দুধ খাওয়ার নিয়ম এবং স্বাস্হ্য উপকারিতা

দুধ খাওয়ার নিয়ম এবং স্বাস্হ্য উপকারিতা
5 (100%) 5 votes

দুধ পুষ্টিকর এবং সুষম খাবার। দুধকে বলা হয় সুপার ফুড বা সর্বগুণ সম্পন্ন খাবার। দুধ খেলে দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন দুধ পানে ত্বক নরম, কোমল ও মসৃণ হয়। দুধে রয়েছে, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি-১২, নিয়াসিন ও রিবোফ্লভিন। দুধের  নানা পুষ্টিগুণ আপনাকে সুস্থ, সবল ও নিরোগ রাখতে পারে। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পানে অন্যান্য খাবারের চাহিদা অনেকাংশে মিটে যায়। নাস্তার সময় এটি পান করলে অনেক সময় ধরে সেটা পেটে থাকে। ফলে ক্ষুধা কম থাকে। এছাড়া এটি পানের ফলে দেহের অনেক ধরণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়। তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগলে এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে কম সময়ে ওজন কমাতে চাইলে, প্রতিদিনের ডায়েটে এটি রাখুন।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

দুধ

দুধ খাওয়ার নিয়ম

পুষ্টিকর সুষম খাবার বলতে আমরা মূলত দুধকে (Milk) বুঝি। বিশেষজ্ঞদের মতে এই দুধ খাওয়ার সঠিক সময় হল রাত। এটি হজম হতে সময় বেশি লেগে থাকে, যার কারণে দিনের বেলা  খাওয়া হলে আপনি অলসবোধ করতে পারেন। রাতে দুধ পান করুন, এতে শরীর রিল্যাক্স হবে এবং কোষগুলো দুধের পুষ্টি ভালো ভাবে শুষে নিতে পারবে।

দুধ খাওয়ার উপকারিতা

প্রতিদিন খাবার তালিকায় মাত্র এক গ্লাস দুধ আমাদের দেহের যতোটা উপকার করে তা অন্য কোনো খাবার করতে পারে না। এই কারনেই দুধকে বলা হয় সর্বগুণ সম্পন্ন খাবার। এবার একনজরে দেখে নিন এটি খাওয়ার উপকারিতা।

হাড় মজবুত করে – দুধ ক্যালসিয়ামের সব চাইতে ভালো উৎস। ক্যালসিয়াম আমাদের দাঁত ও হাড়ের গঠন মজবুত করে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম ভিটামিন ডি এর সাহায্যে আমাদের হাড় ও দাঁতে শোষিত হয়ে হাড় ও দাঁতের গড়ন দৃঢ় করে এবং দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। বাচ্চাদের ছোটকাল থেকেই এটি পানের অভ্যাস করানো উচিৎ। এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই অভ্যাসটি অপরিবর্তিত থাকলে দেহে বার্ধক্যও আসবে দেরিতে।

মাংসপেশির গঠন উন্নত করে – দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা মাংশপেশির গঠনে অনেক বেশি সহায়তা করে। এটি মাংশপেশির আড়ষ্টতা দূর করতে সক্ষম। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাদের জন্য প্রতিদিন ১ থেকে ২ গ্লাস দুধ অত্যন্ত জরুরী। বাচ্চাদের মাংশপেশির গঠন উন্নত করতেও প্রতিদিন এটি পান করা প্রয়োজন।

ওজন কমায় – প্রতিদিন ১ গ্লাস দুধ পান করলে অন্যান্য খাবারের চাহিদা অনেকাংশে কমে যায়। এবং নাস্তার সময় এটি পান করলে অনেকটা সময় পেটে থাকে। ফলে আজেবাজে খাবারের চাদিহা কমে। এতে করে ওজনও কমে যায়। এছাড়াও দুধ একটি সর্বগুণ সম্পন্ন খাবার। এটি পানের ফলে দেহে অনেক ধরণের পুষ্টি উপাদান পৌছায় যার কারণে যারা ডায়েট করে ওজন কমাতে চান তাদের জন্যও এটি সুপারফুড।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে – দুধে রয়েছে নানা ধরণের ভিটামিন মিলারেস ও নানা পুষ্টিগুণ। প্রতিদিন এটি পান করলে ত্বকে এর বেশ ভালো প্রভাব পড়ে। ত্বক হয় নরম, কোমল ও মসৃণ। তাই প্রতিদিন ত্বকের যত্ন নিতে খাবার তালিকায় এক গ্লাস দুধ রাখা প্রয়োজন।

মানসিক চাপ দূর করে – দুধের অন্য একটি বড় গুণ হচ্ছে এটি মানসিক চাপ দূর করতে সহায়তা করে। এটি পানে ঘুমের উদ্রেক হয়, যার ফলে মস্তিষ্ক শিথিল হয়ে যায় এবং মানসিক চাপ দূর হয়। এটি খেলে আমাদের শরীরে সেরোটোনিনের (Serotonin) পরিমাণ বেড়ে যায়। এটি ‘ব্রেইন ক্যামিকেল’ নামে পরিচিত। এই উপাদান শরীরে পর্যাপ্ত সৃষ্টি হলে মন ভালো থাকে, মুড ভালো থাকে। তাই একে অনেকে ‘হ্যাপি হরমোন’ বলেও ডাকেন। এছাড়া সারাদিনের মানসিক চাপ দূর করে শান্তির ঘুম দিতে চাইলে প্রতিদিন রাতে ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধ পান করা উচিৎ।

বুক জ্বালাপোড়া বন্ধ করে – অনেক ধরণের খাবার আমরা খাই যার ফলে আমাদের অ্যাসিডিটি হয় এবং বুক প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া করে। এর সব চাইতে সহজ এবং সুস্বাদু সমাধান হচ্ছে দুধ পান। এটি পানে পাকস্থলী ঠাণ্ডা হয় এবং বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা দূর হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে – দুধকে বলা হয় সুপারফুড। দুধে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, ভিটামিন, মিনারেল রয়েছে যা দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত এটি খেলে আর্টারিওস্ক্যারোসিস (arteriosclerosis) এ আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচা যায়। এ রোগ হলে আমাদের আর্টারি গুলোর দেয়াল পুরু, শক্ত ও অস্থিতিস্থাপক হয়ে যায়। এতে শরীরের রক্তচলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। এতে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। এটি কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্ত পরিষ্কারের পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।

হলুদ এবং দুধ একসাথে খাওয়ার উপকারিতা

হলুদ আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে ঔষধ হিসেবে হাজার হাজার বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। হলুদে বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান থাকে যেমন প্রোটিন, খাদ্যআঁশ, নায়াসিন, ভিটামিন সি, ই, কে, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিংক। হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রদাহ বিরোধী, ভাইরাস বিরোধী, ব্যাকটেরিয়া বিরোধী, ফাঙ্গাল বিরোধী, ক্যান্সার প্রতিরোধক গুনাগুন থাকার কারনে এর রয়েছে অনেক ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা।
হলুদ দুধের মিশ্রণ তৈরি করতে –  ১ কাপ  গরুর দুধ বা যেকোনো দুধ দিতে পারেন। এক কাপ দুধ,রান্নার নারকেল তেল এক চা চামচ এবং হলুদের পেস্ট ১/৪ চা চামচ  একসাথে মিশিয়ে একটি পাত্রে নিয়ে মধ্যম আঁচে চুলায় জ্বাল দিলেই হলুদদুধ তৈরি হয়ে যাবে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে – এক চা চামচ হলুদ পেস্ট প্রতি বেলার খাবারে রাখলে ওজন কমাতে এবং স্থূলতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। হলুদ খাবারের ফ্যাটের বাইল সল্টের ভাঙ্গনের গতি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই যদি ওজন কমাতে চান বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে গোল্ডেন মিল্ক বা হলদেদুধ খান।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে – ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় কার্যকর ভাবে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে হলুদ ঔষধের মত কাজ করে। এটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন প্রতিবন্ধকতা কমাতে সাহায্য করে। তাই ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলুদদুধ পান করুন।

ডায়রিয়ার চিকিৎসায় – হলদেদুধ বদ হজম এবং ডায়রিয়া কমাতে সাহায্য করে। তবে এই ক্ষেত্রে অবশ্যই লো-ফ্যাট দুধ ব্যবহার করতে হবে কারন হাই ফ্যাট দুধ ডায়রিয়া বাড়িয়ে দেবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে – হলদেদুধ যেমন ডায়রিয়া প্রতিরোধ করতে পারে ঠিক তেমনি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। তবে এই ক্ষেত্রেও লো ফ্যাট দুধ ব্যবহার করুন।

আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধে – হলুদ মস্তিস্কের বিভিন্ন প্লাক দূর করতে সাহায্য করে যার ফলে বিভিন্ন মানসিক রোগ হয় যেমন আলঝেইমার প্রতিরোধ করে। হলুদ মস্তিস্কে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে মস্তিস্কের কাজকে উন্নত করতে সাহায্য করে এবং আলঝেইমার রোগের গতিকে ধীর করে এবং প্রতিকার করার চেষ্টা করে।

যকৃতের রোগ প্রতিরোধ করে – হলুদ গুরুত্বপূর্ণ এনজাইমের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে যা যকৃতকে রক্ত বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। হলুদ দেহের দূষণ দূর করে দেহের সমস্ত বিষাক্ততা দূর করতে সাহায্য করে। এটি রক্ত প্রবাহকে বাড়িয়ে যকৃতের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। তাই যকৃতের সুস্থ্যতায় হলুদ দুধের মিশ্রণ পান করুন।

মধু এবং দুধ একসাথে খাওয়ার উপকারিতা

বিভিন্ন রোগ নিরাময়কারী হিসেবে বহুকাল আগে থেকেই দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়ার প্রচলন চলে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান। দুধের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ডি। রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রাণিজ প্রোটিন ও ল্যাকটিক অ্যাসিড। দুধ ও মধু যখন একসঙ্গে মেশানো হয়, এটি আরো স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে।

মানসিক চাপ কমায় – গরম দুধ ও মধু একসঙ্গে খেলে স্নায়ুর ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। এটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ বেশি থাকলে দিনে দুবার এই মিশ্রণ খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

ঘুম ভালো করে – দুধের মধ্যে মধু মিশিয়ে ঘুমের এক ঘণ্টা আগে খেলে এটি মস্তিষ্কের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। মধু মস্তিষ্ককে শিথিল করে এবং ভালো ঘুমে সাহায্য করে।

হজম ভালো করে – পেট ফোলা ভাব বা হজমের সমস্যা হলে গরম দুধ ও মধুর মিশ্রণ খেয়ে দেখতে পারেন। এটি পাকস্থলী থেকে গ্যাস বের করে দিতে সাহায্য করে এবং পেট ব্যথা কমায়।

শক্তি বাড়ায় – সকালবেলা গরম দুধের মধ্যে মধু মিশিয়ে খেলে কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং সারা দিন শরীরের শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। পাকস্থলীর সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই মধুর মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান পাকস্থলীর সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে। তাই পাকস্থলী ভালো রাখতে এই মিশ্রণ খেতে পারেন।

তারুণ্য ধরে রাখে – মধু ও দুধের মিশ্রণ খাওয়া বার্ধক্যের আগমনকে ধীর করে। তারুণ্য ধরে রাখার জন্য এই খাবার শতবর্ষ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

কখন দুধ খেলে সমস্যা হয়

যাদের কিডনিতে পাথর হয়েছে তাদের দুধের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলেন চিকিৎসকরা। আমরা জানি কিডনির পাথরের একটি উপাদান হচ্ছে ক্যালসিয়াম। আর দুধে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। তাই এ ধরনের রোগীর উচিত দুধ কম খাওয়া এবং রাতে একেবারেই দুধ না খাওয়া।  এ ব্যাপারে তাদের উচিত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা।

যাদের শরীরে ‘ল্যাক্টেজ’ (lactase) নামক এনজাইমের অভাব আছে, তাদের উচিত দুধ খাওয়ার ব্যাপারে সাবধান হওয়া। ল্যাক্টেজ দুধ হজম করতে আমাদের সাহায্য করে। এটি দুধের উপাদান ল্যাক্টোজ (lactose) কে ভেঙে দেয়। বস্তুত আমাদের শরীর সরাসরি ল্যাক্টোজ গ্রহণ করতে পারে না। তাই ল্যাক্টেজের ভূমিকা এখানে গুরুত্বপূর্ণ। তাই, যাদের শরীরে ল্যাক্টেজের অভাব আছে, তাদের এটি খাওয়ার ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ শুনতে হবে।

যাদের ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশের আলসার তথা ডিউডেনাল আলসার আছে বা যাদের গলব্লাডারের সমস্যা আছে তাদের উচিত এটি খাওয়ার ব্যাপারে সাবধান হওয়া। কারণ, দুধ এই ধরনের রোগীর রোগ আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।

যাদের পেটে অপারেশান করা হয়েছে, তাদের দুধ খাওয়া ততদিন বারণ, যতদিন না তারা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠছেন। অর্থাৎ ঘা শুকিয়ে গেলে, তখন এটি খাওয়া যাবে।

আপনাদের মধ্যে যারা শরীরে আয়রন বা লোহার অভাব পূরণের জন্য নিয়মিত আয়রন ট্যাবলেট খাচ্ছেন, তাদের উচিত এটি না খাওয়া। আমরা জানি, দুধে ক্যালসিয়াম আছে, আছে ফসফেটও। এই পদার্থ গুলো আয়রনের সাথে বিক্রিয়া করে আপনার শরীরের ক্ষতি করতে পারে। তাই যতদিন আয়রন ট্যাবলেট খাচ্ছেন, ততদিন দুধ খাওয়া বন্ধ থাকুক। যখন আয়রন ট্যাবলেট খাওয়া বন্ধ করবেন, তখন দুধ চলতে পারে আগের মতোই।

যারা প্যানক্রিয়েটিটিস (Pancreatitis) বা অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ রোগে আক্রান্ত, তাদের উচিত এটি না খাওয়া। আমরা জানি, দুধে স্নেহজাতীয় পদার্থ আছে। এ ধরনের উপাদান হজমের জন্য পিত্ত ও অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এনজাইম প্রয়োজন হয়। যদি অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এটি খান, তবে তার অসুস্থতা বেড়ে যাবে।

আসলে, দৈনন্দিন জীবনে আমাদের সাবধান হয়েই চলতে হয়। দুধ খুবই ভালো একটি খাদ্য; অথচ এ খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রেও আমাদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। কিন্তু, আগেও যেমনটি বলেছি, এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে দিন আপনার চিকিৎসককে।

373 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে
  • 8
    Shares

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন