দূর করে। আসুন দেখি সিলভার ফেসিয়াল কিট দিয়ে কীভাবে বাসায় সিলভার ফেসিয়াল করবেন।

▪প্রথমে সিলভার আ্যাশ আর কমলার তেল সমৃদ্ধ সিলভার ক্লিনজার দিয়ে মুখের সব ধূলো ময়লা পরিষ্কার করবেন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ৫-১০ মিনিট ধরে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে সিলভার স্ক্রাব লাগাবেন। তারপর মুখ ধুয়ে ফেলবেন। সিলভার অ্যাশ আর ওয়ালনাট সমৃদ্ধ স্ক্রাব ব্ল্যাকহেডসকে নরম করে আর মৃত কোষ দূর করে।

▪এবার ১০-১৫ মিনিট ধরে সিলভার আ্যাশ আর অলিভ অয়েল দিয়ে তৈরি ম্যাসাজ ক্রিম দিয়ে মুখ ম্যাসাজ করুন। এই ক্রিম গায়ের রঙ উজ্জ্বল, মসৃণ করে তোলে।

▪সিলভার জেল আয়ুরবেদিক ফর্মুলায় তৈরি। এই জেল সানটানের প্রভাব কিছুটা কমিয়ে আনে। সিলভার ম্যাসাজ ক্রিমের পর সিলভার জেল দিয়ে ৪-৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

▪এবার সিলভার প্যাক লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন আপনাকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার জন্য। এতে আছে সিলভার অ্যাশ আর কাওলিন যা ত্বককে সুগঠিত করে, চেহারায় আনে অন্যরকম উজ্জ্বলতা।

তাহলে আর অপেক্ষা কেন? ফেসিয়াল করার নিয়ম যেহুতু জেনে ফেললেন এবার ফেসিয়ালটা করে ফেলেন। ফ্রুট,
সিলভার অথবা গোল্ড ফেসিয়ালের মাধ্যমে পুরনো সব জীর্ণ মলিনতা ভুলে এবার নিজেকে মেলে ধরুন নতুন আঙ্গিকে।

232 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

About অনন্যা মিতু

রক্তের সর্ম্পক ছাড়া যদি আর কোনো ঘনিষ্ট কোনো সর্ম্পক থাকে সেটা হলো বন্ধুত্ব।ভাগ্য তোমার আত্মীয় বেছে দেয় আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন