ফেসবুক স্ট্যাটাস – ৫০টি জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস সংকলন

ফেসবুক স্ট্যাটাস – ৫০টি জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস সংকলন
4.8 (96%) 5 votes

ফেসবুক স্ট্যাটাস দিতেই হবে যদি ফেসবুকে আপনার অ্যাকাউন্ট থাকে।আর ফেসবুক স্ট্যাটাস দিতে গেলে আপনি হাসি-কান্না, দুঃখ বিষাদের পাশাপাশি প্রায়ই মজার কিছু লাইন, আইডিয়া বা কৌতুক স্ট্যাটাস আকারে পোস্ট দেবেন। ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে আপনার প্রতিদিনের মজার ঘটনাও শেয়ার করতে পারবেন। তাই আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ভালোলাগার মতো কিছু ফেসবুক স্ট্যাটাস সংকলন। আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

ফেসবুক স্ট্যাটাস

প্রেমের ফেসবুক স্ট্যাটাস

বালিকা তোমার আমার প্রেম আর দেশের কারেন্টের মধ্যে অনেক মিল। এই আছে তো এই নেই – লোড শেডিং।

প্রেমে পরলে ছেলেরা বোকা হয়, আর মেয়েরা বোকাদের সামাল দেয়।

তুমি একা হলে তাকিও আকাশ পানে,তুমি দুঃখ পেলে জানিও হাওয়ার কানে। ওই আকাশ আর ওই হাওয়াতে থাকব আমি মিশে,কান্না গুলো মুছে দিব বৃষ্টি হয়ে এসে।

প্রতিটা ছেলের জীবনেই একজন মেয়ে থাকে যাকে সে মন থেকে চায় কিন্তু কখনোই পায় না।

→ডিজিটাল ভালবাসা মানেই,
→মেয়েদের ঠোটের লিপস্টিক খাওয়া।

আমাদের সম্পর্কগুলো টিকে থাকে মিথ্যের উপর। তাই কোন এক বিকেলে নদীর ধারে কিংবা কাঁশবনে সম্পর্কের মানুষগুলোর সাথে সবাই বড়ো বড়ো মিথ্যে কথা বলে। বলে….’বিশ্বাস করো আমি তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচবো না।’

সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর, তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‌‌‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’ পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।

ছেলে : I love you!
মেয়ে : কি?
ছেলে : ফিল্মটা খুব সুন্দর তাই না?
মেয়ে : বিড়ালের বাচ্ছা!
ছেলে : কি?
মেয়ে : দেখতে সুন্দর তাইনা?
ছেলে : জুতা দেখছ?
মেয়ে : কি?
ছেলে : নতুন কিনেছি!

ভালোবাসা হলো আগুন। কিন্তু সেটা আপনার হৃদয়কে উষ্ণ রাখবে নাকি আপনার ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেবে তা কেউ জানে না।

মোবাইলে প্রেম। এখনো দেখা হয় নি প্রেমিক প্রেমিকার।
প্রেমিকাঃ জানু কি কর?
প্রেমিকঃ শেভ করি সোনা।
প্রেমিকাঃ আমি যখনি ফোন করি তখনি তুমি বল শেভ করি। দিনে কয়বার শেভ কর তুমি?
প্রেমিকঃ এই তো ৩০ ৪০ বার।
প্রেমিকাঃ বলে কি? পাগল নাকি?
প্রেমিকঃ না, না সোনা,আমি পাগল না আমি নাপিত।

প্রিয় জ্বর তুই আর কিছুদিন থাক। অন্তত এই বাহানায় আরও কিছুদিন সে আসুক,আমার কপালে হাত ছুঁয়ে      সে যদি আমার ভিতরের অসুখ বুঝতে পারে!!

একবার মাংসের স্বাদ পাওয়ার পর প্রেমিক প্রেমিকা আর বারান্দা বা রিকশায় সুখ পায় না, তখন তারা চলে যায় অন্ধকার রেস্তোরাঁয় কিংবা সিনেমাহলে। কথা কমে যায়, বাড়ে ঠোঁট ও আঙুলের কাজ। ঠোঁট শিল্পে পারদর্শিতা এলে খুঁজতে থাকে নিরালা গোপন কক্ষ। দুটি মন এক করার কথা বলে আদতে তারা দুটি শরীর এক করতে চায়। এই হল প্রেম। দুটি মন এক করার কথা বলে দুটি শরীরকে এক করার শৈল্পিক ভদ্রতা-ই প্রেম। বাকি যত সংজ্ঞা, যত উদাহরণ দেয়া হয়, সব ঐ ঘুরিয়ে শরীরকে ভোগ করার ধান্দামাত্র।

ছেলে: আমি তোমাকে ভালোবাসি ময়না ।
ময়না: আমার জন্য কি করতে পারবা ?
ছেলে: বিয়া ছাড়া সবই করতে পারমু ।
ময়না: ওকে তাইলে আমি রাজি ।

ভালোবাসা থাকে না। খুব সুন্দর বাসা দেখে ‘ভালো’ রা চলে যায়। খারাপ মেয়েদের প্রেমের কাঠি ফস করে জ্বলে ওঠে। আর তাদের প্রেমে পরে ছেলেরা কুৎসিত কুকুর ছানা হয়ে সারা রাত কুই কুই করে । বুক ভরা মায়া দিয়ে কেউ তাদের আটকায় না। ভালবাসা ঘুমায়, উষ্ণ কাপড় পরে। তারা ঠাণ্ডা হাত ধরে না।

হেডফোন আর Gf এক রকম। যতই গুছিয়ে রাখো প্যাচ লাগবেই।

“ডিঝুস মাইয়া ডিঝুস পোলারে বলতেসে, “তুমি আমারে কতোখানি ভালোবাস?”
– সীমাহীন
তাইলে তাজমহল বানাইতাসো না ক্যান?
– জমি কেনা হয়া গেসে, অহন তোমার মরনের অপেক্ষায় আছি।

মেঘবালিকা তুমি পূর্বের জানালায় সুভাষিত গন্ধরাজ হও আমি অন্তরীক্ষে হাওয়ার নৌকায় মন ভাসাই, ছোঁয়া ছোঁয়ির ইচ্ছেটা আজ পূর্ণতা পাক।

প্রেমিকাকে জোর করে রুমে নিয়ে যাবেন?? থামেন ভাই!একবার ভাইবা নেন। কারণ পরে আর ভাবার সময় পাবেন না। প্রেমিকা যদি এইচআইভি পজেটিভ হয় তখন কী করবেন??

আমাকে একটি বিদেশি সিরিয়াল মুক্ত বৌ দাও, আমি তোমাদেরকে একটি শান্তিপূর্ণ সংসার উপহার দিব।

জানালায় দূরের আকাশ! অতটা উদাস তোমাকে কি মানায়? ফুলদানির ফুল হয়ে থেকো, আয়ুর স্বল্পতায় কিইবা যায় আসে। যতটুকুই সময় থেকো চারিদিক মুখরিত করে রেখো।

অামার শার্টের বোতাম খোলা, তোমার খোলা চুল! ছুঁয়ে দিলেই কেঁপে উঠো; অামার যত ভুল।

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে…..
শিক্ষকঃ আমি টেবিলটা ছুয়েছি,টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে,সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি।
এভাবে একটা যুক্তি দেখাওতো…!!
ছাত্রঃ আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।

যার প্রেমিকা নাই সে প্রেমিকা খোঁজে।
যা প্রেমিকা আছে সেই শান্তি খোঁজে

বালিকা আমাকে ছ্যাকা দিয়ে চলে যাবার জন্য তোমাকে অভিশাপ দিলাম;
এমন ভ্যাপসা গরমের কারেন্ট হীনা কোন এক রাতে যেন তোমার বিয়ের বাসর হয়।

বালকের নেশা বালিকার #ঠোঁট !
আর…বালিকার নেশা বালকের চকচকে #নোট !

কিছু কিছু রিলেশনশিপ এ বাচ্চার নাম পর্যন্ত ঠিক হয়ে যায় কিন্ত শেষে বাচ্চার আব্বু -আম্মুই হারিয়ে যায়

ছন্দের ফেসবুক স্ট্যাটাস

ভোটের আগে
মিয়া ভাই,
ভোট ফুরালে
খবর নাই।

ইঁদুর ধরতে ক্যাট আসে,
লাইক দাও স্ট্যাটাসে।

ফেইসবুকে দেখা হলে,
বলব কথা একা হলে।

কাজী নজরুল ইসলাম যদি এই গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ডের যুগে বেঁচে থাকতেন, তাহলে তাঁর ‘সংকল্প’ কবিতাটা যেমন হতো –
থাকবো নাকো সিঙ্গেল ওরে,
দেখব এবার রিলেশন করে!
কেমন করে করছে তারা?
একটা ছেড়ে, দুইটা ধরে।
ফ্ল্যাট হতে ফ্ল্যাট ফ্ল্যাটান্তরে,
করছে তারা ডেটিং ওরে।
কিসের নেশায়, কেমন করে?
করছে চ্যাটিং রাত্রি ভরে।
কিসের আশায় করছে তারা,
বরণ ব্রেক আপের যন্ত্রণাকে।
কেমন করে বীর তরুণী
মিথ্যে বলে পার্কে আসে,
বাসায় ফিরে মাকে বলে,
প্রাইভেট ছিল স্যারের কাছে।

ছোট্ট একটি মন…
তাতেই বৃন্দাবন!
ছোট্ট দুই আঁখি…
গিরি সিন্ধু ধরে রাখি!

হাজার রকমের বিলের মত
থাকতো যদি প্রেমের বিল
ঋণ খেলাপি হতাম আমি
রাখতে তোমার মনের মিল।

যখন দেখি তোর সে প্রিয়
হাসনাহেনা, জুই
উদাস মনে প্রশ্ন করি
কেমন আছিস তুই?

তোমার আকাশে ঝকঝকে রোদ
আমার আকাশ মেঘলা কালো
তুমি আছো বেশ আমুদে
আমি নেই মোটেই ভালো!

অর্ধেক জীবন কেটে গেল
ভুলের ভেলায়,
বাকি অর্ধেক পুড়বে কিগো
তোমার অবহেলায়!

জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস (১)

হ্যাঁলো।
-হাই।
-bf আছে?
-আছে।
-hd না mp4।
অতঃপর বালিক মহাদয় সব কিছু অন্ধকার দেখিতে লাগিল

কারেন্ট তুমি কার বাসায় ঘুরো,তার বাসার wifi কি আমার বাসার চেয়ে ভালো।

কাদের বিয়ে করবে বলে মেয়ে দেখতে গেছে….। কাদেরের একটা সমস্যা ছিল,
সে ‘ক’ কে ‘প’ বলত !! মেয়ের অভিভাবক ছেলেকে জিজ্ঞাসা করল তোমার নাম কি?
ছেলে : আমার নাম পাদের । (মানে কাদের)
#এই কথা শুনে মেয়ে কেঁদে উঠল।
তখন মেয়েটিকে কাঁদতে দেখে কাদের তাকে সান্তনা দিতে গিয়ে বলল – তুমি পাদছ পেন,পাপলি? (মেয়ের নাম কাকলি) পাপলি,পাপলি প্লিজ তুমি আর পেদনা… তুমি পাদলে আমিও পিন্তু পেদে দেব । তোমার পাদা আমার সহ্য হচ্ছেনা। আর আমি পাদা শুরু পরলে পেও আমার পাদা থামাইতে পারবে না।

“বউ” এর পূর্ণ রুপ পাওয়া গিয়েছে…
ব= বড্ড
উ= উৎপাত

ভদ্রলোক : ভাই আপনার দোকানের নাম কী?
দোকানদার : কী দরকার?
ভদ্রলোক : ইয়ে মানে… এমনিতে…। বলুন?
দোকানদার : বললাম তো কী দরকার।
ভদ্রলোক : (রেগে মেগে) ফালতু লোক…!
দোকানদার : আজব! আপনি গরম হচ্ছেন কেন, আমার দোকানের নামই তো কী দরকার স্টোর।

নগ্ন #নারী বেশ্যা হলে…..নগ্ন #পুরুষ সাধুবাবা হয় ক্যামনে

সেই তো প্রকৃত সুন্দরী যে বৃষ্টিতে মেকাপ এর ভয় না করে অনেকক্ষন ভিজতে পারে।

প্রশ্ন – “সুখ” কি…
উত্তর – দুঃখের মাঝে ছোট একটা বিজ্ঞাপন বিরতি।

ছেলেটি বলেছিলঃ গাভীর দুধ খাচ্ছি
মেয়েটি শুনেছিলোঃ ভাবীর খাচ্ছি
বাকিটা ইতিহাস

জীবনে-অনেক “কিন্তুর” উত্তর পাবেন না। অনেক “আশা” পূর্ণতা পাবে না। অনেক “প্রশ্নের” উত্তর মিলবে না। অনেক “সাফল্যে” কাছের মানুষ হাসবে না। অনেক “দুঃখে” কেউ সাহস দিবে না। সুখের কথায় হিংসে করবে। দুঃখের কথায় সুযোগ খুঁজবে। জীবনের- অনেক “অঙ্ক” মেলাতে হয় না। অনেক “ঘটনার” কারন খুঁজতে হয় না। অনেক “হাসির” অর্থ খুঁজতে নেই। অনেক “চোখের” ভাষা বুঝতে নেই।। অনেক “হাতে” হাত রাখতে নেই। অনেক “কথা” বলতে নেই। জীবন-এক দুঃখ-সুখের বালুচর। সব কিছু হারিয়েও আশায় বুক বাঁধা। কখনো অনিশ্চয়তার দাবা খেলা। চরম অস্বস্তিতে সুখের স্মৃতি হাতড়ে বেড়ানো। কাউকে পাশে পেয়ে চরম প্রশান্তি বোধ করা কিংবা কাউকে ভালোবাসা! “জীবন” ৩টি অক্ষরের এক সীমাহীন রহস্য…!!

> দোস্ত কাল আমার গার্লফ্রেন্ডের জন্মদিন। কি গিফট দেয়া যায়???
< সে দেখতে কেমন???
> অনেক সুন্দরী ।
< তাইলে ওরে আমার নাম্বারটা দিয়া দে।

আধুনিক যুগে বয়ফ্রেন্ডরাই সব লুটপাট করে নেয় !! জামাইরা পায় শুধু অভিনয় করা চিৎকার !!

জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস – (২)

চার দেয়ালের অন্তরালে শুয়োপোকার জীবন আমার। তাই বৃষ্টি কিংবা জোৎস্নার বিলাসিতা আমার নেই। নিছক মধ্য দুপুরে নীল রোদে ঘামে ভেজা আমার শরীরে গ্লুকোজের চরম শুন্যতা আর সাদাজলের শ্রান্তি নিয়ে,আমি বেঁচে থাকি নতুন কোন স্বপ্ন দেখব বলে।

বৃষ্টি আসলেই সবার মনে কত প্রেম আসে। বউওয়ালা এবং বউ ছাড়া সব পাবলিক কত আবেগময় স্টাটাস দেয় । কিন্তু বৃষ্টি আসলেই আমার মনে পড়ে যায় আমার ফ্ল্যাটের পাশে একটা নর্দমা আছে । বৃষ্টির পানি পড়লে সেখান থেকে বিকট দুর্গন্ধ বের হয় । ভাগ্যভাল রবি বাবুর বাসা এখানে ছিল না । তা না হলে এই দুর্গন্ধময় পরিবেশে তিনি কি টাইপের কবিতা লিখতেন কে জানে !!

মিথ্যা দিয়ে যা শুরু হয় তা প্রথমে সুখের হলেও শেষ হয় অধিক দুঃখ দিয়ে।

কালো মেয়েগুলি খুব অদ্ভুত জীবন যাপন করে। রেগে গেলে তাদের চিবুকের শিরাও ফর্সা মেয়েদের মতই নীলচে হয়; কিন্তু কালো চামড়ার আড়ালে সেটা ঢাকা পড়ে থাকে। কেউ সেটা দেখে না। প্রেমিকের প্রশংসায় লাজুক কালো মেয়েটির গালেও রক্তিম আভা খেলে যায়। শুধুমাত্র চামড়াটার জন্যে সেটা আমরা কখনো দেখি না। ভাগ্যগুনে কোন কালো মেয়ের চেহারার কাটিং যদি ভাল হয়ে যায় তাহলে তাদেরকে কালো হলেও সুন্দর আছে জাতীয় প্রশংসা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। খুব যোগ্যতাবান কিংবা বুদ্ধিমতি হলেও তারা কখনো হুমায়ুন আহমেদের ;রূপা হতে পারে না কেননা অসম্ভব রূপবতী উপমাটা তাদের জন্য নয়। বিয়ের সময় তারা নিজ অপছন্দের কোন ছেলেকে রিজেক্ট করতে পারে না কারন ;এহে নিজে কী? আবার অন্যের খুঁত ধরতে এসেছ – টাইপ কথা বলে তাদেরকে থামিয়ে দেয়া হয়। গল্প উপন্যাসের নায়িকা হবার যোগ্যতা তাদের নেই কেননা উপন্যাসের কাহিনীতে নায়িকার ফর্সা টুকটুকে চেহারার সৌন্দর্য্যে ভীমড়ি খাওয়া নায়কের মুগ্ধতার গল্প থাকতে হয়। কালো মেয়েগুলোর জীবনে এই গল্প থাকে না। এসব গল্প তাদের থাকতে নেই!

মানুষের জীবনে পুর্ণতা এবং অপুর্ণতার কোন সীমারেখা নেই। প্রতিটি মানুষই বোধ হয় অপুর্ণতার জালে আচ্ছন্ন। হয়তবা অব্যক্ত কান্নার অস্ফুট চাপা কস্টে নিজেকে আচ্ছন্ন করে রাখে আরো বেশী নিবিড় ভাবে। কেউ তা প্রকাশ করে জনসম্মুখে, কেউ কেউ নিজের একাকীত্বের কঠিন আবর্তে নিজেকে লুকিয়ে রাখে অত্যন্ত নিপুণ ভাবে।

* যে শহর ঈদ এও ফাকা হয় না – ঢাকা
* আজকের যুগের নবাব – সি এন জি ড্রাইভার্স
* যাদের কাছে টাকার খুচরা থাকেনা- রিকশাওআলা মামা
* যারা কখনো সোজা হয়ে দাড়াতে পারেনা – বাংলাদেশী মডেল
* ছেলেদের চোখে সেরা সুন্দরি — অন্যের গার্লফ্রেন্ড / বউ

আমি বলছি না ভলোবাসতেই হবে, আমি চাই কেউ একজন ভিতর থেকে আমার ঘরের দরজা খুলে দিক। কেউ আমাকে কিছু খেতে বলুক । কাম-বাসনার সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে জিজ্ঞেস করুক : ‘তোমার চোখ এতো লাল কেন ?’

যদিও সীমানা জানা,তবু মাঝে মাঝেই শখ জাগে অতিক্রমের…।

সমাজ একটা স্যানিটারি পায়খানা, জীবন হইলো একটা বদনা, কপাল হইলো কলের পানি আর লোডশেডিং ইজ পম গানা..!! এই লৈয়াই বাঁইচা আছিরে মামা…

আপনার ভবিষ্যত যদি স্বপ্নের উপর নির্ভর করে, তাহলে জেগে আছেন কেন ? ঘুমাইতে যান। Good night…

জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস – (৩)

বাংলা সিনেমায় একটা কমন ডায়লগ থাকে – ” পৃথিবীর কোন শক্তি আমাকে আর রাজাকে আলাদা করতে পারবেনা”।

চকলেট খেয়ে মোড়কটা কাঁচ নামিয়ে গাড়ির জানালা দিয়ে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলতে ফেলতে আপনি ভাবেন, “এই দেশটা এত নোংরা কেন?” হা হা হা! অফিসের ফাইল দুই দিন আগে ছাড়িয়ে নেবার আশায় কেরানীকে এক শো টাকা “বখশিশ” দিতে দিতে আপনি চিন্তা করেন, “দুর্নীতিতে দেশটা ছেয়ে গেলো”! হে হে হে!
আপনার সান্ধ্যকালীন পার্টি মিস হয়ে যাবে, এই ভয়ে রাস্তায় জ্যামের গুষ্ঠি উদ্ধার করতে করতে “রং সাইডে” গাড়িটা ঢুকিয়ে দিতে দিতে মহা বিরক্তির সাথে বলেন,”কেউ আইন কানুন মানেনা! এই দেশে কোন গাধা থাকে, অন্যত্র সুযোগ থাকলে?!” ☆আগে নিজে বদলাতে হবে তবেই অন্যরা বদলাবে।☆

কষ্ট পরশ পাথরের ন্যায়। কষ্টই মানুষকে ভাল কিছু করতে অনুপ্রানিত করে। তাই কষ্টকে জীবন পথে বাঁধা নয় বরং আর্শীবাদ হিসেবে গ্রহন করা উচিত।

পাশের ফ্লাটের ভাবিকে জিজ্ঞেস করলাম কেমন আছেন ভাবি?
ভাবি বলল – স্বামী বিদেশ
কাহিনী কি ম্যান! এ কেমন উত্তর ?

এখনকার বাচ্চারা দোকানে গিয়ে যা চায়! তাদের মা-বাবা হাঁসি মুখে তাই কিনে দেয় কিন্তু আমাদের সময়ে রাস্তায় শুয়ে নাগিন ড্যান্স না দেয়া পর্যন্ত কিছুই কিনে দিতোনা

মোবাইটা কয়দিন পরে পরে ঝামেলা করে
কেউ আমারে একটা কিরণমালা মোবাইল দিতে পারবা?

যখন তিন চারটা সুন্দরী মেয়ে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে,তখন বুঝবেন আপনার প্যান্টের চেন খোলা না হয় আপনি অবশ্যই গাঞ্জা খেয়েছেন

শাবানার মত একটা নায়িকা খুঁজতেছি যাকে একটা কাপড় সেলাই মিশিন কিনে দিব কয়েক দিন পর সে আমায় একটি গার্মেন্টস উপহার দিবে।

#জাতির কাছে জানতে চাই আমরা ছেলেরা যেমন মজা করে অন্য ছেলেদেরকে ‘শালা’ বলিমেয়েরা ও কি অন্য মেয়েকে ‘ননদ’ বলে??

“মশাই” একমাত্র ব্যন্ড শিল্পী যার গান শুনলে জাতি হাতে তালি না দিয়ে থাকতেই পারে না।

জটিল ফেসবুক স্ট্যাটাস – (৪)

ছোট বেলায় মুভিতে কিস করতে দেখলে ভাবতাম..ছি ছি ছি এগুলা কি করে!! আর এখন ভাবি শুধু কিসই করলো!! আর কিছু করেনা কেন ।।

পড়া-শুনা ছেড়ে দেওয়ার পর মাথার ভিতরে যে জ্ঞানটুকু অবশিষ্ট থাকে, তাই হল শিক্ষা।

মানুষ জীবনে 6টি বার হেরে যায়।
(1) টাকার কাছে। (2) ভালবাসার কাছে। (3) সময়ের কাছে । (4) বিবেকের কাছে।(5) বন্ধুত্বের কাছে । (6) অবশেষে মরণের কাছে।

আমরা দেখে মুগ্ধ হই যে, কাপড় কাঁচার সাবানের সাথে সুন্দরী মহিলা। কিন্তু ভেবে দেখুন, আপনি বাস্তব জীবনে দেখেছেন কোনো সুদর্শন এলিট শ্রেণীর তরুণী কাপড় কাঁচছে সাবান দিয়ে; তাও আবার পুকুরে? পন্যের সাথে যদি সুন্দরী কোনো মডেল থাকে তাহলে সেই সুন্দরীর দিকে তাকাতে গিয়ে পন্যের দিকে তাকাবেই। কিংবা সেই সুন্দরীকে ভেবে ভেবেই মানুষজন তার সেই পন্যটা কিনে নেবে। বাস্তবে কি আসলেই তা হচ্ছে? নারীকে মডেলের নামে ভোগপন্য বানানো হচ্ছে।

পথচারী- এই যে, তুমি যে ভিক্ষা চাইছো, কিভাবে বুঝবো যে তুমি কানা?
ভিক্ষুক- ওই যে একটা গরু ঘাস খাচ্ছে, আপনি দেখতাছেন?
পথচারী- হ্যাঁ, দেখতেছি
ভিক্ষুক- ওইটা আমি দেখতাছি না।

4,181 total views, 28 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন