প্রেমিকা চেনার উপায় – যেভাবে চিনবেন লোভী প্রেমিকা

প্রেমিকা চেনার উপায় – যেভাবে চিনবেন লোভী প্রেমিকা
5 (100%) 2 votes

প্রেমিকা পাওয়া কঠিন কিছু না কিন্তু সত্যিকারের প্রেমিকা, সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। একজন ভালো প্রেমিকা পাওয়ার জন্য আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে, সচেতন হতে হবে ও বিচক্ষণ হতে হবে। তবে সব সময় হিসাব করে সবকিছু পাওয়া যায় না, বিশেষ করে ভালোবাসা। আবার হেলাফেলা করলেও আপনিই ঠকবেন। তাই জীবনের এই সঙ্গী বাছাই প্রান্তে আপনাকেই হিসাব কষতে হবে। না হলে সারা জীবন সত্যিকারের ভালোবাসা না পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আপনাকে তাড়া করবে। পৃথিবীতে যেমন ভাল মানুষ আছে ঠিক তেমনি অনেক খারাপ মানুষ ও আছে। মানুষ যেমন একজন কে মন প্রান দিয়ে ভালবাসে তেমনি আবার প্রতারনা ও করে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

প্রেমিকা

সত্যিকারের প্রেমিকা চেনার উপায়

ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানোর পরও অনেককে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগতে দেখা যায়। কারণ, প্রায় প্রত্যেকের মনে থাকে একই প্রশ্ন, যার সাথে সম্পর্কে জড়ানো হলো তিনি কি সঠিক মানুষ? এই সঠিক বেঠিকের হিসাব মেলাতে ব্যস্ত থাকার দরুন সম্পর্কে আসে টানাপোড়ন। অনেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন কিছু না বোঝার চেষ্টা করেই। পরবর্তীতে ভুল ভাঙলেও কিছু করার থাকে না। কারণ সময় তো ফিরে আসে না। তাই না বুঝেই কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ নয়। ছেলেদের মনে এই দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনেক বেশিই দেখা যায় তাদের প্রেমিকা সম্পর্কে। আর তাই তাদেরকে একটু বেশি সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। ছেলেরা কয়েকটি লক্ষণে বুঝে নিতে পারেন আপনার প্রেমিকা কতোটা সঠিক আপনার জন্য। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক লক্ষণগুলো।

পছন্দের অনেক মিল  – বিপরীত জিনিসের প্রতি আকর্ষণ সকলেরই রয়েছে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে একটু উল্টোটাই দেখা ভালো। আপনার প্রেমিকার সাথে আপনার পছন্দের মিল থাকলে সে আপনার জন্য সঠিক মানুষ। তবে ১০০% মিল খুজলে চলবে না। আপনাদের পছন্দের মধ্যে ৭০-৮০% মিল প্রেমিকা হিসাবে মেয়েটি আপনার জন্য পারফেক্ট।

আপনার কাজে অযাচিত হস্তক্ষেপ করেন না – একজন অপরজনের কাজে হস্তক্ষেপ করলে প্রকৃত পক্ষে কোনো লাভই হয় না। তিনি যদি আপনাকে আপনার কাজে হস্তক্ষেপ না করে উৎসাহ দেন তবেই তিনি একজন সঠিক প্রেমিকা।

নিজের মনের কথা বলে দেন – অনেকে মেয়েই চান যে তার প্রেমিক তার মুখ ও কথা বলার ধরণ দেখে তার মনের খবর জেনে নিক যা একেবারেই উচিৎ নয়। যে প্রেমিকা নিজে থেকেই তার মন খারাপ, ভালোলাগা সব বলে দেবেন, আপনার ওপর এই অযথা অত্যাচার করবেন না তাকে কখনোই হারাতে দেবেন না।

আপনাকেই পারফেক্ট ভাবে – আপনার প্রেমিকা যদি আপনার ভেতরের মানুষটা এবং আপনি কোন ধরনের মানুষ তা দেখে আপনার সাথে সম্পর্কে জরায় তবেই তিনি পারফেক্ট। আপনি কি করেন এবং আপনি কে তা তার কাছে কোনো ব্যাপারই নয়। এটিই সত্যিকারের ভালোবাসা।

যে আপনাকে পরিবর্তনের চেষ্টা করেন না – আপনার প্রেমিকা যদি আপনাকে পরিবর্তনের চেষ্টা করেন তবে সে সম্পর্কে এগোনো উচিৎ নয়। কারণ তিনি যদি আপনাকে পরিবর্তনই করতে চান তবে তিনি আপনার কি দেখে পছন্দ করেছিলেন। আপনার পেমিকা যদি আপনাকে পরিবর্তন করতে না চান তবে বুঝে নেবেন তিনি পারফেক্ট একজন মানুষ, কারণ তিনি আপনাকে পারফেক্ট ভাবেন।

নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট – অনেক প্রেমিকাই আছেন যারা নিজেকে নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট নন। সব সময়েই তারা নিজের মুটিয়ে যাওয়া কিংবা ত্বকের যত্ন বা ত্বকের সমস্যা নিয়ে চিন্তিত থাকেন। এই ধরণের প্রেমিকা মোটেও উপযোগী নন। যিনি নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট এবং নিজেকে পারফেক্ট ভাবেন তিনিই একজন পারফেক্ট প্রেমিকা।

সব সময় আপনার সাথে আঠার মতো লেগে থাকেন না – প্রেমিক ও প্রেমিকা দুজনেরই নিজস্ব একটি জগত রয়েছে। পরিবার ও বন্ধু বান্ধব রয়েছে। তাই প্রত্যেকরই নিজস্ব সময়ের প্রয়োজন। এই ব্যাপারটি বুঝে যিনি আপনার সাথে সব সময় আঠার মতো লেগে থাকবেন না তিনিই একজন সত্যিকারের প্রেমিকা।

মানসিকতার মিল – পছন্দ অপছন্দের মিল অনেকের সাথেই থাকতে পারে। এর পাশাপাশি আরও যে জিনিসটির মিল থাকা প্রয়োজন তা হলো মানসিকতার মিল। মানুষের সাথে কিভাবে কথা বলা উচিৎ, সততার প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি নৈতিক দিক থেকে মিল থাকাও একজন পারফেক্ট প্রেমিকার লক্ষন।

সমস্যার খোলামেলা আলোচনা করেন – নিজের সকল ধরণের সমস্যা, ছোট বড় দোষ গুণ সব কিছু নিয়ে যদি আপনাদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা হয় যেমনটা হয় খুব ভালো বন্ধুত্ব থাকলে তবে তিনি আপনার জন্য খুব ভালো একজন প্রেমিকা।

একজন ভালো শ্রোতা – মেয়েরা কথা শোনার থেকে বলতেই বেশি পছন্দ করেন। আপনার প্রেমিকা যদি আপনাকে নিজের সব কিছু বলার পাশাপাশি আপনার সব কিছু ভালো করে শোনেন এবং শুনতে উৎসাহী হন তবে তিনিই পারফেক্ট প্রেমিকা।

আপনার তার সাথে সময় কাটাতে অনেক ভাললাগে – যতোটা সময় আপনারা একে অপরের সাথে কাটান প্রতিটি মুহূর্তই আপনার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগার মুহূর্ত হয়। ছোটোখাটো সকল বিষয়েই মজা করা, অদ্ভুত অদ্ভুত কিছু কাজ একসাথে করে ফেলা এবং ছেলেমানুষি করতে পারা শুধুমাত্র একজন পারফেক্ট প্রেমিকার সাথেই সম্ভব।

আপনার পরিবার ও বন্ধু বান্ধবের সাথে ভালো ভাবে মিশতে পারেন – নিজের বন্ধু বান্ধব এবং পরিবারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার পর যখন দেখবেন আপনার প্রেমিকা তাদের সাথে অতি আপনজন এবং অনেক আগের বন্ধুদের মতো মিশে যেতে পারছেন তবেই বুঝবেন তিনি আপনার জন্য সঠিক মানুষ। তিনি ন্যাকামি একবারেই করেন না অনেক মেয়েই আছেন যারা নিজের প্রেমিককে ‘কি রঙে আমাকে মানায়, কি পোশাক পরবো, আমাকে কেমন দেখাচ্ছে, আমি কি মোটা হয়ে গিয়েছি’এই ধরনের ন্যাকামি প্রশ্নে জর্জরিত করেন। এই ধরণের স্বভাব যদি আপনার প্রেমিকার মধ্যে না থাকে তবে তিনি পারফেক্ট।

সারপ্রাইজ দেয়া – তিনি আপনার সম্পর্কে সব কিছুই জানেন। এবং কিভাবে আপনাকে চমকে দেয়া যায়, সারপ্রাইজ করা যায় সবই তার জানা। তিনি আপনার বোরিং সময় গুলো মুহূর্তের মধ্যে আনন্দদায়ক করে ফেলতে পারেন তবে তিনিই আপনার জন্য সঠিক প্রেমিকা। তিনি আপনাকে কখনোই বিরক্ত করেন না ‘তুমি ওখানে যাবে না, ওর সাথে কথা বলবে না, তোমার ওই বন্ধুটি ভালো না, ওদের সাথে মিশবে না, আমার সাথে এখনই কথা বলো, তুমি এখন এটা করবে না’ এই ধরণের বিরক্তিকর কথাগুলো অনেক প্রেমিকাই নিজের প্রেমিককে বলে থাকেন। এই স্বভাব যদি আপনার প্রেমিকার মধ্যে না থাকে তবে আপনি অনেক ভাগ্যবান। তাকে কখনোই ছাড়তে যাবেন না।

প্রেমিকা কি আপনাকে ভালোবাসে – না শুধুই ব্যবহার করছে

প্রেমের ফাঁদ পাতা এই ভূবন জুড়ে। প্রেমে পড়তেই পারেন তাতে দোষ নেই। তবে পড়ে যেন হাত-পা না ভাঙে সেদিকেও লক্ষ্য রাখা উচিত। মনের মানুষটিকে খুঁজে পেলে তো কথাই নেই। কিন্তু যদি না পান!  যাকে প্রেমিকা ভেবে মন প্রাণ সময় উৎসর্গ করছেন তিনি কি আদৌ আপনাকে ভালোবাসেন? নাকি শুধুমাত্র আপনাকে ব্যবহার করছেন?  নীচের কিছু লক্ষ্মণ দেখলেই তা পরিষ্কার হয়ে যাবে। যদি এর সঙ্গে আপনার প্রেমিকার ব্যবহারের কোনও মিল থাকে তবে মানে মানে কেটে পড়ুন।

▪প্রেমিকার যখন দরকার পড়বে তখন মাঝ রাতেও আপনাকে ফোন করবেন। কিন্তু যখন আপনার দরকার থাকবে তখন তার কথা শোনার সময় থাকবে না।

▪সাধারণ আপনার সঙ্গে বাইরে বের হতে বললে নানা অযুহাত দেন। কিন্তু যখন অন্য কোনও সঙ্গী না থাকে তখন আপনিই ভরসা। এমনটা হলে বুঝে নেবেন আপনি ব্যবহৃত হচ্ছেন।

▪নিজের নানা সমস্যার কথা আপনাকে বলেবেন এবং আপনাকে তা মন দিয়ে শুনতে হবে। যখন আপনি খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাবেন তখন তিনি মোবাইলে গেমস খেলতেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বা প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলেন।

▪আপনি হচ্ছেন তার পার্টিতে যাওয়ার বাহক। পার্টিতে পৌঁছানোর পর তিনি আর আপনাকে চিনবেন না। এমনকী অনেক সময় বন্ধুদের সঙ্গেও পরিচয় করাতে চাইবেন না।

▪যত বারই বাইরে খাবেন কি কোথাও বেড়াতে যাবেন, তার টাকার ব্যাগটি থাকবে সযত্নে। আপনারই পকেট ফাঁকা হবে প্রতিবার।

▪ফোনের ব্যালান্স শেষ হলে আপনিই ভরসা। শপিংয়েও আপনিই নিয়ে যাবেন। তবে একটা শর্ত আছে, যদি তার আর কোনও বন্ধু সঙ্গে যাওয়ার জন্য না জোটে। আপনার বাইক বা গাড়ির পেছনে চেপে ঘুরবেন, আপনি তাকে বাড়িও পৌঁছে দেবেন, তবে কোনও প্রশ্ন করা চলবে না।

▪ফোন বা এসএমএস করে যান। কোনও রিপ্লাই নেই। রিপ্লাই তখনই দেন, যখন তার কোনও স্বার্থ জড়িতে থাকে।

▪ভুল যেই করুক ক্ষমা আপনাকেই চাইতে হবে। কারণ আপনার প্রেমিকা ভুল করতেই পারেন না। বেশি অভিযোগ করলে কান্না তো আছেই।

▪একজন প্রেমিক তার প্রেমিকার জন্য যা যা করেন সে সব কিছু আপনাকে করতে হবে। তবে  রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস এ শুধু বন্ধুত্ব।

▪সারা দিনের আপনার সঙ্গে কাটানোর প্ল্যান। তবে শেষ মুহূর্তে এসে বাতিল। তবে সরি কথাটি একবারও শুনতে পাবেন না তাঁর মুখে।

▪প্রাক্তন প্রেমিক হোন বা বর্তমান সখী, সকলে দেখাতে আপনি তাঁর ‘আর্ম ক্যান্ডি’। বন্ধুদের সামনে সেটা বোঝানোর জন্য আপনার সঙ্গে ফ্লার্টও করছেন দেদার। মনে রাখবেন এটা তিনি তাঁর নিজের স্বার্থের জন্যই করছেন।

▪আপনি কত রোজগার করেন, কোন সংস্থায় কাজ করেন, আপনার বন্ধুরা ঠিক সমাজের কোনও স্তরে রয়েছেন, এ সব ব্যাপার জানতে তার আগ্রহের শেষ নেই। তবে আপনি মানুষ হিসাবে সত্যি কেমন সেটা জানার কোনও আগ্রহ নেই।

▪আপনার ব্যাপারে তিনি কোনও ভাবেই ভাবিত নন। এমন ‘আমি’ সর্বস্ব প্রেমিকাদের থাকে সাবধান হোন। মনে রাখবেন শুধুমাত্র দরকার পড়লে যে আপনাকে মনে করেন তিনি কখনও প্রকৃত বন্ধু হতে পারেন না। আপনার ব্যথায় যিনি কাতর হবেন, বরং তেমন কাউকে খুঁজুন।

লোভী প্রেমিকা চেনার উপায়

প্রেমের শুরু থেকেই হিমশিম খেতে হচ্ছে আপনাকে। কিছুতেই কুলিয়ে উঠতে পারছেন না খরচে। পকেটে টাকা আনার সাথে সাথে শেষ হয়ে যায় টাকা। প্রেম করা এতো খরচের ব্যাপার জানলে এই পথে পা বাড়াতেন না কখনোই! অনেক প্রেমিকেরই অভিযোগ যে তাদের প্রেমিকার কারণে অতিরিক্ত খরচ হয় তাদের। কিংবা এটাও শোনা যা যে প্রেমিকের পকেটের কথা প্রেমিকা একেবারেই চিন্তা করে না। কিন্তু এমনটা কেন হয়? তাহলে কি আপনার প্রেমিকা লোভী? জেনে নিন ৪টি লক্ষণ যেগুলো মিলে গেলে নিশ্চিত হবেন যে আপনার প্রেমিকা লোভী।

দোকানে গিয়ে সবচাইতে দামীটা পছন্দ করে – আপনার প্রেমিকাকে নিয়ে শপিং এ যেতে ভয় পাচ্ছেন? দোকানে গেলেই ভালো হোক আর খারাপ হোক, সব চাইতে দামী জিনিসটিই তার চাই? অধিকাংশ ক্ষেত্রে এধরণের প্রেমিকারা পুরোপুরি প্রেমিকের খরচেই চলে। এই ধরণের নারীদের থেকে দূরে থাকাই ভালো। আপনার প্রেমিকা যদি আপনার পকেটের কথা একেবারেই না ভাবে এবং যখন তখন উটকো খরচ করতে পছন্দ করে তাহলে আপনার সাবধান থাকা উচিত এধরনের প্রেমিকাদের থেকে। কারণ এধরনের খরুচে প্রেমিকারা সাধারণত প্রতারক হয়ে থাকে।

সঞ্চয়ের কথা বলে না – আপনার প্রেমিকা যদি আপনাকে সঞ্চয়ের ব্যাপারে একেবারেই উৎসাহিত না করে এবং ক্রমাগত প্রয়োজনীয় খরচ করতে উৎসাহিত করে তাহলে বুঝে নিন আপনার প্রেমিকা আপনার সাথে ভবিষ্যৎ কাটাতে চায় না। কারণ আপনার প্রেমিকা যদি আপনার সাথে ঘর বাঁধার পরিকল্পনা করে থাকে তাহলে অবশ্যই সে চাইবে যে যেন আপনি ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করা শুরু করেন।

কারণে অকারণে টাকা চেয়ে নেয় – আপনার প্রেমিকা যদি আপনার কাছ থেকে কারণে অকারণে সব সময়েই বেশ বড় অংকের টাকা নিয়ে ফেলে তাহলে আপনার উচিত আপনার সম্পর্কের ব্যাপারে ভেবে দেখা। আপনার আয়ের প্রায় পুরো অংশটাই যদি প্রেমিকা নিয়ে নেয় অথবা আপনার থেকে বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে প্রায়ই বড় অংকের টাকা নিয়ে নেয় এবং সেটা দেয়ার কথা একবারও না বলে তাহলে আপনি হতো প্রতারক প্রেমিকার পাল্লায় পড়েছেন। তাই এরকম পরিস্থিতিতে আপনার আরো সাবধান হওয়া উচিত।

সারাক্ষণ আপনার আয় নিয়ে খোঁচা মারে – আপনার প্রেমিকা কি আপনার পকেটের টাকা কিংবা আপনার আয় নিয়ে প্রতিনিয়তই কটু কথা শোনায়? যদি আপনি এরকম পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার প্রেমিকাটি লোভী। কারণ শুধু মাত্র অর্থস্বল্পতার কারণে আপনার প্রেমিকা আপনার ভালোবাসাকে ছোট করে দেখছে এবং আপনাকে অপমান করছে।

অনেক বন্ধু থাকে – লোভী প্রকৃতির মেয়েদের অনেক বন্ধু থাকে। তবে এদের প্রকৃত বন্ধু থাকে না। প্রতি মুহুর্তেই এদের বন্ধুত্বের বদল হয়। আজ একজন তো কাল আরেকজন। এরা শুধু প্রয়োজনেই মানুষের সাথে মিশে থাকেন। প্রয়োজন শেষ হলে যতদ্রুত সম্ভব এরা কেটে পরে। এক বন্ধুর থেকে আরেক বন্ধুর কাছে সুযোগ বেশি পেলে তারা বন্ধুত্ব নষ্ট করতেও দ্বিধাবোধ করেন না।

সবকিছু হিসেব কষে করে – এরা হুটহাট করে কিছু করে না। এদের মধ্যে সবসময় এটা না, ওটা, এমন একটা ভাব লক্ষণীয়। যেখানে এদের লাভ থাকে বেশি সেদিকেই এরা যায়। ওটার চেয়ে এটাতে যদি এদের লাভ বেশি হয়, তাহলে তারা এটা করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

127 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

About অনন্যা মিতু

রক্তের সর্ম্পক ছাড়া যদি আর কোনো ঘনিষ্ট কোনো সর্ম্পক থাকে সেটা হলো বন্ধুত্ব।ভাগ্য তোমার আত্মীয় বেছে দেয় আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন