চুলের স্টাইল ছেলে এবং মেয়েদের জন্য

চুলের স্টাইল ছেলে এবং মেয়েদের জন্য
5 (100%) 3 votes

চুলের স্টাইল বিভিন্ন ধরনের করা যায়। চুলের স্টাইল সৌন্দর্য বাড়ায়। তবে ছেলে এবং মেয়েদের বয়সের উপর ভিত্তি করে চুলের স্টাইল করা উচিত। চুল বিভিন্ন ভাবে বাঁধা যায় আর সেই সঙ্গে চুলে যদি বাহারি রঙের ফুল লাগিয়ে নেওয়া যায় তাহলে তো মেয়েদের সৌন্দর্যের ষোলআনা পূর্ন। মেয়েদের সৌন্দর্যের অনেকাংশ নির্ভর করে চুলের সাঁজের উপর। আর সেটা যদি হয় চেহারার গড়ন অনুযায়ী তাহলে তো কথাই নেই। আমাদের সবার চেহারার সেপ এক না। কাউকে এক স্টাইলে ভালো লাগে তো কাউকে আরেক স্টাইল। তাই অন্ধভাবে কাউকে অনুসরণ না করে আগে নিজেকে বুঝুন, নিজের চেহারার গড়নকে বুঝুন।আপনাদের চুলের স্টাইল বেছে নেয়ার জন্য আজ কিছু জরুরি টিপস দেয়া হল।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

চুলের স্টাইল

চুলের স্টাইল মেয়েদের জন্য

টিনএজদের চুলের স্টাইল – চেহারার আকার ও ধরন অনুযায়ী সুন্দর একটা কাট নিন। চুল খাটো বা ছোট করে ছাঁটা থাকলে তো কথাই নেই। নিশ্চিন্তে ছেড়ে রাখতে পারেন। আবার সামনের দিকের চুল ছোট হলে তা নানা ধরনের ক্লিপ দিয়ে আটকে দিতে পারেন। সামনে থেকে মাথার মাঝ বরাবর কিছু চুল একসঙ্গে নিয়ে একটু বড় পাঞ্চ ক্লিপ দিয়ে বেঁধে দিন। এতে ফ্যাশনের পাশাপাশি চুলের স্টাইল হিসাবে সৌন্দর্য বাড়াবে।  মাথায় স্কার্ফ বাঁধার পুরনো ফ্যাশনটি এখন আবার ফিরে এসেছে। চুল বাঁধায় স্কার্ফ অনেক স্টাইলিশ এবং একই সঙ্গে এটি চুলকে রোদের হাত থেকেও বাঁচায়। মাঝারি কাটের চুলের জন্য হতে পারে নানা ধরনের স্টাইল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- পনিটেল ও রিবন টুইস্ট। ব্যস্ততায় যাদের দিন কাটে তাদের জন্য পনিটেল একটি সহজ ও ঝটপট চুলের স্টাইল । এর জন্য ছোট ক্লিপ দিয়ে সামনের কিছু চুল আঁটকে নিন। আর পেছনের চুলগুলো দিয়ে বেঁধে নিন একটি ঝুঁটি। এখন চলছে সামনের অংশের চুলগুলোকে একটু উঁচু করে আটকে পেছনে পনিটেল বাঁধার ফ্যাশন। এক পনিটেলেই আপনি করতে পারেন পছন্দ মতো চুলের স্টাইল । রিবন টুইস্টের জন্য পুরো মাথার চুল আঁচড়ে একপাশে নিয়ে আসতে হবে। যে পাশে চুল থাকবে না সেদিকটা আটকে দিতে হবে ক্লিপ দিয়ে। এবার একপাশে আনা চুলগুলোকে রাবার ব্যান্ড দিয়ে ঝুঁটি করে নিন। ঝুঁটির কিছু অংশ কালো ফিতা দিয়ে পেঁচিয়ে নিন। ঝুঁটির পরের অংশের চুলগুলো ছেড়ে রাখুন। আজকাল, টিনএজ মেয়েরা বিভিন্ন ধরনের স্টোন দিয়ে ডিজাইন করা ক্লিপ পরে থাকে। যারা একটু ফ্যাশন সচেতন, তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে চুল ব্লো ডাই বা স্ট্রেট করে ছেড়ে রাখতে পছন্দ করে। সে ক্ষেত্রে চুলে যে কোন এক পাশে ছোট্ট একটা স্টোন দিয়ে ডিজাইন করা কাঁটা বা ক্লিপ লাগিয়ে নিলে মন্দ লাগবে না।

গোলাকার শেপ – এই গড়নের মেয়েরা ব্যাককম্ব করে চুলের স্টাইল করলে চেহারা কিছুটা ওভাল শেপ দেখাবে। এতে করে তাদের দেখতে সুন্দর লাগবে। যদি ব্যাংস করতে চান তবে চোখের নিচ পর্যন্ত লম্বা করে কাটবেন। যদি আপনার চুল ছোট হয় তাহলে লেয়ারস করতে পারেন। এর ফলে আপনার চেহারা কিছুটা লম্বা দেখাবে। আর চুল কাটার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন কানের দুই পাশের অংশ একটু চাপা দেখায়। মাথার ওপরের ও সামনের অংশের চুল অপেক্ষাকৃত বড় ও খাড়া রাখতে হবে।

ওভাল শেপ – এই শেপের মেয়েদের চুলের স্টাইল নিয়ে টেনশনের কোন কারণ নেই। এরা যেমন ভাবেই চুলের স্টাইল করুক না কেন তাদের সুন্দর ভাবে মানিয়ে যায়। তাই তাদের জন্য বিশেষ কোন টিপস নেই।

স্কোয়ার অথবা চারকোণা ফেস – যদি আপনি এই শেপের অধিকারী হয়ে থাকেন তবে আপনার চুল লম্বা আর ফ্লওইং হতে হবে। এই সেপ এ দেখা যায় চিবুকের অংশটা বেশি প্রশস্ত হয়। ফ্লওইং বৈশিষ্ট্য চিবুকের প্রশস্ততা কমিয়ে আনে। যদি আপনার চুল ছোট হয়ে থাকে তাহলে চুল পেছন থেকে গোল করে কাটুন,পারলে কার্ল করুন। আর লম্বা চুলে ব্যাংস কেটে নাটকীয় লুক দিতে পারেন। যাতে করে সবার নজর শুধু আপনার কপালের অংশে থাকবে। লেয়ার হেয়ার কাটিং আয়তাকার মুখের জন্য সবচেয়ে ভালো
চুলের স্টাইল ।

হার্ট শেপ – যাদের কপালের অংশ প্রশস্ত আর চিবুকের কাছে narrow তাদেরকে এই শেপের অধিকারী বলা যায়। তাই সব সময় এমন চুলের স্টাইল প্রেফার করতে হবে যেটাতে কপাল ঢাকা থাকে। যেমন ব্যাংস, চাইনীজ কাট। চুল যদি ছোট হয় সেক্ষেত্রে সেগি, বব কাট মানাবে ভাল।পিছনে লেয়ার করে সামনে ব্যাংস করলেও trendy লুক আনা যায়।

লম্বাটে শেপ – আপনারা ফ্ল্যাট আয়রন ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকবেন। কারন এতে আপনাদের মুখটা আরো লম্বা দেখাবে। ফ্রন্ট লেয়ার করে পেছনে স্টেপ কাট করতে পারেন অথবা পার্টি তে যাওয়ার সময় কার্ল করতে পারেন। চুল টেনে বাঁধবেন না।

ডায়মন্ড শেপ – এদের দেখতে অনেকটা ওভাল শেপের মত লাগে। এদের মুখ যতটা না প্রশস্ত তার চেয়ে লম্বা বেশি। চুলের স্টাইল নেওয়ার সময় কপাল ও থুতনির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এমন চুলের স্টাইল নিতে হবে, যাতে গালের হাড় ছোট দেখায়। এমু এবং লেয়ার কাট আপনাদের সবচেয়ে বেশি মানাবে। ব্যাংস করতে চাইলে খেয়াল রাখবেন সেটা যেন বেশি ছোট না হয়। সামনে একটু ফুলিয়ে পেছনে পনিটেইল করতে পারেন, চুল টেনেও বাঁধতে পারেন।

পিক্সি হেয়ার স্টাইল – মেয়েদের চুলে বয়কাটের ট্রেন্ড অনেক আগে থেকে ছিল। সেটাতেই খানিকটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তৈরি করা হয়েছে পিক্সি হেয়ার স্টাইল। মুখের ধরন গোল, লম্বাটে, ওভাল, সেমি ওভাল-সব চেহারার সঙ্গে মানানসই পিক্সি। সেই সঙ্গে যত্ন-আত্তিতেও সুবিধে পাওয়া যায় এই হেয়ার কাটে। যদি কেউ চুলকে বেশি ছোট না করতে চান তারা কাটার আগেই চুল কতটুকু লম্বা রাখতে চান জানিয়ে দিন হেয়ার স্পেশালিস্টকে।

ওয়েভি – এই ধরণের চুলের স্টাইল এর বিশেষত্ব হল পাতলা, নরম ওয়েভি চুল। এই ধরণের চুলের স্টাইল করতে চাইলে প্রথমে একটি কার্ল ইনহ্যান্সিং ক্রিম অথবা জেল একটি হিট প্রটেক্টেন্ডের সাথে চুলে ব্যবহার করুন। একটি হেয়ার ড্রায়ারের সাহায্যে আপনার চুল শুকিয়ে নিন। এরপর একটি হেয়ার ডিফিউজার এবং আপনার আঙ্গুলের সাহায্যে চুলগুলি মাপ মতো সাইজ করে নিন। একবার চুল শুকিয়ে গেলে আপনি একটি মাঝারি মাপের কার্লিং আয়রন ব্যবহার করে আপনার চুলগুলি ওয়েভি করে নিতে পারেন। ছোট ছোট চুলের গোছা নিয়ে তাতে বিশ থেকে ত্রিশ সেকেন্ড কার্লিং আয়রন ব্যাবহার করুন যতক্ষণ না চুলগুলি হালকা গরম হয়। মনে রাখবেন এ পদ্ধতিতে চুল সাজাতে হলে চুলের ক্ষতি এড়ানোর জন্য একটি হিট প্রটেক্টেন্ড ব্যবহার করতে হবে।

লেয়ারড হেয়ার স্টাইল – যেকোন ধরণের চুলের শেইপের সাথেই এই চুলের স্টাইল মানিয়ে যায়। আপনার চুল যদি পাতলা হয় তাহলে লেয়ারগুলো যতটা সম্ভব লম্বা রাখার চেষ্টা করুন। ছোট থেকে মাঝারি ধরণের চুলের ছাটের সাথে লম্বা লেয়ার রাখা, এটি এখন একটি জনপ্রিয় চুলের স্টাইল । শর্ট সাট চুলের স্টাইল আমাদের দেশে তেমন জনপ্রিয় না। তবে এটি এবছর পশ্চিমা জগতে ব্যাপক জনপ্রিয় হতে পারে। এই চুলের স্টাইল ছোট শেইপের চুলের ক্ষেত্রেই বেশি করতে দেখা যায়। এর বৈশিষ্ট্য হল ছোট ছোট চুলের লেয়ারকে কিছুটা স্টাইলিস্ট ভাবে এলোমেলো করে রাখা।

বব হেয়ার স্টাইল – বব হেয়ার স্টাইল বেশ পুরানো হলেও এখনো যথেষ্ট জনপ্রিয়। এর মূল বৈশিষ্ট্য হল চুল কিছুটা ছোট করে কাটা। ভিক্টোরিয়া ব্যাকহাম আর কেট হোমলেস এই হেয়ার স্টাইল প্রচলন করেছে পশ্চিমা জগতে। আমাদের দেশে এটি বেশ জনপ্রিয়। এই হেয়ার স্টাইল বিভিন্ন ধরণের হতে পারে যেমন; ছোট, মাঝারি বা লম্বা বব হেয়ার কাট। আপনার চুলের শেইপ যদি বব হেয়ার স্টাইলের হয় তাহলে কিছুটা ভিন্নতা আনার জন্য হাইলাইট বা লো লাইট করে দেখতে পারেন।

ছেলেদের চুলের স্টাইল

নিজের চুলের স্টাইল নিয়ে অনেক ছেলেই দোটানায় ভোগেন। কেউ গরমে আরামের জন্য ছোট চুল রাখতে ভালোবাসেন। আবার কেউ বড় চুল কেটে ছোট করতে একদমই নারাজ। সময়ের সঙ্গে চুলের কাটে ভিন্নতা এনে নিজেকে নতুন ভাবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করেন কেউ কেউ। তবে, চুলের স্টাইল অনেকটা নির্ভর করে নিজের মুখের গড়নের ওপর। সব ধরনের চুলের স্টাইল যে সবাইকে মানাবে, এটা ঠিক নয়। মেয়েদের মতো ছেলেদেরও নিজের মুখমণ্ডল, শরীরের গড়ন, পেশা—এগুলোর ওপর নির্ভর করেই চুলের স্টাইল করা উচিত। তবে, গরমের সময় চুল যতটা সম্ভব ছোট করে ছেঁটে নিলেই ভালো। না হলে মাথায় ঘাম বসে যেতে পারে। আর যাঁরা বড় চুল রাখতে চান, তাঁরা নিয়মিত শ্যাম্পু করে চুল পরিষ্কার রাখতে পারেন। এই সময়ে বেশ কিছু জনপ্রিয় স্টাইলের চুলের কাট নিয়ে আমাদের এই আয়োজন। সাধারণত মুখের আকার জানা থাকলে তার সাথে মিলিয়ে হেয়ার কাট দিলে সুবিধা হয়। কারণ একেক আকৃতির মুখে একেক ধরণের হেয়ার কাট মানায়। আপনাকে শুধু জেনে নিতে হবে আপনার মুখের আকার কোন ধরণের এবং কোন হেয়ার কাটে আপনাকে মানাবে। তাহলে দেখে নিন কোন আকৃতির মুখের জন্য কোন হেয়ার কাট সবচেয়ে বেশি মানান সই।

ডিম্বাকৃতি মুখের জন্য – ডিম্বাকৃতি মুখ যে কোনো হেয়ার কাটের জন্য বেশ উপযোগী। এই আকৃতির মুখের সাথে প্রায় সব ধরণের চুলের স্টাইল মানিয়ে যায়। এই আকৃতির মুখের ছেলেরা বেশ ভাগ্যবান। কারণ তাদের চুলের স্টাইল নিয়ে বেশি চিন্তা করার প্রয়োজন হয় না। আপনি ইচ্ছে হলে চুল সামান্য বড় করে চুল এক পাশ করে আঁচড়াতে পারেন কিংবা চুলে দিতে পারেন স্পাইক কাট অথবা চুল ছোট ছোট করে আর্মি ছাট দিলেও মানিয়ে যাবে। কিংবা সাইড ব্যাঙস দিতে পারেন।

গোলাকৃতি মুখের জন্য – গোলাকৃতি মুখের ছেলেদের সব চুলের স্টাইল মানায় না। বিশেষ করে বড় চুল এবং যে কাটে চুল কানের পর পর্যন্ত পরে সেসব হেয়ারকাটে মুখ আরও বেশি গোলাকার দেখায় ও মোটা লাগে। গোলাকৃতি মুখের জন্য দরকার এমন কাট যা মুখের আকৃতি একটু লম্বাটে করে। আর এর জন্য ছোট চুলের হেয়ারকাট দিতে পারেন। স্পাইক করতে পারেন অথবা সামনের চুলের উচ্চতা বাড়িয়ে তোলে এমন কোন কাট দিন।

লম্বাটে মুখের জন্য – লম্বাটে মুখ তুলনামূলক ভাবে একটু শুকনো দেখায়। সেজন্য হেয়ার কাটটি এমন হতে হয় যাতে করে মুখ কিছুটা ভারী লাগে। লম্বাটে মুখের জন্য লম্বা চুল বা স্ট্রেইট ধরণের হেয়ার কাট একদমই ভালো লাগে না। লম্বাটে মুখের সাথে লেয়ার ধরণের হেয়ারকাট বেশ ভালো মানায়। এতে মুখের ওপরের অংশ ভারী দেখায় এবং মুখ একটু কম লম্বা দেখাবে। এছাড়া লম্বাটে মুখে সামনের চুল বড় করে ব্যাক ব্রাশ হেয়ার অনেক ভালো মানায়। এমন হেয়ার কাট দিন যাতে সামনের চুল বড় থাকে এবং দু পাশের চুল ছোট থাকে।

হার্ট আকৃতির মুখের জন্য – হার্ট আকৃতির মুখ অনেক স্টাইলিশ হয়। তবে আপনার সামান্য একটু খেয়াল করে চুল কাটা আপনার মুখের গ্ল্যামার বাড়াবে। হার্ট আকৃতির জন্য মুখের দুপাশে চুল থাকে এমন কাট নির্বাচন করুন। কারন এতে করে মুখের চওড়া হাড় ঢেকে যাবে। দেখতে ভালো লাগবে। লম্বা চুলের কাট হার্ট আকৃতির মুখের জন্য মানানসই। হার্ট আকৃতির মুখের ছেলেরা ভুলেও ব্যাক ব্রাশ করতে যাবেন না।

চারকোণা মুখের জন্য – চারকোণা আকৃতির মুখের ছেলেদের গোলাকৃতি মুখের ছেলেদের মতই হেয়ার কাট দিতে হবে। চারকোণা মুখের আকৃতির ছেলেদের চোয়াল অনেক চওড়া হয়। তাই চুলের আউট লাইন চওড়া চোয়ালের সাথে মিলিয়ে দিতে হবে। লেয়ার কাট দিতে পারেন। অথবা গোলাকৃতি মুখের মত স্পাইক করতে পারেন অথবা সামনের চুলের উচ্চতা বাড়িয়ে তোলে এমন কোন কাট দিন।

স্পাইক কাট – এই স্টাইলটা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় কিশোর ও তরুণদের কাছে। সব দিকের চুলই ছোট করে কেটে হেয়ার জেল দিয়ে চুলের স্টাইল করা যায়।

ফেড কাট – এই স্টাইলে পেছনে ও কানের ওপরে চুলটা একদম থাকেই না বলা চলে। কানের কমপক্ষে এক ইঞ্চি ওপর থেকে আর পেছনে মাথার অর্ধেক ওপর থেকে কাটা শুরু হয়।

ক্ল্যাসিক কাট – চুলের কাটে এটা পুরোনো স্টাইল। কাজের ক্ষেত্রে ফরমাল পোশাকের সঙ্গে এটি সবচেয়ে ভালো স্টাইল। এই স্টাইলে চুলের একদিকে সিঁথি করে আঁচড়ানো হয়। মাঝবয়সী ছেলেদের এই চুলের স্টাইল চেহারায় মার্জিত একটা লুক এনে দেবে।

ক্রু কাট – মাথার পেছনের দিকে ও পাশের চুলগুলো ট্রিম করে কাটা হয়। আর সেখান থেকে ওপরের দিকে ক্রমান্বয়ে চুল বড় ও কিছুটা খাড়া থাকে। এই স্টাইলটা কয়েক বছর ধরেই গরমে বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

বাজ কাট – যাঁরা খুব খেলাপ্রিয়, এই স্টাইল তাঁদের কাছে পরিচিত। খেলোয়াড় ও সৈনিকদের মধ্যে এই স্টাইল বেশি জনপ্রিয়। এই কাটে চুল ট্রিমার মেশিনে কাটা হয়। চুলের দৈর্ঘ্য থাকে এক ইঞ্চির চার ভাগের এক ভাগ। গোসলের পরেও এই চুল আঁচড়ানোর দরকার পড়ে না।

বড় চুলের যত্নে – শখের লম্বা চুল যাতে গরমে যন্ত্রণার কারণ না হয়, তাই নিয়মিত যত্ন নিতে পারেন। এখন বাইরে অনেক ধুলাবালু। তাই, নিয়মিত চুলে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার দিয়ে পরিষ্কার রাখা উচিত। মাঝেমধ্যে চুলে হট অয়েল ট্রিটমেন্ট করা যেতে পারে। হালকা গরম তেল চুলে লাগিয়ে তোয়ালে পেঁচিয়ে রেখে মাথা ধুয়ে নিলে উপকার পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ঘরে বসেই প্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অল্প পরিমাণে মধু আর জলপাই তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে মেখে নিন। এরপর ২০ মিনিট রেখে গোসল করে চুল ধুয়ে ফেলুন। যাঁদের চুল পড়া সমস্যা, তাঁরা পেঁয়াজের রস লাগিয়ে নির্দিষ্ট সময় পর ধুয়ে ফেললে উপকার পাবেন। বাইরে গেলে পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে চুলটাকে বেঁধে নিতে পারেন ব্যান্ড দিয়ে। এতে চুল যেমন ভালো থাকবে, তেমনি চুলের স্টাইল ও ঠিক থাকবে।

179 total views, 1 views today

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে

আপনার মন্তব্য লিখুন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন