না – যে কথা গুলো কখনোই বলবেন না

না – যে কথা গুলো কখনোই বলবেন না
5 (100%) 2 votes

না শব্দটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন এবং জটিল একটি শব্দ। হ্যাঁ এবং না এই শব্দ দুইটি অনেক ভেবে চিন্তে বলতে হয়। আমাদের জীবনে চলার পথে নানান সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। কিছু সমস্যার সমাধান করতে দরকার হয় ছোট্ট একটি শব্দ বলার। শব্দটি হলো না। কিছু কথা আছে যেগুলো বলা উচিত না। কথা গুলো না বললে আপনার জীবন হবে সুখ ও সাফল্যময়! এবার দেখে নিন কোন কথাগুলো বলবেন না ।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

না

যে কথাগুলো অফিসে বলবেন না

এটি আমার ভুল নয় – দায়িত্ব এড়ানোর এই কথাটি কখনোই ভালো কিছু নয়। জবাবদিহিতার আওতায় থাকুন। ভুলটি যখন হয়েই যায় তখন তাতে যদি আপনার কোনও ভূমিকা থাকে, হোক তা অতি সামান্যেরও কম, তাও সেটুকুর দায়িত্ব নিন। আর যদি আপনার কোনও ভুলই না থাকে, কি ঘটেছে তার একটি নিরপেক্ষ একটি ব্যাখ্যা তুলে ধরুন। সত্যের প্রতি কঠোর অবস্থানে থাকুন, আর আপনার বস কিংবা সহকর্মীদেরই একটি উপসংহারে পৌঁছুতে দিন। আপনি যখনই অন্যের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ শুরু করবেন, তখন থেকেই অন্যরা আপনার জবাবদিহিতার অভাবকে নির্দেশ করতে থাকবেন। এতে এক পর্যায়ে আপনি নিজেই নার্ভাস হয়ে পড়বেন। কেউ কেউতো আপনার এই গা বাঁচানো আচরণের কারণে আপনার সঙ্গ ত্যাগও করে ফেলতে পারে। আর ভবিষ্যতে কি হবে কোনও ভুল হলে তারা আপনাকেই প্রথম দোষারোপ করতে চাইবে।

আমি পারি না – ‘আমি পারি না আর ‘এটা আমার ভুল নয়’ কথাদুটো মাসতুতো ভাইয়ের মতো। মানুষ ‘পারি না’ কথাটি শুনতে চায় না। আর শুনলেই ধরে নেয়, প্রাকারন্তরে এর মানে হচ্ছে- ‘আমি কাজটি করবো না’। আপনি যদি সত্যিই না পারেন, আপনার যদি দক্ষতা নাই থাকে, তখন আপনি কাজটি করার জন্য বিকল্প কোনও প্রক্রিয়ার কথা বলতে পারেন। তবুও ‘পারি না’ কথাটি মুখ দিয়ে উচ্চারণ করবেন না। বরং বলবেন, আপনি কিভাবে পারবেন। কেউ সহযোগিতা করলে নিশ্চয়ই পারবো এমনটা বলে কাজের দায়িত্বটি নিয়ে নেওয়াই শ্রেয়।

এটি আমার কর্মপরিধির মধ্যে পড়ে না –  অফিসে একথা বলার মানেই হচ্ছে যতটাকা মাইনে পান তার মধ্যে যা কিছু আছে কেবল তা করতেই আপনি আগ্রহী। কিন্তু চাকরিটা যদি বাঁচিয়ে রাখতে চান এমন মনোভাব তার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদের কারণ। আপনার বস যদি আপনাকে কোনও কাজ করতে বলেন আর আপনি যদি ভাবেন এটি করা আপনার জন্য যথার্থ হবে না (নৈতিক ভাবে অযথার্থ না হলে) সবচেয়ে ভালো হচ্ছে, আন্তরিকতার সাথে কাজটি শেষ করে ফেলা। এবং পরে, বসের সঙ্গে কথা বলার সময় চেয়ে নিয়ে আপনার মনোভাবটি জানানো। এতে দু’জনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী বোঝাপড়া তৈরি হবে। তখন উভয়ই বুঝতে পারবেন কোন কাজটি আপনার করা উচিত, কোনটি নয়।

আমি চেষ্টা করবো – চিন্তা করছি, চেষ্টা করছি ধরনের কথাগুলো হচ্ছে সম্ভাব্য অর্থে। এর মানে হচ্ছে আপনি আস্থার অভাবে ভুগছেন, আর আপনার কোনও কাজ সুসম্পন্ন করার সক্ষমতা কম। নিজের যতটুকু যোগ্যতা তার পুরোটাতে নিজের আস্থা রাখুন। আপনাকে কিছু করতে বলা হলে তা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করুন, নয়তো ভিন্ন কোন পথে সেটা হতে পারে তা তুলে ধরুন। তবুও বলবেন না, চেষ্টা করবো।

এক মিনিটের মধ্যে করে দিচ্ছি – কথাচ্ছলে এমনটাই বলি আমরা। কিন্তু জানেনকি, এ কথাটি বলা মানে হচ্ছে আপনার কর্মদক্ষতাকেই ছোট করে দেখার সুযোগ তৈরি করা। আর এও ধারনা দেয় যে, আপনি তড়িঘড়ি করে কাজ করতে পছন্দ করেন। আর আপনি যদি সত্যিই নিশ্চিত হন, ৬০ সেকেন্ডের মধ্যেই কাজটি শেষ হয়ে যাবে তাও বলুন, কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে না। আর কখনোই কোনও কাজ শেষ করতে যতটা সময় লাগবে তার চেয়ে কম সময়ের কথা বলবেন না হোক সে কথাচ্ছলে কিংবা অন্যকিছু।

বাচ্চাদের শাসন করতে যেসব কথা বলবেন না

শাসন করা তারই সাজে, আদর করে যে। এই বাক্যটি মনে রেখে বাচ্চাদের শাসন করেন মা-বাবা বা পরিবারের গুরুজনরা। কিন্তু এই শাসন করতে গিয়েই তারা এমন সব কথা বা বাক্য ব্যবহার করেন, যা শিশুদের মনে ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। আপাতদৃষ্টিতে বাক্যগুলো সহজ-সরল হলেও আপনার ব্যবহৃত এই বাক্যগুলোই অন্য শিশুদের থেকে পিছিয়ে দিচ্ছে আপনার শিশুকে। চলুন জেনে নিই কোন কথাগুলো শিশুদের বলা উচিত নয়।

বড়দের কথা শোনা উচিত – কথাটি শুনে বাচ্চারা ভাবে সব বড়ই নিশ্চয়ই ভালো এবং সৎ। তারা যা বলবে আমাকে তাই করতে হবে। ফলে বাচ্চারা অপরিচিত কাউকে সৎ ভেবে তার কথা শুনতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারে। এই কথাটি না বলে বরং বলা উচিত ‘মা ও বাবার কথা শুনতে হয়। এই বাক্যটি আপনার সন্তান চিন্তা করতে বাধ্য করবে এবং অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলা উচিত সেটা শেখার তাগিদ দেবে।

কান্না বন্ধ করো – কথাটি শুনে বাচ্চারা  ভাবে নিজের আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ করা খুবই খারাপ কাজ। কাঁদলে আমাকে ধমক দেওয়া হবে। ফলে সে এক ধরনের নীরবতার মাঝে বড় হয়ে উঠবে। তবে এখনই হোক বা দেরিতে, লুকিয়ে রাখা এই আবেগ গুলোই রাগ অথবা কান্নার মাধ্যমে বের হয়ে আসবে। বরং আপনি বলতে পারেন, কী তোমাকে বিরক্ত করছে? কেন কাঁদছ তুমি? যদি বাচ্চারা পড়ে গিয়ে ব্যথা পায়, তাহলে বলা উচিত তুমি কি ব্যথা বা ভয় পেয়ে কাঁদছ? এ ধরনের কথা আপনার সন্তানকে আবেগ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা দেবে।

দুজনে সব সময় ভাগাভাগি করে খেলবে – এই কথাটি শুনে বাচ্চারা ভাবে আমাকে সবকিছু শেয়ার করতে হবে। এই পৃথিবীতে আমার ব্যক্তিগত বলে কিছু নেই। এই কথাটি আপনার সন্তানের মধ্যে আত্মত্যাগ করার মানসিকতা তৈরি করলেও সে নিজের মানসম্মান এবং অধিকার নিয়ে কথা বলতে শিখবে না। মানসম্মান এবং অধিকারকে সে নিজের জন্য মূল্যহীন বলে মনে করবে। অথচ আপনি বলতে পারেন – তুমি কী তোমার খেলনাটা দিয়ে এই বাচ্চাটাকে খেলতে দেবে? অথবা ‘কিছুক্ষণের জন্য তুমি ওর খেলনা দিয়ে খেল আর সে তোমার খেলনা দিয়ে খেলুক। এর ফলে আপনার বাচ্চা নিজের জিনিস কীভাবে সামলাতে হয় তা শিখবে। যদি আপনি বলার পরও আপনার বাচ্চা খেলনা শেয়ার করতে না চায়, তাহলে জোর করবেন না।

কার কাছে শিখেছ এই দুষ্টুমি – কথাটি শুনে বাচ্চারা ভাবে, আমার মা-বাবা তো জানে না আমি এই দুষ্টুমি কেন করেছি। এই কথাটি বলার কারণে আপনার বাচ্চা শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো শিখবে। অথচ আপনি বলতে পারেন – কেন তুমি এটা করেছ? এই বাক্যটি আপনার বাচ্চাকে বলতে সাহায্য করবে যে দুষ্টুমিটা সে নিজে থেকে করেছে নাকি কারো উৎসাহে করেছে। তাকে তার দোষ স্বীকারের যথেষ্ট সুযোগ দিন।

দেখো তোমার চেয়ে ওই ছেলেটা/মেয়েটা কত ভদ্র – কথাটি শুনে বাচ্চারা ভাবে, আমি অন্যদের চেয়ে খারাপ। আমি যাই করি না কেন, এটা অন্যদের মতো ভালো হবে না। অন্য শিশুর সঙ্গে নেতিবাচক ভাবে তুলনা করলে এর প্রভাব বাচ্চার আত্মসম্মানবোধের ওপর পড়ে। এর ফলে বাচ্চা ভাবতে থাকে, তাকে দিয়ে বড় কিছু অর্জন করা সম্ভব নয়। বরং আপনার বলা উচিত – আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমিও এই বাচ্চাটির মতো হতে পারবে। কথাগুলো বলার পাশাপাশি আপনার সন্তানের সামর্থ্যগুলো খুঁজে বের করুন এবং তাকে বুঝিয়ে দিন যে তার ওপর আপনার বিশ্বাস আছে। মনে রাখবেন, আপনার শিশুটি তার নিজের প্রতিভায় অন্যদের থেকে আলাদা।

যা বলার বাসায় গিয়ে বলব – কথাটি শুনে বাচ্চারা ভাবে, বাসায় গিয়ে মা-বাবা আমার গায়ে হাত তুলতে পারে। তারা আমাকে পছন্দ করে না। আমি বাসায় যেতে চাই না। এই কথাটি বলার সঙ্গে সঙ্গে মা-বাবার প্রতি ভালোবাসাটা হুমকিতে রূপ নেয় এবং বাচ্চারা বাসাটাকে শাস্তির জায়গা হিসেবে মনে করতে থাকে। বরং আপনি বলতে পারেন – শোন তোমাকে বলি, কেন আমি তোমার ওপর মর্মাহত হয়েছি। এই কথাটি শোনার পর বাচ্চারা আপনার আবেগকে মূল্য দেবে এবং ভবিষ্যতে কোনো দুষ্টুমি করার আগে বিবেচনা করবে।

এ বিষয়ে তোমার চিন্তা না করলেও চলবে – কথাটি শুনে বাচ্চারা ভাবে – আমি জানতে চাই, আমি অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করব। যদি আপনার সন্তান আপনাকে অস্বস্তিকর কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে এবং যথাযথ জবাব না পায়, তাহলে অন্য কোনো উৎস থেকে সে তার প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে এবং তার খুঁজে পাওয়া ব্যক্তিটি প্রশ্নটির উপযুক্ত উত্তর না দিয়ে ভুল তথ্যও দিতে পারে। অথচ আপনার যা বলা উচিত – আমি এখন তোমার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছি না। আমার কিছুটা সময় লাগবে। আপনার সন্তানকে নিরাশ করবেন না। যদি সে আপনাকে কোনো প্রশ্ন করে, তার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করুন। এই পদ্ধতিতে তার ওপর আপনার কর্তৃত্ব বজায় থাকবে এবং সেও আপনার ওপর বিশ্বাস হারাবে না।

কারো বিয়ে না হলে ভুলেও এই কথাগুলো বলবেন না

বিয়েটা অবশ্যই জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জন্ম ও মৃত্যুর পর বিয়েটাই একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় ঘটনা। তবে হ্যাঁ, অনেকেই কোনও না কোনও কারণে বিয়ে করেন না। কেউ বিয়ে স্বেচ্ছায় না করলে আলাদা বিষয়। কিন্তু কেউ যখন চাইছেন, কিন্তু শত চাওয়া বা চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁর বিয়েটা হচ্ছে না, তখন ব্যাপারটি অন্যরকম হয়ে দাঁড়ায়। এবং কাছের মানুষরাও তখন নানারকম মন্তব্য করেন। একবার কি ভেবে দেখেছেন, এসব শুনতে তাঁদের কেমন লাগে? চলুন, জেনে নিই এমন কি কি কথা যেগুলো মোটেই বলা চলবে না।

▪বয়স হয়ে যাচ্ছে তো, এরপর বর/কনে পাবে না!
– তিনি যানেন বয়স হচ্ছে। অযথা সেটা মনে করিয়ে দেবার কোন প্রয়োজন নেই আপনার।

▪একটা প্রেমও করতে পারলে না? আজকাল তো প্রেমেরই চল।
– প্রেম করতে পারলে কি আর বিয়ে না করে বসে থাকতেন? এমনও তো হতে পারে যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ও সেটি ব্যর্থ হয়েছে।

▪বিয়ের বয়স তো পার হয়ে যাচ্ছে তোমার।
– বিয়ের বয়স বলে আসলে কিছু নেই। একজন মানুষ যখন নিজেকে তৈরি মনে করেন, সেটিই তাঁর বিয়ের বয়স।

▪এর চাইতে বেশি দেরি করলে তো বাচ্চা হবে না।
– এসব বলে অযথা মন ভেঙে দেয়ার কোন মানে নেই। চিকিৎসা ব্যবস্থা আজকাল অনেক উন্নত, বয়স হলেও সেটা আজকাল বিষয় না।

▪তোমার বিয়ে না হওয়ার কারণটা কী?
– নিজেই ভেবে দেখুন, কেউ কি অন্য কারো কাছে নিজের ত্রুটির কথা বলতে ভালোবাসে?

▪ছেলে/মেয়েদের কীভাবে পটাতে হয় আমার কাছ থেকে শিখে নাও।
– আগ বাড়িয়ে যেচে এসব পরামর্শ দেয়ার মানে নিজেকেই ছোট করা।

▪ভালো ঘটকের সাথে যোগাযোগ করো।
– যার বিয়ে হচ্ছে না, মাথা তাঁকেই ব্যথা করতে দিন। আপনার উপদেশ দেবার দরকার নেই যেচে।

▪তোমার চেহারা হয়তো পছন্দ হয় না।
– একটা মানুষের চেহারা সুন্দর কি অসুন্দর, সেটা নিয়ে খোটা দেয়াটা নিচু শ্রেণীর অভদ্রতা।

▪চিন্তা করো না, তোমাকে বেশি বয়স্ক দেখায় না।
– এটা বলে উল্টো মনে করিয়ে দেয়া হয় যে তোমার বয়স বেশি।

▪বেশি বাছাবাছি করতে যেও না। যাকে পাও, বিয়েটা করেই ফেলো।
– বিয়ে হচ্ছে না বলে যাকে তাকে বিয়ে করতে হবে এমন পরামর্শ ভুলেও দেবেন না কাউকে।

▪তোমার মত বয়সে আমার সংসার-সন্তান ছিল।
– সবার জীবন একরকম হয় না। তাই অহেতুক তুলনা করবেন না।

▪বাইরে যাও, লোকের সাথে মেলামেশা করো। দেখো কাউকে পটাতে পারো কিনা।
– এটাও ভীষণ সস্তাদরের উপদেশ।

▪আমি শুনেছি বেশি বয়সে বিয়ে করলে অনেক সমস্যা হয়।
– যে মানুষটার বিয়ে হচ্ছে না, এমনিতেই তাঁর মন ভেঙে আছে। অযথা আরও ভয় দেখানোর কোন মানে নেই।

▪যৌবন তো শেষ, আর কবে বিয়ে করবে?
– নিজেই ভালো করে ভেবে দেখুন তো, এমন একটা কথা আপনাকে কেউ বললে কেমন লাগবে?

সেক্সের সময় পার্টনারকে যা বলবেন না

আগে ক’জনের সাথে তুমি সেক্স করেছ – ভাবুন তো, সেক্সের ওই চরম মুহূর্তে আদরে গলে গিয়ে ইমোশনাল হয়ে আপনি বলেই ফেললেন আগে কতজন ছেলের সাথে তোমার সম্পর্ক ছিল আর কতজনের সাথে সেক্স করেছ। আপনার পার্টনার যে আপনাকে ওই সময়ে একান্ত নিজের করে আপনাকে পেতে চায়, সেটা তাকে পেতে দিন। ওই মুহূর্তটা তো একান্তভাবেই আপনাদের দুজনের। তাই মাঝখানে কাবাব মে হাড্ডি অতীতকে এনে ভবিষ্যতটাই বা বরবাদ করবেন কেন?

এতেই শেষ – নাহ। এই প্রশ্নটি ভুলেও করবেন না। এই সেক্সের সময় বা সেক্সের পর একটা ছেলেকে এই প্রশ্ন করা মানে কিন্তু তাকে একভাবে ব্যঙ্গ করা, তার দম, এনার্জি, পৌরুষত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা, তাকে অপমান করাও বটে। তাই যা হয়েছে তাতেই আপাতত তুষ্ট থাকুন সেই দিনের জন্য।

আঃ! কি বডি – সেক্সের সময় পার্টনারের সামনে নিজের প্রিয় হিরোর বডি নিয়ে কোনো কথা না। সে আপনার পার্টনার যতই ভুঁড়িওয়ালা হন না কেন। আপনার পার্টনার কিন্তু তাহলে আপনার প্রিয় হিরোকেই নিজের রাইভ্যাল ভেবে বসতে পারেন। ভুঁড়ি নিয়ে তাঁকে পরে পরামর্শ দিন। কিন্তু সেক্সের ওই তুঙ্গ মুহূর্তে নয়।  সময় পরে প্রচুর পাবেন। তখন তাঁকে ভুঁড়ি নিয়ে যত খুশি উপদেশ দিন।

ফ্যামিলিকে দূরে রাখুন – কাজ, ফ্যামিলির কথা, সংসারের গুচ্ছ কথা এসময় মাথা থেকে টাটা করে দিন টেম্পোরারিভাবে। সেক্সের সময় দুজনে দুজনকে নিয়ে ব্যস্ত থাকুন। ওটাই সব থেকে জরুরি। বাকি কথা বলার সময় তো পরেও অনেক পাবেন! তাই সেক্সের সময় খুঁটিনাটিগুলো নজরে রাখুন। বাজে কথা কম বলুন।

118 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে
  • 14
    Shares

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন