ত্বকের যত্ন নেওয়ার গুরত্বপূর্ণ টিপস

ত্বকের যত্ন নেওয়ার গুরত্বপূর্ণ টিপস
5 (100%) 8 votes

ত্বকের যত্ন না নিলে ত্বকে অনেক ধরণের সমস্যা সৃষ্টি হয়। আবার সঠিক ভাবে ত্বকের যত্ন না নিলে ত্বক ফাটা, ত্বকে ছোপ ছোপ কালো দাগ, ফাঙ্গাস, উজ্জ্বলতা কমে যাওয়াসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিলে ত্বক হয়ে উঠবে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যজ্জ্বল। দেহের প্রাথমিক সুরক্ষা ত্বকের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে ত্বকেও নানা রকম জটিলতা দেখা দিতে পারে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

ত্বকের যত্ন

প্রতিদিনের ত্বকের যত্ন

নিয়ম করে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। মুখে দাগ-ছোপের জন্য স্পষ্ট ট্রিটমেন্ট ক্রিমটাও প্রতিদিন ব্যবহার করতে হবে নিয়ম করে। প্রতিদিন গোসলটা করতেই হবে। এতে ক্লান্তি দূর হবে, শরীর থাকবে ঝরঝরে। প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমান ঘড়ি ধরে। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে লেবুপানি পান করতে পারেন। ভিটামিন এ, সি, ই তে পরিপূর্ণ এ পানীয় গুলো দেহের প্রয়োজন মেটানোর সঙ্গে ত্বককেও রাখবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। প্রতিদিন খাবারে সবুজ শাকের সঙ্গে অ্যাভোকাডো আর কলা রাখতে পারেন মেনুতে। সকালের নাস্তায় আপেল খেতে পারেন। আপেলের উপকারিতা অনেক, আপেল দেহকে সতেজ রাখে।

প্রতি সপ্তাহে ত্বকের যত্ন

কর্মজীবী মানুষ ছুটির দিনে ত্বককে দিন বিশেষ যত্ন। ঘরে বসে ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেস মাস্ক তৈরি করে মেখে নিন মুখে। সঙ্গে ত্বককে দিন রিল্যাক্সিং ফেসিয়াল ম্যাসাজ। মাথার ত্বকও মালিশ করে নিন। নখের এবং চুলের যত্ন নিন। নখ কাটার সঙ্গে সঙ্গে ক্রিম লাগান। নেইলপালিশ তুলে ফেলুন কিংবা রংটা পাল্টাতে পারেন। ছুটির দিনে হালকা ইয়োগা করতে পারেন। সঙ্গে সপ্তাহে একদিন যন্ত্রের সহায়তায় ব্যায়াম করা ত্বকের জন্য উপকারী।

পাক্ষিক ত্বকের যত্ন – মেয়েদের পনেরো দিনে একবার হলেও ভ্রুর পরিচর্যা করতে হবে। চাইলে হাত-পায়ের অবাঞ্ছিত লোমও তুলে ফেলা দরকার। চুলের যত্নে নিতে পারেন হট অয়েল ট্রিটমেন্ট (তেল একটু গরম করে মালিশ করা)। চুলের ফাটা আগাও ছেঁটে নেওয়া যেতে পারে এ সময়। এ ছাড়া বিছানার চাদর, বালিশের ঢাকনা পরিবর্তন আর জানালার পর্দা জীবাণুমুক্তকরণ করতে হবে সপ্তাহে। মেকআপের ব্রাশও পরিষ্কার করে ফেলতে হবে এ সময়।

শুষ্ক ত্বকের যত্ন

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা আমাদের মধ্যে অনেকেরই আছে। পরিচর্যার অভাবেও অনেক সময় ত্বক শুষ্ক হতে পারে। সঠিক ভাবে ত্বকের যত্ন নেয়া খুবই প্রয়োজন। ত্বক থেকে ময়েশ্চার কমে গেলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তাই খেয়াল রাখতে হবে ত্বকের ময়েশ্চার যাতে একেবারেই কমে না যায়। বারবার হাতমুখ না ধুয়ে দিনে দুবার হাতমুখ ধোয়ার সময় পানি ব্যবহার করুন। কর্মসূত্রে আমাদের সবাইকেই বাইরে বের হতে হয়। তাই সাথে ক্রিমবেসড ক্লেনজিং লোশন আর তুলো অবশ্যই রাখুন। বাইরে থেকে ফিরে ক্লিনিজং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজিং লোশন লাগিয়ে নিন। কখনো খুব ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুবেন না। মুখ মোছার সময় খুব বেশি ঘষা ঠিক নয়। তোয়ালে দিয়ে হালকা করে চেপে পানি মুছে ফেলুন। শুষ্ক ত্বকে ময়েশ্চারাইজিং অপরিহার্য। হাত, মুখ ও গলা ছাড়া শরীরের অন্যান্য অংশে আমরা ময়েশ্চারাইজার লাগাই না। এটা ঠিক নয়, এতে শরীরের অন্যান্য অংশ শুষ্ক থেকে যায়, ত্বকের ক্ষতি হয়। তাই গোসলের পর ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লোশন অবশ্যই লাগাতে হবে। একই ভাবে ত্বকের কোমলতা বজায় রাখতে অয়েল ম্যাসাজ খুবই জরুরি। যাদের ত্বক শুষ্ক তারা নিয়মিত অয়েল ম্যাসাজ করলে ত্বকের কোমলতা বৃদ্ধি পাবে। অলিভ অয়েল এ ক্ষেত্রে খুব ভালো। গোসলের আগে নিয়মিত অয়েল ম্যাসাজ করুন। এতে ত্বক যেমন ভালো এবং হাইড্রেটেড থাকবে তেমনি একটা রিল্যাক্সিং অয়েল ম্যাসাজ শরীর ও মনের ক্লান্তি দূর করে ত্বকে ফিরিয়ে আনবে কোমলতা ও উজ্জ্বলতা। শুষ্ক ত্বকের যত্ন নিতে কয়েকটি টিপস।

• শুষ্ক ত্বকের জন্য ত্বক উপযোগী ক্লিনজার দিয়ে প্রতিদিন দু’বার ভালো করে মুখ পরিষ্কার করতে হবে।
• গোসলের পর ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ পরিষ্কার করে ভারী ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লাগিয়ে নিন।
• যতটা সম্ভব কম মেকআপ ব্যবহার করুন।
• সারা দিনে দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করুন।
• প্রতিদিন একটি মওসুমি ফল খাবেন এবং শাকসবজি বেশি করে খাবেন।
• সপ্তাহে অন্তত দু’বার শুষ্ক ত্বকে উপযোগী স্ক্র্যাবার ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকের উপযোগী ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

যাদের ত্বক এমনিতেই তেলতেলে তাদের বিপদ আরও বেশি। ত্বকের অতিরিক্ত তেল ব্রণের কারণ। এছাড়া এ ধরনের ত্বকে মেকআপও সহজে বসতে চায় না। ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন প্রাকৃতিক উপাদান। জেনে নিন কিভাবে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিবেন –

চন্দন – তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিতে ব্যবহার করতে পারেন চন্দনের ফেসপ্যাক। চন্দন গুঁড়া গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করুন পেস্ট। মুখ ও গলার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের অতিরিক্ত তেল চলে যাবে।

লেবু – লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড ত্বকের তেলতেলে ভাব কমায়। লেবু সরাসরি লাগাতে পারেন ত্বকে। আবার ফেসপ্যাকের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। তবে আগে নিশ্চিত হয়ে নিন লেবুতে আপনার এলার্জি আছে কিনা।

শসা – শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রাকৃতিক ভাবে ত্বক পরিস্কার করে। বন্ধ হওয়া লোমকূপ থেকে মুক্তি দেয় এটি। ফলে ত্বকে অতিরিক্ত তেল জমতে পারে না। ত্বকের যত্ন নিতে শসা পেস্ট করে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।

দুধ – কাঁচা দুধ ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমায়। পাশাপাশি উজ্জ্বল ও কোমল করে ত্বক। দুধে তুলা ভিজিয়ে চেপে চেপে লাগান ত্বকে। ৩০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

পেঁপে – ত্বকের মরা চামড়া দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে পাকা পেঁপে। পেঁপের টুকরা চটকে ত্বকে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। কমে যাবে ত্বকের তেলতেলে ভাব।

দই – দইয়ে থাকা ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম দূর করে ত্বকের অতিরিক্ত তেল। মুখ অথবা ত্বকের যত্ন নিতে
দইয়ের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন গোসলের আগে। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ত্বক।

ত্বকের যত্ন

শীতে ত্বকের যত্ন

শীতের সময় শেভ করার পর ছেলেদের ত্বক বেশি খসখসে হয়ে যায়। তাই শেভ করার পর সাথে সাথে মুখে মশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। এতে সারাদিন ত্বক মসৃণ থাকবে। ছেলে মেয়ে উভয়েই চেষ্টা করুন শীতের সময় ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করতে। এবার জেনে নিন শীতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় –

পরিচ্ছন্নতা – শীতকালের আগ মুহূর্তে আবহাওয়া হঠাৎ শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় বাতাসে ধুলোবালির পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই  ত্বকের যত্ন নিতে প্রথম ধাপই হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা। এজন্য কুসুম গরম পানিতে গোসল করুন প্রতিদিন। ফেস ওয়াশের বদলে তুলোয় ক্লিনজিং মিল্ক লাগিয়ে মুখ পরিষ্কার করে মুছে নিন। তারপর পানির ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

খাওয়া দাওয়া – সঠিক খাওয়া দাওয়া ত্বক ভালো রাখতে খুবই জরুরি। প্রচুর মৌসুমি ফল ও শাক সবজি খান। প্রতিদিন সকালে উঠে ১ চামচ মধু খান। ঠাণ্ডা যেমন লাগবে না, ত্বকের জেল্লা বাড়বে।শরীর ভিতর থেকে শুকিয়ে গেলেই তার প্রভাব বাইরে পড়ে। তাই শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূরে রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

ময়েশ্চারাইজিং – এই সময় ময়শ্চারাইজিং ভীষণ ভাবে জরুরি। ত্বকের যত্ন নিতে গোসলের পানিতে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন ফেলে দিন, এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। গোসলের পর এবং বাড়ি ফিরে হাত, মুখ ধোওয়ার পর ভালো করে হালকা কোনও ময়েশ্চারাইজার মুখে, হাতে পায়ে লাগান। ভারী ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে বাইরে বেরুবেন না। এতে ধুলো ময়লা গায়ে বসে যাবে। ফাটা পা পরিষ্কার করার পর অবশ্যই ভাল ক্রিম লাগিয়ে শুতে যাবেন। ঠোঁট ফাটলে অল্প গ্লিসারিন আঙুলে নিয়ে ঠোঁটে লাগান। সারাদিন লিপ বামের হালকা পরত লাগিয়ে রাখুন।

গোড়ালির যত্ন – শুষ্ক গোড়ালি, কনুইয়ের জন্য এই সময় খুব ভালো ঘরোয়া পদ্ধতি হলো এক টুকরো লেবুর সঙ্গে চিনি লাগিয়ে কিছুক্ষণ কনুইতে ঘষুন। কিছু সময় রেখে ধুয়ে ফেলুন।

ফেসপ্যাক – ময়দা, বেসন বা যে কোনো ধরনের প্যাক যা ত্বককে শুষ্ক করে দেয় তা একেবারেই লাগাবেন না, ত্বক আর্দ্রতা হারাবে। তারচেয়ে বরং এই সময়ের জন্য উপকারী ফ্রুট প্যাক। কলা আর মধু মিশিয়ে মুখে গলায় লাগান। ত্বক পরিষ্কার যেমন করবে, আর্দ্রতা বজায় রাখবে আবার উজ্জ্বলতাও বাড়বে।

গরমে ত্বকের যত্ন

রোদ ও ধূলোবালিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমাদের ত্বক। যাঁরা চাকরিজীবী বা প্রয়োজনে দীর্ঘ সময় রোদে থাকেন, ত্বকের প্রতি অতিরিক্ত উদাসীন, তারাই ক্ষতির শিকার হন বেশি। রোদে রয়েছে ভিটামিন-ডি, যা ত্বকের পুষ্টি জোগায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে রোদে পোড়াটাও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। রোদের ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি ত্বকের ঔজ্জ্বল্য নষ্ট করে। তাই এ ঋতুতে ঘাম, ধূলোবালি, আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করা অপরিহার্য। গরমে যত্নের অভাবে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয় তাই এই সময় ত্বকের যত্ন নেওয়াটা খুবই জরুরী। অতিরিক্ত গরমে ত্বক আর্দ্রতা হারায় এবং শুষ্ক হয়ে পড়ে।  রোদের পোড়াভাব ত্বকে খুব তাড়াতাড়ি বসে যায়। লোমকূপে ময়লা জমে মুখে ব্রণ হয় এবং রোদের ছোপ ছোপ দাগ পড়ে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ঘাম থেকে ঘামাচিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই গরমে ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজনীয় কিছু টিপস দেখে নিন।

ত্বক পরিষ্কার – পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে বেশি যত্নশীল হতে হবে। এজন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সাবান অথবা ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ। তবে গরমে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার। তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীদের গরমকালে কষ্ট হয় বেশি। তেলগ্রন্থী গুলো এ সময় সক্রিয় হয়ে উঠার কারণে তেল বের হয় বেশি। মেডিকেটেড ফেইস ওয়াশ ব্যবহার করলে ভালো ফল পেতে পারেন।

সানস্ক্রিন – গরমের দিনে সবচেয়ে প্রয়োজন হচ্ছে সানস্ক্রিন। রোদ থেকে রক্ষা পেতে বাইরে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করবেন, বিশেষ করে চোখের নীচের নমনীয় ত্বকের জন্য মেডিকেটেড সানস্ক্রিন এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য তেলবিহীন সানস্ক্রিনই ব্যবহার করতে হবে। ত্বকের যত্ন নিতে সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন তাতে যেন সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর এসপিএফ অন্তত ১৫ হয়।

ক্রিম – শুষ্ক ত্বকের খসখসে ভাব দূর করার জন্য এবং বলিরেখা পড়ার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য সবসময় ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। অবশ্য ক্রিমের বদলে বেবি লোশনও ব্যবহার করতে পারেন। তবে গরমের দিনে ক্রিম হতে হবে তেলবিহীন। নতুবা ক্রিমের অতিরিক্ত তেল গরমে আরো বেশি সমস্যা তৈরি করবে।
গরমে যাদের ত্বকে ঘামাচি হয়, তারা ত্বকের যত্ন নিতে নিমপাতার রস লাগালে উপকার পাবেন। তেঁতো জাতীয় খাবার খান। ঘাম বেশি হলে ট্যালকম পাউডারের সাথে এক চিমটি খাবার সোডা ব্যবহার করুন।

ফেসপ্যাক – গরমে ত্বকের যত্ন নিতে শশা বাটা এবং মুশুরি ডাল বাটা দুটো পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। আপনার মুখের তেলতেলে ভাব কেটে যাবে। গোলাপের পাপড়ি, খেঁজুর , দুধে ভিজিয়ে রাখুন, ২/৩ ঘণ্টা পেস্ট করে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। পরে ঠাণ্ডা পানির সাহায্যে ধুয়ে ফেলুন, ত্বক মসৃণ হবে। এ ছাড়া কমলালেবুর রস ভালো ময়েশ্চারের কাজ করে। এর সঙ্গে দুধ ও ময়দা মিশিয়ে মুখের ত্বক পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন। অতিরিক্ত খসখসে ভাব থাকলে রাতে ঘুমানোর সময় ত্বক পরিষ্কার করে পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বকে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। সকালে ধুয়ে ফেলুন উপকার পাবেন।

155 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন